নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: কথা ছিল দাম কমবে। দাবি করা হয়েছিল সবথেকে বেশি জিএসটি হার কমিয়ে দেওয়া হয়েছে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের। ১৮ এবং ১২ শতাংশ থেকে কমিয়ে আনা হয়েছে ৫ শতাংশে। সুতরাং সাধারণ মানুষের সুরাহা হবে বেশি। ২০২৫ সালের ২২ সেপ্টেম্বর থেকে জিএসটি কাঠামোর বড়োসড়ো রদবদল হয়েছিল। তারপর থেকে মোদি সরকার এবং বিজেপি উচ্চগ্রামে প্রচার করেছে যে, মূল্যবৃদ্ধি থেকে মানুষকে রেহাই দেওয়া হয়েছে এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে। জিএসটি হার কমিয়ে দেওয়াকে যুগান্তকারী পদক্ষেপ আখ্যা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু জিএসটি হার কমিয়ে দেওয়ার পর কেটে গিয়েছে ছ’মাস। দেখা যাচ্ছে, এই ছ’মাসে মূল্যবৃদ্ধিরআঁচ ঠিক সেই পণ্যেই লেগেছে, যেগুলি নিত্যপ্রয়োজনীয় সংসারের পণ্য। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব পাবলিক ফিনান্স অ্যান্ড পলিসির সমীক্ষায় এই প্রবণতা ধরা পড়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের খুচরো মূল্যবৃদ্ধির হারের বিশ্লেষণ করে এই পরিসংখ্যান পাওয়া যাচ্ছে। খাদ্যপণ্য, সাংসারিক ব্যবহার্য, নিত্যদিনের প্রয়োজনীয় সাবান, তেল, শ্যাম্পু, পাউডারের মতো দ্রব্যের মূল্য বেড়ে গিয়েছে। পক্ষান্তরে দাম ক্রমেই কমেছে এয়ার কন্ডিশনিং মেশিন, মোটরসাইকেল, গাড়ি, বাইসাইকেল ইত্যাদির। এমনকি স্মার্ট ফোনের দামও কমেছে। সোজা কথায়, গরিব-মধ্যবিত্ত প্রতিদিন যে পণ্য ব্যবহার করে সবথেকে বেশি, সেই পণ্যের দামে আঁচ ফেলেছে মূল্যবৃদ্ধির হার। ২০২৫ সালের মে থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত কত দাম ছিল এবং অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত দামের হেরফের কতটা



