নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সোনার দাম আকাশ-ছোঁয়া। সাম্প্রতিককালে সোনার উপর আমদানি শুল্ক কমিয়েছে কেন্দ্র। তারপরও মোটের উপর সোনার দাম এখনও সাধারণ মানুষের ধরাছোঁয়ার বাইরে। তবুও এবার ধনতেরাস ও দেওয়ালি উপলক্ষ্যে সোনার বিক্রি বেড়েছে, বলছেন স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা। পাশাপাশি হাতে থাকা বা জমানো সোনা ভেঙে নতুন করে গয়না বা অন্যকিছু তৈরির প্রবণতাও বাড়ল কিছুটা। সম্প্রতি ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিল যে রিপোর্ট পেশ করেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, পুরনো সোনাকে নতুন কাজে ব্যবহারের চল বেড়েছে প্রায় ২২ শতাংশ।
Advertisement
কাউন্সিলের রিপোর্টে বলা হয়েছে, চলতি বছরের তৃতীয় ত্রৈমাসিক, অর্থাৎ জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত দেশে ২৩.৪ টন সোনা গলানো হয়েছে। তার বেশিরভাগটাই যে গয়না, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। গতবছর ওই একই সময়ে দেশে পুরনো সোনা গলানো হয়েছিল ১৯.২ টন। অর্থাৎ এবার সেই হার ২২ শতাংশ বেশি।
সোনার দাম চড়া থাকার পরও ওই তিনমাসে ভালো ব্যবসা করেছে গয়না শিল্প, বলছে ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের তথ্য। ২০২৩ সালের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত দেশে সোনার গয়নার চাহিদা ছিল ১৫৫.৭ টন। এবছর ওই একই সময়ে তা বেড়ে দাঁড়ায় ১৭১.৬ টনে। অর্থাৎ চাহিদা বেড়েছে প্রায় ১০ শতাংশ। এই হিসেবের পুরোটাই নতুন সোনায় তৈরি গয়নার, বলছে ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিল।
স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা বলছেন, পুরনো সোনা গলিয়ে নতুন গয়না তৈরির প্রবণতা সার্বিকভাবে বেড়েছে ছোট-বড় সব দোকানেই। তবে ছোট দোকানগুলিতে এই হার তুলনামূলক বেশি। তাতে কিছুটা লাভবানও হয়েছেন ছোট ও মাঝারি মাপের স্বর্ণকাররা। কারণ, যাঁরা নতুন গয়নার বরাত দিতে আসেন, তাঁরা অর্ডারের পুরো টাকা কখনই অগ্রিম দেন না। তাই বহু ক্ষেত্রেই স্বর্ণকারকে সোনা কিনতে হয় ঋণ নিয়ে। তার সুদ মেটাতে হয় তাঁকে। কখনও মূলধনেও টান পড়ে। কিন্তু পুরনো সোনার ক্ষেত্রে স্বর্ণশিল্পীকে সোনা কিনতে হয় না। তিনি শুধু গয়না তৈরির মজুরি নেন। প্রয়োজনে অল্প সোনা সেই গয়নায় ব্যবহার করলে, তা সমস্যা করে না পুঁজিতে। ছোট শিল্পীদের এতে আর্থিক সুরাহাই হয়। পাশাপাশি যাঁদের হাতে টাকা না-থাকলেও সোনা কিনতে হয়, তাঁদের পক্ষে পুরনো সোনা ভাঙানো সুবিধাজনক। অনেক ক্রেতা তাই এই পথে এগোন।
সোনার দাম চড়া থাকার পরও ওই তিনমাসে ভালো ব্যবসা করেছে গয়না শিল্প, বলছে ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের তথ্য। ২০২৩ সালের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত দেশে সোনার গয়নার চাহিদা ছিল ১৫৫.৭ টন। এবছর ওই একই সময়ে তা বেড়ে দাঁড়ায় ১৭১.৬ টনে। অর্থাৎ চাহিদা বেড়েছে প্রায় ১০ শতাংশ। এই হিসেবের পুরোটাই নতুন সোনায় তৈরি গয়নার, বলছে ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিল।
স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা বলছেন, পুরনো সোনা গলিয়ে নতুন গয়না তৈরির প্রবণতা সার্বিকভাবে বেড়েছে ছোট-বড় সব দোকানেই। তবে ছোট দোকানগুলিতে এই হার তুলনামূলক বেশি। তাতে কিছুটা লাভবানও হয়েছেন ছোট ও মাঝারি মাপের স্বর্ণকাররা। কারণ, যাঁরা নতুন গয়নার বরাত দিতে আসেন, তাঁরা অর্ডারের পুরো টাকা কখনই অগ্রিম দেন না। তাই বহু ক্ষেত্রেই স্বর্ণকারকে সোনা কিনতে হয় ঋণ নিয়ে। তার সুদ মেটাতে হয় তাঁকে। কখনও মূলধনেও টান পড়ে। কিন্তু পুরনো সোনার ক্ষেত্রে স্বর্ণশিল্পীকে সোনা কিনতে হয় না। তিনি শুধু গয়না তৈরির মজুরি নেন। প্রয়োজনে অল্প সোনা সেই গয়নায় ব্যবহার করলে, তা সমস্যা করে না পুঁজিতে। ছোট শিল্পীদের এতে আর্থিক সুরাহাই হয়। পাশাপাশি যাঁদের হাতে টাকা না-থাকলেও সোনা কিনতে হয়, তাঁদের পক্ষে পুরনো সোনা ভাঙানো সুবিধাজনক। অনেক ক্রেতা তাই এই পথে এগোন।



