মুম্বই: অভিজাত পশ্চিম বান্দ্রায় ১২ তলা বিল্ডিং। ঝাঁ চকচকে ওই আবাসনের চারতলা মিলিয়ে বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট। এটাই মুম্বইয়ে সইফ আলি খান ও করিনার কাপুরের ঠিকানা। প্রত্যেকটি ফ্লোরে একটি করে থ্রিবিএইচকে। রয়েছে নজরকাড়া বিশাল বারান্দা, সঙ্গে সুইমিং পুল। ২০১৩ সালে সৎগুরু বিল্ডারের কাছ থেকে ৪৮ কোটি টাকায় ওই অ্যাপার্টমেন্ট কিনেছিলেন সইফ। বান্দ্রা ওয়েস্টে অন্যান্য জায়গায় তুলনায় সৎগুরু শরণে ফ্ল্যাটের দাম অনেকটাই বেশি। এখানে দাম প্রতি বর্গফুটে ৭০ হাজার টাকা। আবাসনে রয়েছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা। তার সঙ্গে তারকাখচিত বান্দ্রা এলাকার ব্যস্ত নাইটলাইফ। অথচ এখানকার অ্যাপার্টমেন্টে ঢুকেই বলিউডের ‘নবাব’কে কোপানোর মতো ঘটনা ঘটে গিয়েছে। ফলে আবাসনের নিরাপত্তা নিয়েই প্রশ্ন উঠে গিয়েছে।
Advertisement
বছর দুয়েক আগেই সইফ-করিনা পুরনো বাড়ি ছেড়ে এখানে আসেন। এর আগে তাঁরা থাকতেন ঠিক উল্টোদিকের ফরচুন হাইটসে। বর্তমানে সৎগুরু শরণে সইফের সেই অ্যাপার্টমেন্টের দাম প্রায় ১০০ কোটি। ঘরের অন্দরসজ্জার কাজ করেছেন দর্শিনী শাহ। নামজাদা এই ডিজাইনারের ভাবনা, সঙ্গে তারকা দম্পতির সেল্ফ-স্টাইল। দু’য়ে মিলে বান্দ্রা ওয়েস্টের অন্যান্য অভিজাত আবাসনের থেকে সৎগুরু শরণের এই অ্যাপার্টমেন্ট সত্যিই অন্যরকম।
লিভিং রুমের সঙ্গে রয়েছে বিশাল বারান্দা। সেখানে নানা ধরনের ইনডোর ট্রি। লাইব্রেরিতে যাতায়াতের দরজাও এখানে। কারুকাজ করা কাঠের আলমারিতে সাজানো অজস্র বই। ঘরের সবক’টি মেঝেই কাঠের। দেওয়ালে নানা আকারের ফটো ফ্রেম। তাতে বাঁধিয়ে রাখা অভিনেতা দম্পতির বেড়ানোর নানা স্মৃতি। তৈমুর আর জাহাঙ্গিরের ঘর সাজানো হয়েছে আবার জাঙ্গল থিমের ওয়ালপেপার দিয়ে। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রায়শই করিনা তাঁর যোগাভ্যাসের ছবি শেয়ার করেন। সেখানে তাঁর বিলাসবহুল এই অ্যাপার্টমেন্টের কয়েক ঝলক নজরে পড়ে।
লিভিং রুমের সঙ্গে রয়েছে বিশাল বারান্দা। সেখানে নানা ধরনের ইনডোর ট্রি। লাইব্রেরিতে যাতায়াতের দরজাও এখানে। কারুকাজ করা কাঠের আলমারিতে সাজানো অজস্র বই। ঘরের সবক’টি মেঝেই কাঠের। দেওয়ালে নানা আকারের ফটো ফ্রেম। তাতে বাঁধিয়ে রাখা অভিনেতা দম্পতির বেড়ানোর নানা স্মৃতি। তৈমুর আর জাহাঙ্গিরের ঘর সাজানো হয়েছে আবার জাঙ্গল থিমের ওয়ালপেপার দিয়ে। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রায়শই করিনা তাঁর যোগাভ্যাসের ছবি শেয়ার করেন। সেখানে তাঁর বিলাসবহুল এই অ্যাপার্টমেন্টের কয়েক ঝলক নজরে পড়ে।
মুম্বই ক্রাইম ব্রাঞ্চের আধিকারিক দয়া নায়েক। ছবি: পিটিআই



