হায়দরাবাদ, ৯ ডিসেম্বর: তেলঙ্গানার বিধায়ক ছিলেন। তাও আবার একবারের নন, চার চারবারের। কিন্তু আদতে তিনি এদেশের নাগরিকই নন। এমনই তাজ্জব করা দাবি কোনও বিরোধীদের নয়, বরং একথা জানিয়েছে খোদ তেলেঙ্গানা আদালত। তেলেঙ্গানার প্রাক্তন বিধায়ক চেন্নামানেনি রমেশ যে আসলে একজন জার্মান নাগরিক, আজ সোমবার একথা জানিয়ে দিল আদালত। রমেশ চার বারের বিধায়ক। তার মধ্যে বিআরএস-এর টিকিটেই তিনবার বিধায়ক হয়েছেন বেমুলাওয়াড়া বিধানসভা কেন্দ্র থেকে। আজ হাইকোর্ট জানিয়েছে, এই কেন্দ্র থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য তিনি জাল নথি ব্যবহার করে নিজেকে ভারতীয় নাগরিক বলে দাবি করেছেন।
Advertisement
গত ২০২৩ সালের বিধানসভা ভোটেও বেমুলাওয়াড়া থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন রমেশ। যদিও পরাজিত হন। ওই আসনে জয়ী হন কংগ্রেস প্রার্থী আদি শ্রীনিবাস। রমেশের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছিলেন সেই কংগ্রেস প্রার্থী শ্রীনিবাসই। আজ তেলঙ্গানা হাই কোর্ট জানায়, রমেশ যে এখন আর জার্মানির নাগরিক নন, তার গ্রহণযোগ্য কোনও নথি তিনি জার্মান দূতাবাস থেকে দিতে পারেননি। এই অপরাধে প্রাক্তন বিধায়ককে ৩০ লক্ষ টাকা জরিমানার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। তার মধ্যে পাঁচ লাখ টাকা দিতে হবে মামলাকারী শ্রীনিবাসকে।
উল্লেখ্য, রমেশ মোট চার বারের বিধায়ক। প্রথমে ২০০৯ সালে টিডিপির টিকিটে জেতেন বেমুলাওয়াড়া থেকে। এরপর ২০১০ সালের উপনির্বাচন, ২০১৪ সালের বিধানসভা নির্বাচন এবং ২০১৮ সালের বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হন বিআরএসের টিকিটে।
২০২০ সালে কেন্দ্রের তরফে তেলঙ্গানা হাইকোর্টে একটি আবেদন করে জানানো হয়, রমেশের জার্মান পাসপোর্ট রয়েছে। সেটি ২০২৩ সাল পর্যন্ত বৈধ। এছাড়া তথ্য গোপনের অভিযোগে তাঁর ভারতীয় নাগরিকত্ব বাতিলের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক থেকে নির্দেশও দেওয়া হয়েছে বলে জানায় কেন্দ্র। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের ওই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা করেন রমেশ। এই মামলায় রমেশটে জার্মান নাগরিকত্ব ত্যাগ এবং জার্মানির পাসপোর্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে প্রামাণ্য নথি জমা দিতে নির্দেশ দেয় আদালত। কিন্তু এমন কোনও নথি জমা দিতে পারেননি রমেশ। এরপরই আজ আদালতের পক্ষ থেকে এই জরিমানার নির্দেশ।
উল্লেখ্য, রমেশ মোট চার বারের বিধায়ক। প্রথমে ২০০৯ সালে টিডিপির টিকিটে জেতেন বেমুলাওয়াড়া থেকে। এরপর ২০১০ সালের উপনির্বাচন, ২০১৪ সালের বিধানসভা নির্বাচন এবং ২০১৮ সালের বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হন বিআরএসের টিকিটে।
২০২০ সালে কেন্দ্রের তরফে তেলঙ্গানা হাইকোর্টে একটি আবেদন করে জানানো হয়, রমেশের জার্মান পাসপোর্ট রয়েছে। সেটি ২০২৩ সাল পর্যন্ত বৈধ। এছাড়া তথ্য গোপনের অভিযোগে তাঁর ভারতীয় নাগরিকত্ব বাতিলের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক থেকে নির্দেশও দেওয়া হয়েছে বলে জানায় কেন্দ্র। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের ওই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা করেন রমেশ। এই মামলায় রমেশটে জার্মান নাগরিকত্ব ত্যাগ এবং জার্মানির পাসপোর্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে প্রামাণ্য নথি জমা দিতে নির্দেশ দেয় আদালত। কিন্তু এমন কোনও নথি জমা দিতে পারেননি রমেশ। এরপরই আজ আদালতের পক্ষ থেকে এই জরিমানার নির্দেশ।



