Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

অনলাইনে কেনা হয় পুলওয়ামা হামলার বিস্ফোরক! চাঞ্চল্যকর তথ্য দিল এফএটিএফ

পুলওয়ামা হামলার বিস্ফোরক কেনা হয়েছিল অনলাইনে। এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আনল ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স (এফএটিএফ)। বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসের কাজে আর্থিক লেনদেনে নজর রাখে এই আন্তর্জাতিক সংস্থা।

অনলাইনে কেনা হয় পুলওয়ামা হামলার বিস্ফোরক! চাঞ্চল্যকর তথ্য দিল এফএটিএফ
  • ১০ জুলাই, ২০২৫ ১৫:০৭
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: পুলওয়ামা হামলার বিস্ফোরক কেনা হয়েছিল অনলাইনে। এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আনল ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স (এফএটিএফ)। বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসের কাজে আর্থিক লেনদেনে নজর রাখে এই আন্তর্জাতিক সংস্থা। সম্প্রতি তাদের রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, অনলাইনে কেনাকাটার সুবিধা কাজে লাগিয়ে বিস্ফোরক সংগ্রহ করছে জঙ্গিরা। এই প্রসঙ্গে ২০১৯ সালের পুলওয়ামা হামলার কথা উল্লেখ করেছে এফএটিএফ। তাদের দাবি, ওই হামলায় ব্যবহৃত বিস্ফোরকের মূল উপাদান অ্যালুমিনিয়াম পাউডার। তা কেনা হয়েছিল জনপ্রিয় ই-কমার্স সাইট থেকে। 

Advertisement

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে জম্মু ও কাশ্মীরের পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলায় প্রাণ যায় ৪০ জন জওয়ানের। হামলার নেপথ্যে ছিল পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠন জইস-ই-মহম্মদ। সেইসময় অনলাইনে বিস্ফোরক কেনার বিষয়টা সামনে আসে। সম্প্রতি তাতে শিলমোহর দিল এফএটিএফ। সংস্থার দাবি, অনলাইনে লেনদেন অনেক সহজ। সেই কারণেই জঙ্গিরা এই পথ বেছে নিয়েছে। তবে এই কাজে জঙ্গিদের মদত দিচ্ছে বিভিন্ন দেশ। রিপোর্টে সেই আশঙ্কার কথাও উল্লেখ করেছে এফএটিএফ। সরাসরি নাম না বলেও তারা তুলে ধরেছে সন্ত্রাসে মদতদাতা দেশের ভূমিকার বিষয়টি। এছাড়া রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২২ সালে গোরক্ষনাথ মন্দির হামলার প্রসঙ্গ। ঘটনার প্রাথমিক তদন্তে জঙ্গি সংগঠন আইএসের যোগ মিলেছিল। জানা গিয়েছে, গোরক্ষনাথ মন্দিরে হামলাকারীর সঙ্গেও অনলাইনে ভিনদেশে অর্থ লেনদেনের হদিশ মিলেছে। এক্ষেত্রে আইপি অ্যাড্রেস লুকতে জঙ্গিরা ভিপিএন পরিষেবা ব্যবহার করা হয়েছে। তাতে সহজেই গোপন রাখা যায় পরিচয়। বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ বেড়েই চলেছে। তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করে এফএটিএফ জানিয়েছে, সহজে ও দ্রুত অর্থ লেনদেন সম্ভব বলেই এই পথ বেছে নিচ্ছে জঙ্গিরা। দিনে দিনে অনলাইনে লেনদেনের মাত্রা বাড়াচ্ছে তারা। এব্যাপারে কোনও লেনদেন নজরে এলেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংস্থা। কিন্তু কোনও দেশ যদি জঙ্গিদের সাহায্য করে তাহলে বিষয়টা নিয়ন্ত্রণ আনা কঠিন বলেই মনে করছে এফএটিএফ।

সম্পর্কিত সংবাদ