নিজস্বপ্রতিনিধি, ঝাড়গ্ৰাম: ঝাড়গ্রামে পর্যটনের ভরা মরশুম। পর্যটকরা জেলার পর্যটনস্থলে ভিড় জমাচ্ছেন। পর্যটকদের বড় অংশ ট্রেনে করে বেড়াতে আসেন। এই পরিপ্রেক্ষিতে ঝাড়গ্রাম শহর ও পার্শ্ববর্তী পর্যটনস্থলে বেড়াতে যাওয়া পর্যটকদের কাছ টোটো চালকদের বেশি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ উঠছে।পর্যটকদের মধ্যে তাই নিয়ে ক্ষোভ বাড়ছে।পুরসভার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
Advertisement
ঝাড়গ্রাম শহরে জুলজিক্যাল পার্ক,ঝাড়গ্রাম রাজবাড়ি,সাবিত্রী মন্দির, পঞ্চবটী মাহাত সরবরের মতো পর্যটনস্থল রয়েছে।পর্যটকরা টোটো করে এইসব জায়গা ঘুরতে যান। এছাড়াও নিকটবর্তী চিল্কিগড় কনকদুর্গা মন্দির, রাজবাড়ি,ডুলুং নদী তীরবর্তী প্রাকৃতিক শোভা পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণস্থল। বহু পর্যটক টোটো করে এইসব জায়গা বেড়াতে যান। অভিযোগ উঠেছে শহরের টোটো চালকরা ঝাড়গ্রাম শহরের পর্যটন কেন্দ্রগুলি টোটোতে ঘুরিয়ে দেখানোর জন্য দেড় হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকা পর্যন্ত দর হাঁকছেন। পুরসভায় রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্ত প্রায় ৭ হাজার টোটো রয়েছে। অনুমোদনহীন টোটোও শহরে চলাচল করে। রেজিস্ট্রেশন হীন টোটো চলাচল বন্ধ না করা নিয়েই ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠছে।পর্যটন কেন্দ্রগুলি ঘুরে বেড়ানোর জন্য পুরসভার ভাড়ার নির্দিষ্ট রেট চার্ট নেই। ঝাড়গ্রাম শহর তৃণমূল টোটো ইউনিয়নের সদস্যরামানছেন কিছু ক্ষেত্রে বেশি টাকা নেওয়ার অভিযোগ তাঁদের কাছেও এসেছে। ঝাড়গ্রাম শহর আইএনটিটিইউসির সেক্রেটারি বিশ্বনাথ রায় বলেন, বেশ কিছু অভিযোগ আমরা পেয়েছি।পুরসভার কাছে ভাড়ার চার্ট তৈরি করে দেওয়ার জন্য আবেদন করা হয়েছে।কিন্তু ভাড়ার সেই চার্ট তৈরি করে দেওয়া হয়নি। বহরমপুরের খাগড়া এলাকার বাসিন্দা চন্দন দেব বলেন, স্ত্রী ও ছেলেকে নিয়ে ঝাড়গ্রাম জুলজিক্যাল পার্ক, রাজবাড়ি ও চিল্কিগড় বেড়াতে যাবার জন্য টোটো ভাড়া করি। টোটো ভাড়া শুনে অবাক হয়ে যাই। শেষে অন্য ছোট গাড়ি ভাড়া করে আমাদের ঘুরতে হয়। ঝাড়গ্রাম জেলা হোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শিবাশিস চট্টোপাধ্যায় বলেন,অন্য জায়গায় পর্যটন কেন্দ্রগুলি ঘুরে দেখার জন্য টোটো ও গাড়ির নির্দিষ্ট ভাড়ার চার্ট থাকে। এখানে তা নেই।পুরসভাকে এই সমস্যা সমাধানে পদক্ষেপ নিতে হবে। পুরসভার চেয়ারম্যান কবিতা ঘোষ বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। ভাড়ার নির্দিষ্ট চার্ট তৈরি করার পদক্ষেপ নেওয়া হবে।



