নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: পশ্চিম মেদিনীপুরে দুয়ারে সরকার শিবিরে ৪ লক্ষ ৩০ হাজার আবেদন জমা পড়ল। এ মাসের মধ্যেই প্রত্যেককে পরিষেবা দেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও, ইতিমধ্যেই জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ২ লক্ষ ৪০ হাজারের বেশি মানুষ বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পেয়ে গিয়েছেন। প্রশাসনের আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, জেলায় ৫০ শতাংশ মানুষকে পরিষেবা দেওয়ার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তবে উল্লেখযোগ্য ভাবে জেলার দুয়ারে সরকার শিবিরগুলিতে ৮ লক্ষ মানুষ উপস্থিতি হয়েছিল। যা নয়া রেকর্ড করেছে। বিভিন্ন প্রকল্পের আবেদন করার পাশাপাশি শিবিরে গড়ে ওঠা হেল্থ ক্যাম্প, সচেতনতামূলক ক্যাম্পেও মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। এদিন জেলাশাসক খুরশিদ আলি কাদরি বলেন, দুয়ারে সরকার শিবিরগুলোতে রেকর্ড ভিড় হয়েছে। বহু মানুষ বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন। নির্দিষ্ট সময়সূচির মধ্যে ১০০ শতাংশ মানুষকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন সচেতনতামূলক শিবিরেও মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা গিয়েছে। দ্রুততার সঙ্গে কাজ চলছে।
Advertisement
প্রসঙ্গত, রাজ্য সরকারের লক্ষ্য, প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের কাছে সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে দেওয়া। সেই লক্ষ্যেই ২০২০ সাল থেকে শুরু হয় দুয়ারে সরকার শিবির। এর ফলে বর্তমানে জঙ্গলমহলের প্রত্যন্ত এলাকার মানুষ কোনও না কোনও প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন। এতে খুশি তাঁরা। জানা গিয়েছে, গত আটটি শিবিরের মধ্যে এবারের শিবিরে সবচেয়ে বেশি জনসমাগম হয়েছে। নবম দুয়ারে সরকার কর্মসূচিতে জেলায় ৬ হাজার ৫৯টি শিবির হয়েছে। জঙ্গল লাগোয়া প্রত্যন্ত এলাকার জন্য ২ হাজার ৬৬০টি মোবাইল ক্যাম্প ছিল। এই শিবিরের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় রেকর্ড পরিমাণ মানুষের সমাগম হয়েছে বলে মানছেন প্রশাসনের আধিকারিকরা।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, দুয়ারে সরকার শিবিরে রোড সেফটি নিয়েও প্রচার হয়েছে। বিভিন্ন প্রকল্পের মধ্যে আধার কার্ড সংক্রান্ত বিষয়ের জন্য ১০ হাজার, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের জন্য প্রায় ২৫ হাজার, কৃষক বন্ধু প্রকল্পের জন্য ১৮ হাজার, স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের জন্য ১৬ হাজার, ঐক্যশ্রী প্রকল্পের জন্য ৩০ হাজার মানুষ আবেদন করেছেন। পাশাপাশি সামাজিক সুরক্ষা, ওল্ড এজ পেনশন, উইডো পেশন সহ একাধিক প্রকল্পের জন্য লক্ষাধিক মানুষ আবেদন করেছেন। পাশাপাশি ৮৩টি হেল্থ ক্যাম্প থেকে এক লক্ষের বেশি মানুষ উপকৃত হয়েছেন। প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, মোবাইল ক্যাম্প সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বহু মানুষের আধার কার্ডের সমস্যা ছিল। সেগুলো দ্রুততার সঙ্গে সমাধানের চেষ্টা চলছে। এছাড়া জেলায় বাল্য বিবাহ, টিন এজ প্রেগনেন্সির সমস্যা রয়েছে। এই বিষয়ে জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা বিভিন্ন ক্যাম্প থেকে সচেতনতামূলক প্রচার চালিয়েছেন। গত দুয়ারে সরকার শিবিরে সাড়ে ছয় লক্ষ মানুষের সমাগম হয়েছিল, আবেদন জমা পড়ে সাড়ে তিন লক্ষ। এবারে অনেকটাই বেড়েছে। গড়বেতার বাসিন্দা সন্দীপ মাইতি বলেন, শিবিরে ভালোই ভিড় হয়েছে। স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের জন্য আবেদন করেছি। দ্রুত তা পাব বলে আশা করছি।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, দুয়ারে সরকার শিবিরে রোড সেফটি নিয়েও প্রচার হয়েছে। বিভিন্ন প্রকল্পের মধ্যে আধার কার্ড সংক্রান্ত বিষয়ের জন্য ১০ হাজার, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের জন্য প্রায় ২৫ হাজার, কৃষক বন্ধু প্রকল্পের জন্য ১৮ হাজার, স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের জন্য ১৬ হাজার, ঐক্যশ্রী প্রকল্পের জন্য ৩০ হাজার মানুষ আবেদন করেছেন। পাশাপাশি সামাজিক সুরক্ষা, ওল্ড এজ পেনশন, উইডো পেশন সহ একাধিক প্রকল্পের জন্য লক্ষাধিক মানুষ আবেদন করেছেন। পাশাপাশি ৮৩টি হেল্থ ক্যাম্প থেকে এক লক্ষের বেশি মানুষ উপকৃত হয়েছেন। প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, মোবাইল ক্যাম্প সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বহু মানুষের আধার কার্ডের সমস্যা ছিল। সেগুলো দ্রুততার সঙ্গে সমাধানের চেষ্টা চলছে। এছাড়া জেলায় বাল্য বিবাহ, টিন এজ প্রেগনেন্সির সমস্যা রয়েছে। এই বিষয়ে জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা বিভিন্ন ক্যাম্প থেকে সচেতনতামূলক প্রচার চালিয়েছেন। গত দুয়ারে সরকার শিবিরে সাড়ে ছয় লক্ষ মানুষের সমাগম হয়েছিল, আবেদন জমা পড়ে সাড়ে তিন লক্ষ। এবারে অনেকটাই বেড়েছে। গড়বেতার বাসিন্দা সন্দীপ মাইতি বলেন, শিবিরে ভালোই ভিড় হয়েছে। স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের জন্য আবেদন করেছি। দ্রুত তা পাব বলে আশা করছি।



