নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্ৰাম: পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়াতে ঝাড়গ্রাম জুলজিক্যাল পার্কে আসছে ফিশিং লেপার্ড ও কুমির। গত কয়েক বছরে পর্যটকদের অন্যতম বেড়ানোর জায়গা জঙ্গলমহল জুলজিক্যাল পার্কটি সম্প্রসারণ করা হয়েছে। বিভিন্ন ধরনের বন্যপ্রাণী আনা হচ্ছে। এই পার্কে এবার নতুন অতিথি ফিশিং লেপার্ড ও কুমির।
Advertisement
বৈচিত্র্যময় ল্যাটেরাইটিক ইকো-সিস্টেমের চমকপ্রদ নিদর্শন জঙ্গলমহল জুলজিক্যাল পার্ক। শহর লাগোয়া ধবনি বিটে পার্কটি রয়েছে। ঝাড়গ্রাম মিনি জু নামে ১৯৮০সালে এটি তৈরি হয়। প্রথমে এটা ডিয়ার পার্ক ছিল। সেন্ট্রাল জু অথরিটি ২০০৫সালে এই পার্কের কিছু পরিবর্তন করে। পর্যটকরা দূরদূরান্ত থেকে এই পার্ক বন্যপ্রাণীদের দেখতে আসেন। মেলে জঙ্গলের রোমাঞ্চ। বর্তমানে ১৬টি প্রজাতির ১৮৭টি স্তন্যপায়ী, ১২টি প্রজাতির ১৫৩টি সরীসৃপ, ১৮টি প্রজাতির ৭৪টি পাখির বসবাস এই পার্কে। পাখিদের মধ্যে দেখা মেলে রেড মুনিয়া, গোল্ডেন ওরিওলে, গ্রিন বি ইটার, ক্রো ফেজেন্ট, পার্পেল ও নাইট হেরন, ব্রাহ্মণী কাইট, হোয়াইট-ব্রেস্টেড ওয়াটার-হেন, ব্লু রক পিজিওন, প্যারাকিট, ইয়েলো ওয়াগটেল। সরীসৃপদের মধ্যে আছে মনিটর লিজার্ড, ইন্ডিয়ান পাইথন, কোবরা, বাফ স্ট্রাইপড কিলব্যাক, গেকো, স্টার টরটয়েজ প্রভৃতি। স্তন্যপায়ী প্রাণীদের মধ্যে দেখা মেলে ইন্ডিয়ান সিভেট, হায়না, জ্যাকেল, ফিশিং ক্যাট, জঙ্গল ক্যাট, রেসাস ম্যাকাও, শেয়াল, পর্কুপাইন, লেঙ্গুর, নীলগাই, স্পটেড ডিয়ার, বার্কিং ডিয়ার প্রভৃতি। এবার পার্কে নতুন অতিথি হয়ে আসছে আসছে ফিসিং লেপার্ড ও কুমির। কুমির রাখার জন্য পার্কের ভিতর জলাশয়ের সংস্কারের কাজ চলছে।
বন বিভাগের এক আধিকারিক বলেন, কিছুদিন আগে সাদা রঙের দু’টি কাকাতুয়া এনক্লোজারের ভিতর রাখা হয়েছে। এবছর শীতের মরশুমে প্রতিদিন গড়ে দেড় থেকে দু’হাজার পর্যটক পার্কে আসছেন। ভিতরে ফুলের বাগান তৈরি করা হয়েছে। ছোটদের বিনোদনের ব্যবস্থা থাকায় বেড়াতে এসে পরিবারের লোকজন এখানে অনেকটা সময় কাটাচ্ছেন। ঝাড়গ্রাম হোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শিবাশিস চট্টোপাধ্যায় বলেন, পর্যটকদের একটি বড় অংশ জুলজিক্যাল পার্কে বেড়াতে আসেন। পর্যটনের মরশুমে অরণ্য শহরের হোটেল, লজ, রিসর্ট, হোম স্টে ভর্তি থাকে। জেলার বনবিভাগ পার্কে নতুন নতুন বন্যপ্রাণী, পাখি নিয়ে আসছে। পার্কের সামনের জঙ্গলে টাইগার সাফারি গড়ার উদ্যোগ চলছে। ঝাড়গ্রামের ডিএফও উমর ইমাম বলেন, জুলজিক্যাল পার্কে ফিসিং লেপার্ড ও কুমির আনা হবে। কুমিরের সংখ্যা এখনও ঠিক হয়নি। তবে কুমিরের জলাশয়টির সংস্কারের কাজ চলছে।
বন বিভাগের এক আধিকারিক বলেন, কিছুদিন আগে সাদা রঙের দু’টি কাকাতুয়া এনক্লোজারের ভিতর রাখা হয়েছে। এবছর শীতের মরশুমে প্রতিদিন গড়ে দেড় থেকে দু’হাজার পর্যটক পার্কে আসছেন। ভিতরে ফুলের বাগান তৈরি করা হয়েছে। ছোটদের বিনোদনের ব্যবস্থা থাকায় বেড়াতে এসে পরিবারের লোকজন এখানে অনেকটা সময় কাটাচ্ছেন। ঝাড়গ্রাম হোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শিবাশিস চট্টোপাধ্যায় বলেন, পর্যটকদের একটি বড় অংশ জুলজিক্যাল পার্কে বেড়াতে আসেন। পর্যটনের মরশুমে অরণ্য শহরের হোটেল, লজ, রিসর্ট, হোম স্টে ভর্তি থাকে। জেলার বনবিভাগ পার্কে নতুন নতুন বন্যপ্রাণী, পাখি নিয়ে আসছে। পার্কের সামনের জঙ্গলে টাইগার সাফারি গড়ার উদ্যোগ চলছে। ঝাড়গ্রামের ডিএফও উমর ইমাম বলেন, জুলজিক্যাল পার্কে ফিসিং লেপার্ড ও কুমির আনা হবে। কুমিরের সংখ্যা এখনও ঠিক হয়নি। তবে কুমিরের জলাশয়টির সংস্কারের কাজ চলছে।



