সংবাদদাতা, ইসলামপুর: উত্তর দিনাজপুর জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলিতে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে উদ্যোগী হয়েছেন নয়া চেয়ারম্যান। কয়েকবছর থেকেই ডিপিএসসি’র চেয়ারম্যান পদ ফাঁকা পড়ে ছিল। কখনও জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক, কখনও জেলাশাসক অতিরিক্ত দায়িত্ব নিয়ে ওই পদের কাজ সামলেছেন। কয়েক বছর থেকেই প্রাথমিক স্কুলগুলিতে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে সরব হয়েছেন শিক্ষকেরা। কিন্তু সেই দাবি এখনও পূরণ হয়নি। সম্প্রতি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের (ডিপিএসসি) চেয়ারম্যান হয়েছেন নাজিমুদ্দিন আলি। তিনি উদ্যোগী হওয়াতে আশার আলো দেখছেন শিক্ষকরা। তাঁরা বলছেন, ১০ বছরেরও বেশি সময় থেকে জেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলির প্রধান শিক্ষকের প্যানেল তৈরি হয়নি। জেলার আধিকাংশ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই। সহকারি শিক্ষক-শিক্ষিকারাই অতিরিক্ত দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। নাজিমুদ্দিন বলেন, দু’দিন আগেই কাজে যোগ দিয়েছি। এর আগে ডিএম সাহেব অনেকটাই কাজ এগিয়ে রেখেছেন। আমি দ্রুততার সঙ্গে প্রাথমিক স্কুলগুলির প্রধান শিক্ষক নিয়োগের ব্যাপারে উদ্যোগ নিচ্ছি।
Advertisement
জেলা শিক্ষা দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলায় ১৪৬৭ টি প্রাথমিক স্কুল আছে। এর মধ্যে প্রায় ৮০০ টি স্কুলে প্রধান শিক্ষক নেই। ২০১৪ সালে শেষ বার প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ করা হয়েছিল।
জানা গিয়েছে, পেশাগত দিক থেকে সহকারি শিক্ষকদের একটিই মাত্র প্রমোশন হয়। তা হচ্ছে, প্রধান শিক্ষক হওয়া। এর জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে প্যানেল তৈরি করা হয়। কর্মক্ষেত্রে অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে নিযোগ দেওয়া হয়। কিন্তু ১০ বছর থেকে প্রধান শিক্ষকের নিয়োগের জন্য প্যানেল তৈরি হয়নি। নিয়োগও হয়নি। অভিযোগ, গত ১০ বছরে যে সমস্ত সহকারি শিক্ষক কিংবা টিআইসি অবসর নিয়েছেন তাঁরা প্রধান শিক্ষক হওয়া থেকে বঞ্চিত থেকে গিয়েছেন। সহকারি শিক্ষকরা স্কুলে টিআইসির দায়িত্ব নেওয়ায় পঠনপাঠনে প্রভাব পড়ছে।
জানা গিয়েছে, পেশাগত দিক থেকে সহকারি শিক্ষকদের একটিই মাত্র প্রমোশন হয়। তা হচ্ছে, প্রধান শিক্ষক হওয়া। এর জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে প্যানেল তৈরি করা হয়। কর্মক্ষেত্রে অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে নিযোগ দেওয়া হয়। কিন্তু ১০ বছর থেকে প্রধান শিক্ষকের নিয়োগের জন্য প্যানেল তৈরি হয়নি। নিয়োগও হয়নি। অভিযোগ, গত ১০ বছরে যে সমস্ত সহকারি শিক্ষক কিংবা টিআইসি অবসর নিয়েছেন তাঁরা প্রধান শিক্ষক হওয়া থেকে বঞ্চিত থেকে গিয়েছেন। সহকারি শিক্ষকরা স্কুলে টিআইসির দায়িত্ব নেওয়ায় পঠনপাঠনে প্রভাব পড়ছে।



