নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: ভ্যালেন্টাইস ডে-তে প্রেমিকের সঙ্গে ঘরবাঁধার স্বপ্ন নিয়ে দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়দিঘি থেকে ফেরিঘাট পেরিয়ে ভূপতিনগরে চলে এসেছিল ১৬ বছরের নাবালিকা। ১৩ ফেব্রুয়ারি ঘটা করে বিয়ের আসর বসেছিল। আবাস যোজনা প্রকল্পে প্রথম কিস্তিতে পাওয়া ৬০ হাজার টাকা খরচ করে অতিথি আপ্যায়নে ত্রুটি রাখেনি যুবকের পরিবার। কিন্তু ছন্দপতন ঘটে ভোররাতে। নাবালিকার খোঁজে তাঁর প্রেমিকের বাড়িতে পৌঁছে যায় রায়দিঘি ও ভূপতিনগর থানার পুলিস। উদ্ধার করা হয় নাবালিকাকে। গ্রেপ্তার হয় যুবক। এদিকে যুবক ও নাবালিকাকে থানায় আনার পর স্থানীয় তৃণমূল নেতা তাদের ফিরিয়ে নিয়ে যেতে থানায় হাজির হন। ভালোবাসার দিনে পুলিসের এহেন কাজ নির্মম বলে দু’-চার কথাও শোনান ওই তৃণমূল নেতা।
Advertisement
জানা গিয়েছে, ভূপতিনগর থানার রাধাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উড়উড়ি গ্রামের প্রান্তিক ওঝা ফেসবুকে তন্ময় করণ পরিচয় দিয়ে রায়দিঘি থানার মধুসূদনচক গ্রামের এক নাবালিকা সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। ওই নাবালিকার বয়স ১৬ বছর। এবার মাধ্যমিক পরীক্ষা দিচ্ছে। প্রায় দেড় বছর ধরে তাদের ফেসবুকে পরিচয়। যুবকের টালির চালা ও ছিটেবেড়ার বাড়ি। এবার আবাস যোজনায় পাকাবাড়ি তৈরির জন্য টাকা ৬০ হাজার টাকা পেয়েছিল। সেই টাকায় বাড়ি করার পরিকল্পনা নিয়েছিল। এদিকে, পাকাবাড়ি তৈরি পর্যন্ত অপেক্ষা করতে নারাজ ওই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। গত ৯ ফেব্রুয়ারি ডায়মন্ডহারবার-কুকড়াহাটি ফেরিঘাট পেরিয়ে ওই নাবালিকা ভূপতিনগরে পৌঁছে যায়। চোখে মুখে ভ্যালেটাইন্স ডে-তে প্রেমিকের সঙ্গে সংসার বাধার স্বপ্ন। ওই ছাত্রী উড়উড়ি গ্রামে পৌঁছনোর পরই গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে স্থানীয় মোড়ল মাতব্বররা বিয়ের আয়োজন করে ফেলে। আবাস যোজনায় পাওয়া টাকায় বিয়ের ভোজ দেওয়া হয়।
এদিকে, নাবালিকার খোঁজে বৃহস্পতিবার রাতে রায়দিঘি থানার পুলিস ভূপতিনগর থানায় হাজির হয়। ভোররাতে দুই থানার পুলিস ওই যুবকের বাড়িতে পৌঁছে যায়। বাড়ির সামনে বিয়ে উপলক্ষ্যে শামিয়ানা টাঙানো। কিন্তু প্রান্তিক নামে ওই যুবক কিছুতেই নাবালিকাকে ছাড়তে চায়নি। পঞ্চায়েত বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করেছে বলে তার দাবি। এলাকার আরও কয়েকজন পুলিসকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু, সব বাধা কাটিয়ে পুলিস রায়দিঘির ওই নাবালিকাকে উদ্ধার করে। নাবালিকার দু’হাতে মেহেন্দি। কপালে সিঁদুর। দু’হাতে শাঁখা, পলা। ওই অবস্থায় তাকে থানায় আনা হয়। সেইসঙ্গে প্রান্তিক ওঝাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারের খবর পেয়ে ওই এলাকা থেকে নির্বাচিত ভগবানপুর-২ পঞ্চায়েত সমিতির জনস্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ শেখ আতিয়ার সহ বেশ কয়েকজন ভূপতিনগর থানায় হাজির হন। তাঁদের দাবি, ওই যুবককে ছেড়ে দিতে হবে। যদিও তাঁদের থানায় যাওয়ার আগেই রায়দিঘি থানার পুলিস ওই যুগলকে নিয়ে ডায়মন্ডহারবার কোর্টের উদ্দেশে রওনা হয়ে গিয়েছিল। আতিয়ার বলেন, আমি থানায় গিয়েছিলাম। কিন্তু, তার আগেই দু’জনকে রায়দিঘি থানার পুলিস নিয়ে ভূপতিনগর ছেড়ে চলে গিয়েছে। মেয়েটির ১৮ বছর হতে তিন মাস বাকি। ওই তিন মাস হোমে রাখার আর্জি নিয়ে থানায় গিয়েছিলাম। রাধাপুর পঞ্চায়েতের প্রধান উৎপলকান্তি ধাড়া বলেন, নাবালিকার বিয়েতে সমর্থন দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। ওই যুবক গ্রেপ্তারের পর শুক্রবার সকালে আমি বিষয়টি জানতে পেরেছি।
এদিকে, নাবালিকার খোঁজে বৃহস্পতিবার রাতে রায়দিঘি থানার পুলিস ভূপতিনগর থানায় হাজির হয়। ভোররাতে দুই থানার পুলিস ওই যুবকের বাড়িতে পৌঁছে যায়। বাড়ির সামনে বিয়ে উপলক্ষ্যে শামিয়ানা টাঙানো। কিন্তু প্রান্তিক নামে ওই যুবক কিছুতেই নাবালিকাকে ছাড়তে চায়নি। পঞ্চায়েত বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করেছে বলে তার দাবি। এলাকার আরও কয়েকজন পুলিসকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু, সব বাধা কাটিয়ে পুলিস রায়দিঘির ওই নাবালিকাকে উদ্ধার করে। নাবালিকার দু’হাতে মেহেন্দি। কপালে সিঁদুর। দু’হাতে শাঁখা, পলা। ওই অবস্থায় তাকে থানায় আনা হয়। সেইসঙ্গে প্রান্তিক ওঝাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারের খবর পেয়ে ওই এলাকা থেকে নির্বাচিত ভগবানপুর-২ পঞ্চায়েত সমিতির জনস্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ শেখ আতিয়ার সহ বেশ কয়েকজন ভূপতিনগর থানায় হাজির হন। তাঁদের দাবি, ওই যুবককে ছেড়ে দিতে হবে। যদিও তাঁদের থানায় যাওয়ার আগেই রায়দিঘি থানার পুলিস ওই যুগলকে নিয়ে ডায়মন্ডহারবার কোর্টের উদ্দেশে রওনা হয়ে গিয়েছিল। আতিয়ার বলেন, আমি থানায় গিয়েছিলাম। কিন্তু, তার আগেই দু’জনকে রায়দিঘি থানার পুলিস নিয়ে ভূপতিনগর ছেড়ে চলে গিয়েছে। মেয়েটির ১৮ বছর হতে তিন মাস বাকি। ওই তিন মাস হোমে রাখার আর্জি নিয়ে থানায় গিয়েছিলাম। রাধাপুর পঞ্চায়েতের প্রধান উৎপলকান্তি ধাড়া বলেন, নাবালিকার বিয়েতে সমর্থন দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। ওই যুবক গ্রেপ্তারের পর শুক্রবার সকালে আমি বিষয়টি জানতে পেরেছি।



