Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

পুজো করতে হুগলি থেকে পুরোহিত গেলেন সিঙ্গাপুরে

প্রবাসের পুজো মানেই মিলনক্ষেত্র। এই চিরচেনা চিত্রের কোথাও যেন খামতি ছিল পূবের দেশ সিঙ্গাপুরে। আগেও এখানে পুজো হতো।

পুজো করতে হুগলি থেকে পুরোহিত গেলেন সিঙ্গাপুরে
  • ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

ভিক্টর বাগ , কলকাতা: প্রবাসের পুজো মানেই মিলনক্ষেত্র। এই চিরচেনা চিত্রের কোথাও যেন খামতি ছিল পূবের দেশ সিঙ্গাপুরে। আগেও এখানে পুজো হতো। তবে সেই পুজোয় স্থানীয়দের অংশগ্রহণ প্রায় ছিল না বললেই চলে। এই খামতি পুষিয়ে দিয়েছে সিঙ্গাপুর ইন্ডিয়ান পুজো অ্যাসোসিয়েশন। এবার তাদের চতুর্থ বর্ষ। উদ্যোক্তাদের পক্ষে শীর্ষেন্দু ভট্টাচার্য জানালেন, দেশকালের সীমারেখা ভেঙে যেখানে পুজোর আয়োজন হয়, সেখানে বিধিনিষেধ রাখাটা সঙ্গত মনে করিনি। তাই এই পুজোয় সকলের অবাধ যোগদানের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। এই পুজোর সবচেয়ে বড় আকর্ষণ কুমারী পুজো। ন’জন কুমারীকে নিয়ে এখানে পুজো হয়। ষষ্ঠী-দশমী পাঁচদিন ধরে চলবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বাড়তি চমক হিসেবে থাকছে ব্যান্ডের গান। হুগলি জেলার জনাই থেকে পূজারি আনা হয়েছে। প্রায় ৮০০ পরিবার এই পুজোর মূল চালিকাশক্তি।

Advertisement

বাঙালির দুর্গাপুজো মিলিয়ে দিয়েছে পূবের দেশ সিঙ্গাপুরের সঙ্গে সুদূর পশ্চিমের দেশ কানাডাকে। সেদেশের অন্টারিওর ব্যারি শহরে একদল উৎসাহী বাঙালির উদ্যোগে চলছে পুজোর আয়োজন।  এবার ব্যারি শহরে পান্ডাবাড়ির দুর্গোৎসবের পঞ্চম বছর। পারিবারিক ব্যবস্থাপনায় শুরু হয়েছিল এই পুজো। এখন তা সর্বজনীন রূপ নিয়েছে। টরন্টো থেকে ব্যারি শহরের দূরত্ব প্রায় ৮০ কিলোমিটার। মাঝে আর কোনও পুজো হয় না। ফলে এই পুজো ঘিরে স্থানীয় বাঙালিদের মধ্যে আবেগ তুঙ্গে। এই পুজো বিদেশের অধিকাংশ পুজোর মতো শুধুমাত্র শনি-রবিবারের পুজো নয়। তিথি-নক্ষত্র মেনে চার-পাঁচদিনের প্রথাসম্মত পুজো করা হয় পান্ডাবাড়ির এই দুর্গোৎসবে। 
আমেরিকার অ্যারিজোনা শহরে মা আসছেন দু’বার। অ্যারিজোনা স্টেট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক কোহিনূর কর জানালেন, এবার এখানে দু’টি সপ্তাহান্তে দু’টি পৃথক পুজোর আয়োজন করেছে দু’টি সংস্থা। ‘সংহিতা’র পুজো হবে ২৬-২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। আর বেঙ্গলি কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন অব অ্যারিজোনা (বিসিএএ) পুজো আয়োজন করেছে ১০-১২ অক্টোবর। 
কথা হচ্ছিল বিসিএএ-র প্রেসিডেন্ট উপেন্দ্র ভাদুড়িয়ার সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি ঢাকে কাঠি পড়ার অপেক্ষায়।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ