নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিভিন্ন দুর্ঘটনায় মৃত ৩২। গুরুতর জখম ৩৫২। অল্পবিস্তর আহত হয়েছেন ১৮৬ জন। এই পরিসংখ্যান গত এক বছরে শহরে দ্বিচক্র যান দুর্ঘটনায় হতাহতের, যা ২০২২ সালের তুলনায় বেড়েছে বলেই লালবাজার সূত্রে খবর। কিন্তু, বাইক বা স্কুটার দুর্ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা বৃদ্ধির কারণ কী? দুর্ঘটনাগুলির ধরন বা প্রকৃতি বিশ্লেষণ করতে গিয়ে চোখ কপালে উঠেছে লালবাজারের আধিকারিকদের। পরিসংখ্যানের ‘ময়নাতদন্ত’ বলছে, খাস কলকাতায় প্রতি ১০০ জন দ্বিচক্র যান চালকের মধ্যে ৩৮ জনই হেলমেটবিহীন। মাথা ফাঁকা রেখেই শহরে বাইক কিংবা স্কুটার ছোটান তাঁরা। একের পর এক বিনা হেলমেটের বাইকচালক দুর্ঘটনার শিকার হলেও হুঁশ ফেরেনি বেপরোয়া একাংশের। লালবাজারের লাগাতার সচেতনতা প্রচারের পরেও তাঁরা বিষয়টি নিয়ে উদাসীন।
Advertisement
সম্প্রতি কলকাতা পুলিসের তরফে একটি সমীক্ষা চালানো হয়। সেখানে দেখা গিয়েছে, শহরে প্রায় সাড়ে ১২ লক্ষ মানুষ মোটরচালিত দ্বিচক্র যান ব্যবহার করেন। তার মধ্যে বিনা হেলমেটের সওয়ারি হিসেবে ট্রাফিক পুলিসের খাতায় নাম উঠেছে ৪ লক্ষ ৭৬ হাজার ৫১২ জন চালকের। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, বর্তমানে হেলমেট না পরে বাইক বা স্কুটার চালালে পুলিসি জরিমানার পরিমাণ ১০০০ টাকা। তাই গ্যাঁটের কড়ি খরচের ভয়ে কোনও বাইকচালক গত এক বছরে এই ভুল দু’বার করেননি। এই তথ্য অত্যন্ত ইতিবাচক বলেই দাবি লালবাজারের। তবে একই ভুলের পুনরাবৃত্তি না হলেও বেপরোয়া মনোভাব দেখাচ্ছেন তরুণ ও তরুণীরাই। বিনা হেলমেটে সকাল ও রাতের শহরে দাপট দেখাচ্ছে ১৮ থেকে ৩৫ বছরের প্রজন্ম। এই তথ্য যথেষ্ট উদ্বেগের বলেই দাবি লালবাজারের ট্রাফিক বিভাগের।
এই তথ্য সামনে আসার পর তৎপরতা বেড়েছে লালবাজারের অন্দরমহলে। সম্প্রতি ট্রাফিক রিভিউ বৈঠকে কলকাতার পুলিস কমিশনার মনোজ কুমার ভার্মা হেলমেটের বিষয়টি তুলে ধরেন। সূত্রের খবর, তাঁর সাফ নির্দেশ, পথ নিরাপত্তা বিধি কোনওভাবেই ভঙ্গ করা যাবে না। হেলমেট ছাড়া কোনও দু’চাকার গাড়ির চালককে দেখা গেলেই দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। সেই মোতাবেক সবক’টি ট্রাফিক গার্ডকে বিশেষ নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। জেমস লং ট্রাফিক গার্ডের তরফে কেপার মাঠ সংলগ্ন ক্রসিংয়ে বিশেষ অভিযানে একদল বিনা হেলমেটের চালককে পাকড়াও করেন ট্রাফিক বিভাগের সার্জেন্টরা। ‘কেন হেলমেট ছাড়া রাতের শহরে বাইক চালাচ্ছেন?’— পুলিস অফিসারের এই প্রশ্নের জবাবে বাইকচালকরা জানান, ‘তাঁরা পাড়ায় চা খেতে বেরিয়েছিলেন তাই হেলমেট পরতে ভুলে গিয়েছেন।’ ড্রাইভিং লাইসেন্স থেকে পুলিস জানতে পারে। কেউই সেই এলাকার বাসিন্দা নন। প্রায় ৩-৪ কিমি দূরে তাঁদের বাড়ি। প্রত্যেককে ট্রাফিক আইনভঙ্গে জরিমানা করা হয়। অফিসাররা পরিসংখ্যান দিয়ে জানান, শহরে গত এক বছরে মোট ১ হাজার ৯১৩টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। তার মধ্যে দ্বিচক্র যানের সঙ্গে দুর্ঘটনার হার সবচেয়ে বেশি। ২৩ শতাংশ ক্ষেত্রেই বাইকচালকদের হেলমেট না থাকাই হতাহতের মূল কারণ।
এই তথ্য সামনে আসার পর তৎপরতা বেড়েছে লালবাজারের অন্দরমহলে। সম্প্রতি ট্রাফিক রিভিউ বৈঠকে কলকাতার পুলিস কমিশনার মনোজ কুমার ভার্মা হেলমেটের বিষয়টি তুলে ধরেন। সূত্রের খবর, তাঁর সাফ নির্দেশ, পথ নিরাপত্তা বিধি কোনওভাবেই ভঙ্গ করা যাবে না। হেলমেট ছাড়া কোনও দু’চাকার গাড়ির চালককে দেখা গেলেই দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। সেই মোতাবেক সবক’টি ট্রাফিক গার্ডকে বিশেষ নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। জেমস লং ট্রাফিক গার্ডের তরফে কেপার মাঠ সংলগ্ন ক্রসিংয়ে বিশেষ অভিযানে একদল বিনা হেলমেটের চালককে পাকড়াও করেন ট্রাফিক বিভাগের সার্জেন্টরা। ‘কেন হেলমেট ছাড়া রাতের শহরে বাইক চালাচ্ছেন?’— পুলিস অফিসারের এই প্রশ্নের জবাবে বাইকচালকরা জানান, ‘তাঁরা পাড়ায় চা খেতে বেরিয়েছিলেন তাই হেলমেট পরতে ভুলে গিয়েছেন।’ ড্রাইভিং লাইসেন্স থেকে পুলিস জানতে পারে। কেউই সেই এলাকার বাসিন্দা নন। প্রায় ৩-৪ কিমি দূরে তাঁদের বাড়ি। প্রত্যেককে ট্রাফিক আইনভঙ্গে জরিমানা করা হয়। অফিসাররা পরিসংখ্যান দিয়ে জানান, শহরে গত এক বছরে মোট ১ হাজার ৯১৩টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। তার মধ্যে দ্বিচক্র যানের সঙ্গে দুর্ঘটনার হার সবচেয়ে বেশি। ২৩ শতাংশ ক্ষেত্রেই বাইকচালকদের হেলমেট না থাকাই হতাহতের মূল কারণ।



