শ্রীদেবী যখন প্রথমবার ক্যামেরার সামনে দাঁড়ান, তখন তাঁর বয়স ৪ বছর। প্রথম ছবিতেই চমক দিয়েছিলেন। তারপর একের পর এক ছবিতে শিশুশিল্পী হিসেবে কাজ করেন। ‘মুন্দ্রু মুদিচু’ ছবিতে কাজ করলেন মুখ্য চরিত্রে। সেই সিনেমায় রজনীকান্তের মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন ১৩ বছরের শ্রীদেবী। তখন থেকেই অভিনেত্রীকে স্নেহ করতেন দক্ষিণী সুপারস্টার। তাঁদের মধ্যে গড়ে ওঠে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। রজনীকান্ত ও শ্রীদেবীর মধ্যে বয়সের ব্যবধান প্রায় ১৩ বছর। দু’জনে একসঙ্গে প্রায় ১৯টি ছবিতে কাজ করেছিলেন। শোনা যায়, একসময় শ্রীদেবীকে ভালোবেসে ফেলেছিলেন রজনীকান্ত। চেয়েছিলেন বিয়ে করতে। সেই প্রস্তাব নিয়ে শ্রীদেবীর বাড়িতেও পৌঁছে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বলে প্রস্তাব আর দিয়ে ওঠা হয়নি। কেন? তার নেপথ্যে রয়েছে এক মজার কাহিনি। তখন শ্রীদেবীর বয়স মাত্র ১৬ বছর। সেই সময় নতুন বাড়ি কিনেছিলেন তাঁর মা-বাবা। গৃহপ্রবেশের অনুষ্ঠানে নিমন্ত্রিত ছিলেন ‘থালাইভা’ও। রজনীকান্ত ঠিক করেছিলেন, সেদিনই বিয়ের প্রস্তাব দেবেন। শ্রীদেবীর মাকে রাজি করানোর কথাও ভেবেছিলেন অভিনেতা। যেমন ভাবা তেমন কাজ। সেজেগুজে গৃহপ্রবেশের অনুষ্ঠানে পৌঁছেছিলেন রজনীকান্ত। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বন্ধু তথা পরিচালক কে বালাচন্দর। শ্রীদেবীদের নতুন বাড়িতে পৌঁছে উদ্বেগে ছিলেন রজনীকান্ত। সঠিক সময়ের অপেক্ষা করছেন, এমন সময় কারেন্ট চলে যায়। রজনীকান্ত উপলব্ধি করেন, এই লোডশেডিং নিশ্চয়ই কোনও খারাপ সংকেত। মনে মনে আরও ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন রজনীকান্ত। ফলে আর বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়ে ওঠেনি তাঁর। বন্ধু কে বালাচন্দরই পরবর্তীতে এক সাক্ষাৎকারে এই মজার ঘটনা বলেছিলেন।



