নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: বুধবার সাতসকালে বহরমপুর শহরে রাস্তার ধারে তৃণমূল নেতার নিথর দেহ পড়ে থাকার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। শহরেরর রানিবাগান এলাকা থেকে বহরমপুর পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সভাপতি সুকুমার অধিকারীর নিথর দেহ উদ্ধার হয়। তিনি দক্ষ সংগঠক ছিলেন। মৃত্যুকালে সুকুমারবাবুর বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর। বর্ষীয়ান এই রাজনৈতিক নেতার কীভাবে মৃত্যু হল, তা নিয়ে রহস্য দানা বেঁধেছে। বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে একটি সরু গলির ভিতর থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। দেহের পাশ থেকে উদ্ধার হয় একটি অ্যাসিডের বোতল। পুলিসের প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, অ্যাসিড খেয়েই তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন। ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহটি মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায় পুলিস। সেই রিপোর্ট পাওয়া গেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে পুলিস জানিয়েছে।
Advertisement
এক পুলিস আধিকারিক বলেন, খবর পেয়েই আমরা দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছি। একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।
সুকুমারবাবু বহরমপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ছিলেন। পাশাপশি টানা দু’বার বহরমপুর হোলসেল কনজিউমার কো-অপারেটিভ সোসাইটির চেয়ারম্যান হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব সামলেছিলেন। গত পঞ্চায়েত ভোটের আগে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। তিনি দীর্ঘদিন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। তাঁর অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, তারপর থেকেই তিনি মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। মঙ্গলবার তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। রাতে আর বাড়ি ফেরেননি। বুধবার সকালে রানিবাগান সংলগ্ন রাস্তায় দেহ উদ্ধার হয়।
নিজের এলাকায় ভালো মনের মানুষ ও দক্ষ নেতা বলে পরিচিত ছিলেন সুকুমারবাবু। এহেন নেতার কোনও শত্রু ছিল? নাকি পারিবারিক বিবাদে মানসিক অবসাদ থেকেই আত্মহত্যা? সবটা খতিয়ে দেখছে পুলিস। বহরমপুর-মুর্শিদাবাদ সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল সভাপতি তথা কান্দির বিধায়ক অপূর্ব সরকার বলেন, আমাদের পুরনো সহকর্মী ছিলেন সুকুমারবাবু। হঠাৎ কেন এমন করলেন, বুঝতে পারছি না। আমরা অত্যন্ত শোকাহত। বহরমপুরের বিজেপি সভাপতি শাখারভ সরকার বলেন, উনি ভালো মানুষ ছিলেন। অত্যন্ত ভালো ব্যবহার করতেন। খুব বিনয়ী স্বভাবের ছিলেন। বহরমপুরের বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা মাহফুজ আলম ডালিম বলেন, আমরা খুবই শোকাহত।
সুকুমারবাবু বহরমপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ছিলেন। পাশাপশি টানা দু’বার বহরমপুর হোলসেল কনজিউমার কো-অপারেটিভ সোসাইটির চেয়ারম্যান হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব সামলেছিলেন। গত পঞ্চায়েত ভোটের আগে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। তিনি দীর্ঘদিন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। তাঁর অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, তারপর থেকেই তিনি মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। মঙ্গলবার তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। রাতে আর বাড়ি ফেরেননি। বুধবার সকালে রানিবাগান সংলগ্ন রাস্তায় দেহ উদ্ধার হয়।
নিজের এলাকায় ভালো মনের মানুষ ও দক্ষ নেতা বলে পরিচিত ছিলেন সুকুমারবাবু। এহেন নেতার কোনও শত্রু ছিল? নাকি পারিবারিক বিবাদে মানসিক অবসাদ থেকেই আত্মহত্যা? সবটা খতিয়ে দেখছে পুলিস। বহরমপুর-মুর্শিদাবাদ সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল সভাপতি তথা কান্দির বিধায়ক অপূর্ব সরকার বলেন, আমাদের পুরনো সহকর্মী ছিলেন সুকুমারবাবু। হঠাৎ কেন এমন করলেন, বুঝতে পারছি না। আমরা অত্যন্ত শোকাহত। বহরমপুরের বিজেপি সভাপতি শাখারভ সরকার বলেন, উনি ভালো মানুষ ছিলেন। অত্যন্ত ভালো ব্যবহার করতেন। খুব বিনয়ী স্বভাবের ছিলেন। বহরমপুরের বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা মাহফুজ আলম ডালিম বলেন, আমরা খুবই শোকাহত।



