নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মোবাইল ফোনে নতুন অ্যাপ ডাউনলোড করবেন? সেক্ষেত্রে ‘পারমিশন বক্স’-এ ‘টিক’ দেওয়া একপ্রকার বাধ্যতামূলক। সেই নিয়মাবলি ‘অ্যাকসেপ্ট’ না করলে ওই অ্যাপ ব্যবহারযোগ্যই হবে না। কিন্তু তাড়াহুড়োতে অত সময় কোথায়! তাই নিয়মাবলি সম্পূর্ণটা না পড়েই ধৈর্য্য হারিয়ে ‘টিক’ করে দেন গ্রাহকরা। এখানেই লুকিয়ে প্রতারণার প্রাথমিক স্তর। কারণ, সম্মতি জানানো মাত্রই ডার্ক ওয়েবে চলে যাচ্ছে ফোনে থাকা গোপন তথ্য। একটি-দু’টি নয়, ডেটা সিকিওরিটি কাউন্সিল অব ইন্ডিয়ার (ডিএসসিআই) একটি সমীক্ষা বলছে, কলকাতায় প্রত্যেকের মোবাইল ফোনে অন্তত ৪৪টি করে এমন ‘অনুপ্রবেশকারী’ সফ্টওয়্যার ঢুকে রয়েছে। সাইবার বিশেষজ্ঞরা যাকে ‘ম্যালওয়্যার’ নামেই চেনেন।
Advertisement
সমীক্ষার রিপোর্ট বলছে, ‘অনুপ্রবেশকারী’ সফ্টওয়্যার সবচেয়ে বেশি হারে গ্রাহকের মোবাইলে ঢুকেছে এমন রাজ্যের নিরিখে শীর্ষে তেলেঙ্গানা। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে যথাক্রমে তামিলনাড়ু ও দিল্লি। এই তালিকায় পশ্চিমবঙ্গ সপ্তম স্থানে। এরাজ্যে সার্বিকভাবে প্রতিটি মোবাইলে অন্তত ৩১টি করে ম্যালওয়ার ঢুকে রয়েছে। রিপোর্টে এমনটাই দাবি ডিএসসিআইয়ের। সংস্থার চিফ এগজিকিউটিভ অফিসার বিনায়ক গডসে বলেন, ‘দেশজুড়ে প্রায় ৩ হাজার ৬৯০ লক্ষ ম্যালওয়্যারের সন্ধান মিলেছে। তার মধ্যে বেশিরভাগ অনুপ্রবেশকারী সফ্টওয়্যারই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স নির্ভর। যার জেরে গ্রাহকের মোবাইলে সার্চ করা যাবতীয় পছন্দসই তথ্য অজান্তেই চলে যাচ্ছে ডার্ক ওয়েবে, যেখানে ওঁত পেতে বসে সাইবার প্রতারকরা।’ অর্থাৎ, ‘ওয়ে টু সাইবার থ্রেট’।
এই ধরনের ম্যালওয়্যার কীভাবে মোকাবিলা করা যাবে, তা নিয়ে ইতিমধ্যে একদফা বৈঠক সেরেছেন কেন্দ্রীয় বিশেষজ্ঞরা। কলকাতা পুলিসের সাইবার বিভাগের এক কর্তা জানিয়েছে, ‘ল্যাপটপ কিংবা কম্পিউটারে অ্যান্টি-ভাইরাস রাখেন বেশিরভাগ মানুষ। অনেক অ্যাপ কিংবা সফ্টওয়্যার ডাউনলোড করতে গেলে বাধা দেয় সেই সুরক্ষা কবচ। কিন্তু, মোবাইল ফোনের ক্ষেত্রে তা সম্ভব নয়।’ আর এর জেরেই থার্ড পার্টির হাতে চলে যাচ্ছে গ্রাহকের ফোনে থাকা মোবাইল নম্বর, জি-মেল, লোকেশন, সার্চ-ইঞ্জিন অপারেশনের যাবতীয় কার্যকলাপ।
রিপোর্ট বলছে, এরাজ্যে ম্যালওয়্যার অ্যাটাকের হার ৮.৩৫ শতাংশ। শহরের নিরিখে ‘ক্ষতিকর’ সফ্টওয়্যার অ্যাটাকের শীর্ষে রয়েছে সুরাত, বেঙ্গালুরু ও হায়দরাবাদ। এই তিন শহরে প্রতিটি মোবাইল ফোনে অন্তত ৫৫টিরও বেশি ম্যালওয়্যার পাওয়া গিয়েছে। সেই তুলনায় কলকাতা কিছুটা হলেও ‘সেফ’।
এই ধরনের ম্যালওয়্যার কীভাবে মোকাবিলা করা যাবে, তা নিয়ে ইতিমধ্যে একদফা বৈঠক সেরেছেন কেন্দ্রীয় বিশেষজ্ঞরা। কলকাতা পুলিসের সাইবার বিভাগের এক কর্তা জানিয়েছে, ‘ল্যাপটপ কিংবা কম্পিউটারে অ্যান্টি-ভাইরাস রাখেন বেশিরভাগ মানুষ। অনেক অ্যাপ কিংবা সফ্টওয়্যার ডাউনলোড করতে গেলে বাধা দেয় সেই সুরক্ষা কবচ। কিন্তু, মোবাইল ফোনের ক্ষেত্রে তা সম্ভব নয়।’ আর এর জেরেই থার্ড পার্টির হাতে চলে যাচ্ছে গ্রাহকের ফোনে থাকা মোবাইল নম্বর, জি-মেল, লোকেশন, সার্চ-ইঞ্জিন অপারেশনের যাবতীয় কার্যকলাপ।
রিপোর্ট বলছে, এরাজ্যে ম্যালওয়্যার অ্যাটাকের হার ৮.৩৫ শতাংশ। শহরের নিরিখে ‘ক্ষতিকর’ সফ্টওয়্যার অ্যাটাকের শীর্ষে রয়েছে সুরাত, বেঙ্গালুরু ও হায়দরাবাদ। এই তিন শহরে প্রতিটি মোবাইল ফোনে অন্তত ৫৫টিরও বেশি ম্যালওয়্যার পাওয়া গিয়েছে। সেই তুলনায় কলকাতা কিছুটা হলেও ‘সেফ’।



