Bartaman Logo
১৩ জুলাই, ২০২৬

কোর্টে সিয়া-চেতনকে অপরাধী প্রমাণ করাই চ্যালেঞ্জ পুলিশের

পুনেতে কেতন আগরওয়ালের মৃত্যুর তদন্তে সিয়া ও চেতনের অপরাধী প্রমাণ করা পুলিশের জন্য চ্যালেঞ্জ। কী বলছেন আইনজীবীরা? বিস্তারিত পড়ুন।

কোর্টে সিয়া-চেতনকে অপরাধী প্রমাণ করাই চ্যালেঞ্জ পুলিশের
  • ১৩ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

পুনে: লোহাগড় দুর্গে ট্রেকিংয়ের সময় রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয় পুনের কেতন আগরওয়ালের। প্রাথমিকভাবে দুর্ঘটনা বলে মনে হলেও পুলিশি তদন্তে উঠে এসেছে কেতনকে ধাক্কা দিয়েছিল তাঁর বাগদত্তা সিয়া ও তাঁর প্রেমিক চেতন চৌধুরী। তবে আইনের চোখে এখনও কেতন ও সিয়া শুধুই অভিযুক্ত। আদালতে তাঁদের দোষী প্রমাণ করাই পুলিশের কাছে সবচেয়ে বড়ো চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। 

Advertisement

আদালতে অভিযুক্ত সিয়া ও চেতনের কাফেতে বৈঠক, খুনের মহড়া, মোবাইল ফোনের তথ্য, লোকেশন, সিসিটিভি ফুটেজ, পোশাককে প্রমাণ হিসাবে পেশ করছে পুলিশ। তবে কেতনকে যে সিয়া ধাক্কা দিয়েছেন, তেমন যুতসই প্রমাণ বা প্রত্যক্ষদর্শী তাঁদের কাছে নেই। তাঁদের হাতে রয়েছে শুধুই চেতন ও সিয়ার স্বীকারোক্তি। এই প্রসঙ্গে প্রখ্যাত আইনজীবী তানভীর আহমেদ মীর জানিয়েছেন, পুলিশি হেপাজতে স্বীকারোক্তির মূল্য সীমিত। মীর বলেন, ‘আদালত জনমত নয় গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতেই রায় দেবে।’ মীর আরও জানিয়েছেন, ভারতীয় আইনে ভিডিয়োগ্রাফি, প্রত্যক্ষদর্শীর মতো প্রমাণের পাশাপাশি পারিপার্শ্বিক প্রমাণ দিয়েও অপরাধ প্রমাণ করা যায়। তবে সেক্ষেত্রে প্রতিটি প্রমাণকেই একই উপসংহারে আসতে হবে। কোনো ব্যতিক্রম হলে তার সুবিধা পাবে অভিযুক্ত। অর্থাৎ সিয়া ও কেতনকে দোষী প্রমাণ করতে হলে নিখুঁতভাবে প্রমাণ সাজাতে হবে পুনে পুলিশকে। কেতন দুর্ঘটনাবশত পড়ে গিয়েছে নাকি তাঁকে ধাক্কা দেওয়া হয়েছে? ধাক্কা দেওয়া হয়ে থাকলে, তা কী ইচ্ছেকৃত নাকি ভুল করে? উত্তর খুঁজতে হবে তদন্তকারীদের।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ