Bartaman Logo
১৩ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

আজ রাঁচিতে পূর্বাঞ্চল পরিষদের বৈঠক, বন্যানিয়ন্ত্রণ ও রাজ্যের বকেয়া মেটানোর দাবি তুলবেন চন্দ্রিমা ও পন্থ

আজ রাঁচিতে বসছে পূর্বাঞ্চল পরিষদের (ইস্টার্ন জোনাল কাউন্সিল বা ইজেডসি) বৈঠক। উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব অমিত শাহ থেকে শুরু করে পশ্চিমবঙ্গ, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা এবং বিহারের মন্ত্রী-আমলাদের।

আজ রাঁচিতে পূর্বাঞ্চল পরিষদের বৈঠক, বন্যানিয়ন্ত্রণ ও রাজ্যের বকেয়া মেটানোর দাবি তুলবেন চন্দ্রিমা ও পন্থ
  • ১০ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আজ রাঁচিতে বসছে পূর্বাঞ্চল পরিষদের (ইস্টার্ন জোনাল কাউন্সিল বা ইজেডসি) বৈঠক। উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব অমিত শাহ থেকে শুরু করে পশ্চিমবঙ্গ, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা এবং বিহারের মন্ত্রী-আমলাদের। এই বৈঠকে বাংলার প্রতিনিধিত্ব করবেন অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ এবং অর্থসচিব প্রভাত মিশ্র। সূত্রের খবর, রাজ্যের তরফে বাংলার ন্যায্য প্রাপ্য থেকে শুরু করে ঝাড়খণ্ডে অবস্থিত তেনুঘাট ড্যামের নিয়ন্ত্রণের (ইউনিফায়েড কন্ট্রোল) অধিকারের দাবি তোলা হবে। ওইসঙ্গে থাকবে ফলে বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতার, আন্তঃরাজ্য রাজ্য সড়ক ও জলের পাইপলাইনসহ একাধিক ইস্যুও।

Advertisement

বর্তমানে রাজ্যের প্রাপ্য বকেয়া রয়েছে প্রায় ১ লক্ষ ৭২ হাজার কোটি টাকা। ২০২২ সালের ৫ নভেম্বর এই বৈঠকের আয়োজন করেছিল পশ্চিমবঙ্গ। বৈঠক হয়েছিল নবান্ন সভাঘরে। ওই বৈঠকে রাজ্যের ১০০ দিনের বকেয়া নিয়ে অমিত শাহের সামনেই সুর চড়িয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার বাংলায় এই প্রকল্প চালু করার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। তারপর দু’সপ্তাহের বেশি সময় কেটে গেলেও কেন্দ্রের তরফে এখনও কোনও সাড়া মেলেনি। ফলে এই ইস্যুতে ফের একবার করে রাজ্য সরব হতে পারে বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের। এছাড়া অন্যান্য বকেয়া মেটানোর দাবিও তোলা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, রাঁচির এই বৈঠক হওয়ার কথা ছিল ১০ মে। তবে ২২ এপ্রিল পহেলগাঁও জঙ্গিহামলার প্রেক্ষাপটে এই বৈঠক পিছিয়ে দেওয়া হয়। শেষমেষ আজ এই বৈঠক হতে চলেছে। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের ভয়াবহ বন্যার পর প্রথম ইজেডসির বৈঠক বসছে। ফলে রাজ্যের সঙ্গে আলোচনা না করে ডিভিসির জল ছাড়াসহ বন্যানিয়ন্ত্রণের নানা ইস্যুকে জাতীয় স্তরে তুলে ধরা হবে। তেনুঘাট ড্যাম ঝাড়খণ্ডে অবস্থিত। জল ছাড়ার বিষয়টি নির্ধারণ করার ক্ষমতা শুধুমাত্র ঝাড়খণ্ডের হাতে। অথচ জল ছাড়লে ভাসে মূলত বাংলাই। ফলে ডিভিআরআরসি’র অধীনে এই ড্যামের ‘ইউনিফায়েড কন্ট্রোল’ বাংলা চায়। বাংলার সঙ্গে কথা না বলে পাঞ্চেত ও মাইথনের মতো তেনুঘাট থেকে যাতে জল না ছাড়া হয়, সেটা নিশ্চিত করতে হবে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ