সংবাদদাতা, নকশালবাড়ি: ফাঁসিদেওয়া গ্রামীণ হাসপাতালে প্রসূতির পরিবারের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার ঘটনা প্রমাণ হতেই বুধবার সাসপেন্ড করা হল এক স্থায়ী কর্মবন্ধু ও এক মহিলা কর্মীকে। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার এনিয়ে গ্রামীণ হাসপাতালে লিখিত অভিযোগ জমা করেন মুণি চা বাগানের প্রসূতি অনামিকা কুজুর।
Advertisement
শনিবার প্রসব যন্ত্রণা নিয়ে ভর্তি হওয়ার পর তিনি পুত্রসন্তানের জন্ম দেয়। এরপর হাসপাতালের এক কর্মী তাঁদের পরিবারের কাছ থেকে ২২০০ টাকা নেন। মঙ্গলবার চিকিৎসক ছুটি দিলে সেসময়ও ৩০০ টাকা নেওয়া হয়। গোটা বিষয়টি জানিয়েছে প্রসূতির পরিবার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেয়।
অভিযোগ পেয়ে দার্জিলিংয়ের মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ তুলসী প্রামাণিক পুরো বিষয়টির তদারকি করেন। মঙ্গলবার রাতেই তাঁর নির্দেশে ফাঁসিদেওয়ার বিএমওএইচ ডাঃ সাহিনুল ইসলাম অভিযুক্ত দুই কর্মীর বিরুদ্ধে ফাঁসিদেওয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। একেইসঙ্গে তাঁর নির্দেশে বুধবার শিলিগুড়ি এসিএমওএইচ ডাঃ জয়দেব সরকার ফাঁসিদেওয়া গ্রামীণ হাসপাতালে এসে পুরো বিষয়টি নিয়ে সারেজমিনে তদন্ত করেন। তাতে ওই দুই কর্মীর টাকা নেওয়ার বিষয়টি প্রমাণিত হয়।
জয়দেব সরকার বলেন, ওই দুই কর্মী দু’দফায় প্রসূতির পরিবারের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে। তা প্রমাণিত হয়েছে। রাজ্য সরকার গর্ভবতীদের সব পরিষেবা বিনামূল্যে করার চেষ্টা করছে। এই অবস্থায় এমনটা মেনে নেওয়া যায় না। এদিন বিএমওএইচ, কর্তব্যরত নার্স, অভিযুক্তদের তলব করে বিষয়টি শুনেছি। টাকা নেওয়ার ঘটনা প্রমাণ হয়েছে। রিপোর্ট আকারে তা সিএমওএইচ’কে দেব। তাঁর আদেশ মতো অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আপাতত ওই দু’জনকে সাসপেন্ড করা হল।
অভিযোগ পেয়ে দার্জিলিংয়ের মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ তুলসী প্রামাণিক পুরো বিষয়টির তদারকি করেন। মঙ্গলবার রাতেই তাঁর নির্দেশে ফাঁসিদেওয়ার বিএমওএইচ ডাঃ সাহিনুল ইসলাম অভিযুক্ত দুই কর্মীর বিরুদ্ধে ফাঁসিদেওয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। একেইসঙ্গে তাঁর নির্দেশে বুধবার শিলিগুড়ি এসিএমওএইচ ডাঃ জয়দেব সরকার ফাঁসিদেওয়া গ্রামীণ হাসপাতালে এসে পুরো বিষয়টি নিয়ে সারেজমিনে তদন্ত করেন। তাতে ওই দুই কর্মীর টাকা নেওয়ার বিষয়টি প্রমাণিত হয়।
জয়দেব সরকার বলেন, ওই দুই কর্মী দু’দফায় প্রসূতির পরিবারের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে। তা প্রমাণিত হয়েছে। রাজ্য সরকার গর্ভবতীদের সব পরিষেবা বিনামূল্যে করার চেষ্টা করছে। এই অবস্থায় এমনটা মেনে নেওয়া যায় না। এদিন বিএমওএইচ, কর্তব্যরত নার্স, অভিযুক্তদের তলব করে বিষয়টি শুনেছি। টাকা নেওয়ার ঘটনা প্রমাণ হয়েছে। রিপোর্ট আকারে তা সিএমওএইচ’কে দেব। তাঁর আদেশ মতো অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আপাতত ওই দু’জনকে সাসপেন্ড করা হল।



