Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

পড়শির বাড়িতে কার্তিক ফেলে টাকা দাবি, বিতর্কে কাউন্সিলার

পড়শির বাড়িতে কার্তিক ফেলে টাকা দাবি, বিতর্কে কাউন্সিলার
  • ১৬ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া:  প্রতিবেশীর বাড়িতে কার্তিক ফেলে আসা বাংলায় প্রাচীন রেওয়াজ। সেই কাজ করতে গিয়েই বিতর্কে জড়ালেন বৈদ‍্যবাটি  পুরসভার তৃণমূল কংগ্রেসের এক মহিলা কাউন্সিলার। কারণ কার্তিক ফেলে আসার পাশাপাশি তিনি পুরসভার লেটার প্যাডে, নিজের স্বাক্ষর সহ চিঠিও দিয়েছিলেন। সেখানে কার্তিক ঠাকুরের বয়ানে দু’হাজার টাকা দাবি করা হয়েছে। শুক্রবার  ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই বিরোধীরা হইহই করে মাঠে নেমে পড়ে। বিরোধীদের অভিযোগ, কার্তিক ঠাকুরকে সামনে রেখে এবার তোলা চাওয়ার নতুন সংস্কৃতি চালু করছে তৃণমূল। ঘটনাটি বৈদ‍্যবাটি পুরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে ঘটেছে।
Advertisement
বিরোধীদের জবাব দিতে দ্রুত তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি থেকে বৈদ্যবাটি পুরসভার চেয়ারম্যান পর্যন্ত ময়দানে নেমে পড়েন। যদিও দলের অন্দরমহল সূত্রে জানা গিয়েছে, বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পরই ওই তৃণমূল কাউন্সিলারকে ডেকে ধমক দেন বৈদ্যবাটি পুরসভার চেয়ারম্যান পিন্টু মাহাতো। দলের জেলা সভাপতি অরিন্দম গুঁইনও ঘনিষ্ঠ মহলে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। পিন্টুবাবু বলেন, পুরসভার লেটার প্যাড প্রশাসনিক কাজের জন্য ব্যবহার করা হয়। তা ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করে কাউন্সিলার পৌষালি ভট্টাচার্য অন্যায় করেছেন। এ ব্যাপারে পুরসভার অন্দরে আলোচনা করে পদক্ষেপ করব। যদিও তোলাবাজির প্রসঙ্গ অস্বীকার করেছেন পিন্টুবাবু। তিনি বলেন, শুনেছি নিখাদ মজা করার জন্য কার্তিক ফেলে চিঠি দেওয়া হয়।  পৌষালিদেবীও বলেন, বিষয়টি নিখাদ মজা ছিল। আমি কার্তিকের ছবি সহ আমার চিঠি সমাজ মাধ্যমে দিয়েছিলাম। কোন অন্যায় উদ্দেশ্য থাকলে বিষয়টি নিশ্চয় প্রকাশ‍্যে আনতাম না। যদিও স্থানীয় বিজেপি নেতা হরি মিশ্র বলেন,  তোলাবাজির নিত্যনতুন কৌশল তৃণমূল বাংলাকে শেখাচ্ছে।
সম্পর্কিত সংবাদ