নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: নদীয়া জেলার সাড়ে চার লক্ষের বেশি প্রাপ্তবয়স্ককে অ্যাডাল্ট বিসিজি টিকা দেওয়া হচ্ছে। মূলত যাঁদের পরিবারের কোনও সদস্য অতীতে যক্ষ্মায় আক্রান্ত হয়েছেন, তাঁদের এই টিকা দেওয়া হবে। এছাড়া, টিকা দেওয়ায় ষাটোর্ধ্ব মানুষকে প্রাধান্য দেওয়া হবে। যক্ষ্মার ঝুঁকি থাকা মানুষকেই এই টিকা দেওয়া হচ্ছে।
Advertisement
হাসপাতালে গিয়ে টিকা নেওয়ার জন্য আশাকর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষকে সচেতন করছেন। টিকাপ্রাপকদের উপর আগামী তিনবছর স্বাস্থ্যদপ্তরের আধিকারিকরা নজরদারি চালাবেন। তারপর নতুন করে কতজন যক্ষ্মায় আক্রান্ত হয়েছেন, তার ভিত্তিতে নির্ণয় করা হবে-যক্ষ্মার প্রকোপ কতটা কমেছে।
রাজ্যের সাতটি স্বাস্থ্য জেলায় প্রাপ্তবয়স্কদের বিসিজি টিকা দেওয়া হবে। প্রায় ৩০লক্ষ মানুষ এই টিকা পাবেন। ফেব্রুয়ারিতেই এই কর্মসূচি শুরু হয়েছে। নদীয়ার পাশাপাশি আলিপুরদুয়ার, হাওড়া, মুর্শিদাবাদ, রামপুরহাট, বাঁকুড়া ও বিষ্ণুপুরে এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। মুর্শিদাবাদে ৭ লক্ষ, বাঁকুড়ায় ৬ লক্ষ ৮০ হাজার সহ মোট ২৮ লক্ষ ৬৬ হাজার মানুষকে এই টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সাতটি স্বাস্থ্য জেলায় যক্ষ্মা নির্মূলে সচেষ্ট রাজ্য সরকার। সেইসঙ্গে রাজ্যের আরও সাতটি জেলাকে চিহ্নিত করা হয়েছে, যেখানে যক্ষ্মার প্রকোপ কম। স্বাস্থ্যদপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, টিকাপ্রাপকদের স্বাস্থ্যের দেখভাল করা হবে। তারপর দেখা হবে, জেলায় কতজন যক্ষ্মায় আক্রান্ত হয়েছেন। যে সাত জেলায় যক্ষ্মার প্রকোপ কম, সেখানকার পরিসংখ্যানের সঙ্গে তুলনা করে দেখা হবে, যক্ষ্মার প্রকোপ কতটা কমল। তিনবছর ধরে সমীক্ষার কাজ চলবে।
নদীয়া জেলায় ২০২৪ সালে ৩৫৬০জন যক্ষ্মায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে প্রায় ৮৬শতাংশ রোগী সুস্থ হয়েছেন। জেলায় যক্ষ্মা নির্মূলে দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক(ডিটিও) পার্থপ্রতিম পাত্র বলেন, আমাদের জেলায় অ্যাডাল্ট বিসিজি টিকাকরণ শুরু হয়েছে। জেলার ৪লক্ষ ৬০হাজার প্রাপ্তবয়স্ককে এই টিকা দেওয়া হচ্ছে। বিসিজি টিকা মূলত বাচ্চাদের জন্মের পর দেওয়া হয়। তবে এই বিশেষ ক্ষেত্রে প্রাপ্তবয়স্কদেরও টিকা দেওয়া হচ্ছে। চাপড়া, কালীগঞ্জ, হাঁসখালি, নবদ্বীপ, কৃষ্ণনগর-১, নাকাশিপাড়া, রানাঘাট ১ ও ২ এবং তেহট্ট-১ ব্লকে এই টিকাকরণ হয়েছে।
রাজ্যের সাতটি স্বাস্থ্য জেলায় প্রাপ্তবয়স্কদের বিসিজি টিকা দেওয়া হবে। প্রায় ৩০লক্ষ মানুষ এই টিকা পাবেন। ফেব্রুয়ারিতেই এই কর্মসূচি শুরু হয়েছে। নদীয়ার পাশাপাশি আলিপুরদুয়ার, হাওড়া, মুর্শিদাবাদ, রামপুরহাট, বাঁকুড়া ও বিষ্ণুপুরে এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। মুর্শিদাবাদে ৭ লক্ষ, বাঁকুড়ায় ৬ লক্ষ ৮০ হাজার সহ মোট ২৮ লক্ষ ৬৬ হাজার মানুষকে এই টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সাতটি স্বাস্থ্য জেলায় যক্ষ্মা নির্মূলে সচেষ্ট রাজ্য সরকার। সেইসঙ্গে রাজ্যের আরও সাতটি জেলাকে চিহ্নিত করা হয়েছে, যেখানে যক্ষ্মার প্রকোপ কম। স্বাস্থ্যদপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, টিকাপ্রাপকদের স্বাস্থ্যের দেখভাল করা হবে। তারপর দেখা হবে, জেলায় কতজন যক্ষ্মায় আক্রান্ত হয়েছেন। যে সাত জেলায় যক্ষ্মার প্রকোপ কম, সেখানকার পরিসংখ্যানের সঙ্গে তুলনা করে দেখা হবে, যক্ষ্মার প্রকোপ কতটা কমল। তিনবছর ধরে সমীক্ষার কাজ চলবে।
নদীয়া জেলায় ২০২৪ সালে ৩৫৬০জন যক্ষ্মায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে প্রায় ৮৬শতাংশ রোগী সুস্থ হয়েছেন। জেলায় যক্ষ্মা নির্মূলে দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক(ডিটিও) পার্থপ্রতিম পাত্র বলেন, আমাদের জেলায় অ্যাডাল্ট বিসিজি টিকাকরণ শুরু হয়েছে। জেলার ৪লক্ষ ৬০হাজার প্রাপ্তবয়স্ককে এই টিকা দেওয়া হচ্ছে। বিসিজি টিকা মূলত বাচ্চাদের জন্মের পর দেওয়া হয়। তবে এই বিশেষ ক্ষেত্রে প্রাপ্তবয়স্কদেরও টিকা দেওয়া হচ্ছে। চাপড়া, কালীগঞ্জ, হাঁসখালি, নবদ্বীপ, কৃষ্ণনগর-১, নাকাশিপাড়া, রানাঘাট ১ ও ২ এবং তেহট্ট-১ ব্লকে এই টিকাকরণ হয়েছে।



