পুরী, ২৪ নভেম্বর: ভারতীয় পুরাতত্ত্ব বিভাগের কাছে পুরীর রত্ন ভাণ্ডার সংস্কারের কাজ দ্রুত শুরু করার আর্জি জানাল মন্দির কর্তৃপক্ষ। হায়দরাবাদের ন্যাশনাল জিওফিজিকল রিসার্চ ইন্সটিটিউটের সহায়তায় ভারতীয় পুরাতত্ত্ব বিভাগ রত্ন ভাণ্ডারের জিপিআর-জিপিএস সমীক্ষার রিপোর্ট তৈরি করে। ৪৫ পাতার বিস্তারিত সেই রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই মন্দির কর্তৃপক্ষ ভারতীয় পুরাতত্ত্ব বিভাগকে দ্রুত রত্ন ভাণ্ডার সংস্কারের লিখিত আবেদন জানিয়েছে।
গতকাল, শনিবার মন্দিরের মুখ্য প্রশাসক অরবিন্দ পাধি বলেন, “রত্ন ভাণ্ডার মেরামতি এবং সংস্কারের কাজে ভারতীয় পুরাতত্ত্ব বিভাগকে সব ধরনের সাহায্য করা হবে। আমরা জিপিআর-জিপিএস সমীক্ষার রিপোর্ট হাতে পেয়েছি।” তিনি আরও বলেন, “মন্দিরের কাঠামোগত স্থিতিশীলতা এবং নিরাপত্তার দিকে সর্বদাই মন্দির কর্তৃপক্ষের সজাগ দৃষ্টি রয়েছে। জিপিআর-জিপিএস সমীক্ষার রিপোর্টটি আমাদের আরও খতিয়ে দেখতে হবে। তবে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, রত্নভাণ্ডারে দেওয়াল এবং মেঝ কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।”
৪৬ বছর আগে, ১৯৭৮ সালে প্রথমবার খোলা হয়েছিল পুরীর রত্ন ভাণ্ডার। তদারকির পর ফের বন্ধ হয়ে গিয়েছিল দরজা। মাঝে ১৯৮৫ সালে সামান্য কিছু সময়ের জন্য খোলা হয় দরজা। তারপর বহু ঝড় বয়ে গিয়েছে পুরীর সমুদ্রতটের উপর দিয়ে। তাই বলা যায়, ৪৬ বছর পর, গত জুলাই মাসে ফের খোলা হয় রত্ন ভাণ্ডার। এরপরই রত্ন ভাণ্ডারের ভিতরে বেশ কিছু দিন সমীক্ষা চালায় ভারতীয় পুরাতত্ত্ব বিভাগ।