নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: অবৈধ নথি দেখিয়ে ঝাড়গ্রাম জেলা থেকে ওভারলোডেড বালির লরি ঢুকছে পশ্চিম মেদিনীপুরে। ইতিমধ্যেই ১৮টি বালি বোঝাই লরিকে আটক করে জরিমানা করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে জেলার ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তর। প্রশাসনের আধিকারিকদের কথায়, প্রতিটি লরিকে প্রায় এক লক্ষ টাকা জরিমানা করা হবে। বিভিন্ন রাস্তায় ২৪ ঘণ্টা বালি বোঝাই লরির গতিবিধির উপর নজর রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। লরির কোনও বৈধ চালান না থাকলে এফআইআর করা হবে। একইসঙ্গে সরকারি নির্দেশ অমান্য করে ওভারলোড লরি রাস্তায় নামালেও কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দেওয়া হচ্ছে। জানা গিয়েছে, আটক ১৮টি লরি ঝাড়গ্রাম জেলার লালগড় থেকে বালি বোঝাই করে আনছিল। ওসি মাইন ও মিনারেলস অমিত ঘোড়াই বলেন, রাতভর বালি বোঝাই লরির দিকে নজর দেওয়া হচ্ছে। প্রশাসনের নিয়ম না মানলে কড়া শাস্তির মুখে পড়তে হবে। ১৮টি লরিকে মোটা অঙ্কের জরিমানা করার প্রক্রিয়া চলছে। অনেক লরি জাল চালান ব্যবহার করছে। সেই বিষয়েও তীক্ষ্ণ নজর রাখা হচ্ছে। এদিন সন্ধ্যায় জেলাশাসক খুরশিদ আলি কাদরি বলেন, বেশকিছু গাড়ি ব্লক করা হয়েছে। বেআইনি কাজ করলে কেউ ছাড় পাবে না। আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
Advertisement
ভূমি সংস্কার দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, ঝাড়গ্রাম জেলার ভিতর দিয়ে কংসাবতী নদী গিয়েছে। সেই নদীর ধার থেকে বালি উত্তোলন করা হয়। একসময় ঝাড়গ্রাম জেলায় ৭৩টি সরকারি অনুমোদন প্রাপ্ত খাদান ছিল। বর্তমানে খাদানের সংখ্যা কমে গিয়েছে। বর্তমানে বিনপুর-১ ব্লকে ২টি, গোপীবল্লভপুর-২ ব্লকে একটি ও নয়াগ্রাম ব্লকে একটি খাদান রয়েছে। এই খাদানগুলো থেকে বালি তোলা হচ্ছে। তবে লালগড় এলাকায় বেশকিছু অবৈধ খাদান রয়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা প্রশাসনের অভিযোগ, লরিগুলিতে ওভারলোড করা হচ্ছে। তাছাড়া অবৈধ খাদান হলে ভুয়ো চালান তৈরি করা হচ্ছে। মূলত ভোররাতে সেই বালি পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার উপর দিয়ে বিভিন্ন এলাকায় পাঠানো হচ্ছে।
জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, অবৈধভাবে বালি নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ আসছিল। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ৬ ও ৭ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে ১৮টি লরি চিহ্নিত করা হয়েছে। লরিগুলো লালগড় থেকে ভাদুতলা যাওয়ার রাস্তা দিয়ে আসছিল। অবৈধ চালানের ফলে সরকারের রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে। এছাড়া মোহনপুর সেতুরও সুরক্ষার প্রয়োজন। উল্লেখযোগ্য ভাবে ওভারলোডেড লরি জন্য গ্রামীণ রাস্তার সবথেকে বেশি ক্ষতি হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশকে অমান্য করেই চলছিল বেআইনি কাজ। এ নিয়ে জিরো টলারেন্স পদ্ধতি অবলম্বন করা হবে। জেলার রেভিনিউ অফিসার অরূপ দে বলেন, বিভিন্ন অসাধু ব্যবসায়ী এই কাজের সঙ্গে যুক্ত। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার উপর দিয়ে অবৈধ বালি বোঝাই লরি যেতে দেওয়া যাবে না।
জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, অবৈধভাবে বালি নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ আসছিল। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ৬ ও ৭ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে ১৮টি লরি চিহ্নিত করা হয়েছে। লরিগুলো লালগড় থেকে ভাদুতলা যাওয়ার রাস্তা দিয়ে আসছিল। অবৈধ চালানের ফলে সরকারের রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে। এছাড়া মোহনপুর সেতুরও সুরক্ষার প্রয়োজন। উল্লেখযোগ্য ভাবে ওভারলোডেড লরি জন্য গ্রামীণ রাস্তার সবথেকে বেশি ক্ষতি হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশকে অমান্য করেই চলছিল বেআইনি কাজ। এ নিয়ে জিরো টলারেন্স পদ্ধতি অবলম্বন করা হবে। জেলার রেভিনিউ অফিসার অরূপ দে বলেন, বিভিন্ন অসাধু ব্যবসায়ী এই কাজের সঙ্গে যুক্ত। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার উপর দিয়ে অবৈধ বালি বোঝাই লরি যেতে দেওয়া যাবে না।



