নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: কেউ আসতেন সকাল সাড়ে ১১টার পর। আবার কেউ কেউ টিফিনের পর প্রধান শিক্ষককে বলে স্কুল ছেড়ে যেতেন। অনেকে আবার ছুটি নিতেন প্রধান শিক্ষককে না-বলে, নিজেদেরই মর্জিমতো এবং পরদিন এসে হাজিরা খাতায় সই করে নিজেদের আগের দিন ‘উপস্থিত’ দেখিয়ে দিতেন! এ নিয়ে অভিভাবক থেকে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়। উত্তর ২৪ পরগনা জেলা শিক্ষাদপ্তরেও গুচ্ছগুচ্ছ অভিযোগ জমা পড়ে। তাই এর বিহিত-সহ শিক্ষার মানোন্নয়নে এগিয়ে এল দপ্তর। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের হাজিরায় কড়াকড়ি করতে উদ্যোগী হল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ। শিক্ষক-শিক্ষিকারা যথাসময়ে স্কুলে আসছেন কি না তার উপর নজরে রাখতে ‘টিচার্স অ্যাটেন্ডেন্স মনিটরিং সেল’ গঠন করেছে দপ্তর। গুগল শিট তৈরি করে প্রধান শিক্ষকরা রোজকার রিপোর্ট পাঠাবেন এসআই দপ্তরে। আর সেখান থেকে রিপোর্ট চলে যাবে প্রাথমিক শিক্ষা সংসদে। কারও ক্ষেত্রে কাজে গাফিলতি নজরে পড়লে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন ডিপিএসসির চেয়ারম্যান দেবব্রত সরকার।
Advertisement
উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় প্রাথমিক স্কুল ৩,৬৬৫টি। সেগুলির মধ্যে ১৯৮টিকে পঞ্চম শ্রেণিতে উন্নীত করা হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর নির্দেশমতোই দেবব্রতবাবু আগেই একটি উদ্যোগ নেন। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বিরুদ্ধে অভিভাবদের অভিযোগ গ্রহণের জন্য ‘ডেস্কে সমাধান’ চালু হয়েছে। তাতে জেলার কিছু প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকার নামে অভিযোগ জমা পড়ে।
দপ্তর সূত্রের খবর, পাঠদানের ক্ষেত্রে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে বহু অভিভাবকের তরফে। সরকারি নিয়ম হল—সকাল পৌনে ১১টা মধ্যে শিক্ষকদের স্কুলে ঢুকতে হবে। তাঁরা স্কুল ছাড়তে পারবেন বিকাল সাড়ে ৩টের পর। কিন্তু শিক্ষক-শিক্ষিকাদের একটি অংশ এই নিয়ম মানছেন না। ফলে পড়ুয়াদের পঠনপাঠনের ক্ষতি হচ্ছে।
তাই চালু করা হয়েছে ‘টিচার্স অ্যাটেন্ডেন্স মনিটরিং সেল’। প্রতিদিন সকাল ও বিকালে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা উপস্থিতির বিষয়ে এসআইকে রিপোর্ট পাঠাচ্ছেন। পরে সেটাই যাচ্ছে জেলা দপ্তরে। সেই রিপোর্ট বলছে, শিক্ষকদের অনেকেই বেনিয়ম করছেন।
এই বিষয়ে দেবব্রতবাবুর বক্তব্য, সরকারের লক্ষ্য উন্নত মানের শিক্ষার ব্যবস্থা করা। অথচ সেখানেই অভিযোগ বহু শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়ম মেনে স্কুলে আসেন না। তাই নয়া সেল চালু করা হয়েছে। এতে শিক্ষকদের হাজিরার ক্ষেত্রে কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে এরপরও যাঁরা নিয়ম ভাঙছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থাই নেওয়া হবে।
এই বিষয়ে অভিভাবকদের বক্তব্য, উচ্চতর কর্তৃপক্ষকে রিপোর্ট দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রধান শিক্ষকরাও যেন নিয়ম মানেন, নজরদারি দরকার তার উপরেও।
দপ্তর সূত্রের খবর, পাঠদানের ক্ষেত্রে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে বহু অভিভাবকের তরফে। সরকারি নিয়ম হল—সকাল পৌনে ১১টা মধ্যে শিক্ষকদের স্কুলে ঢুকতে হবে। তাঁরা স্কুল ছাড়তে পারবেন বিকাল সাড়ে ৩টের পর। কিন্তু শিক্ষক-শিক্ষিকাদের একটি অংশ এই নিয়ম মানছেন না। ফলে পড়ুয়াদের পঠনপাঠনের ক্ষতি হচ্ছে।
তাই চালু করা হয়েছে ‘টিচার্স অ্যাটেন্ডেন্স মনিটরিং সেল’। প্রতিদিন সকাল ও বিকালে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা উপস্থিতির বিষয়ে এসআইকে রিপোর্ট পাঠাচ্ছেন। পরে সেটাই যাচ্ছে জেলা দপ্তরে। সেই রিপোর্ট বলছে, শিক্ষকদের অনেকেই বেনিয়ম করছেন।
এই বিষয়ে দেবব্রতবাবুর বক্তব্য, সরকারের লক্ষ্য উন্নত মানের শিক্ষার ব্যবস্থা করা। অথচ সেখানেই অভিযোগ বহু শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়ম মেনে স্কুলে আসেন না। তাই নয়া সেল চালু করা হয়েছে। এতে শিক্ষকদের হাজিরার ক্ষেত্রে কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে এরপরও যাঁরা নিয়ম ভাঙছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থাই নেওয়া হবে।
এই বিষয়ে অভিভাবকদের বক্তব্য, উচ্চতর কর্তৃপক্ষকে রিপোর্ট দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রধান শিক্ষকরাও যেন নিয়ম মানেন, নজরদারি দরকার তার উপরেও।



