Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

ছ’মাসে ক্রমেই বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম, জিএসটি হ্রাসে ফায়দা হল না আম আদমির

কথা ছিল দাম কমবে। দাবি করা হয়েছিল সবথেকে বেশি জিএসটি হার কমিয়ে দেওয়া হয়েছে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের। ১৮ এবং ১২ শতাংশ থেকে কমিয়ে আনা হয়েছে  ৫ শতাংশে।

ছ’মাসে ক্রমেই বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম, জিএসটি হ্রাসে ফায়দা হল না আম আদমির
  • ২০ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: কথা ছিল দাম কমবে। দাবি করা হয়েছিল সবথেকে বেশি জিএসটি হার কমিয়ে দেওয়া হয়েছে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের। ১৮ এবং ১২ শতাংশ থেকে কমিয়ে আনা হয়েছে  ৫ শতাংশে। সুতরাং সাধারণ মানুষের সুরাহা হবে বেশি।  ২০২৫ সালের ২২ সেপ্টেম্বর থেকে জিএসটি কাঠামোর বড়োসড়ো রদবদল হয়েছিল। তারপর থেকে মোদি সরকার এবং বিজেপি উচ্চগ্রামে প্রচার করেছে যে, মূল্যবৃদ্ধি থেকে মানুষকে রেহাই দেওয়া হয়েছে এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে। জিএসটি হার কমিয়ে দেওয়াকে যুগান্তকারী পদক্ষেপ আখ্যা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু জিএসটি হার কমিয়ে দেওয়ার পর কেটে গিয়েছে ছ’মাস। দেখা যাচ্ছে, এই ছ’মাসে মূল্যবৃদ্ধিরআঁচ ঠিক সেই পণ্যেই লেগেছে, যেগুলি নিত্যপ্রয়োজনীয় সংসারের পণ্য। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব পাবলিক ফিনান্স অ্যান্ড পলিসির সমীক্ষায় এই প্রবণতা ধরা পড়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের খুচরো মূল্যবৃদ্ধির হারের বিশ্লেষণ করে এই পরিসংখ্যান পাওয়া যাচ্ছে। খাদ্যপণ্য, সাংসারিক ব্যবহার্য, নিত্যদিনের প্রয়োজনীয় সাবান, তেল, শ্যাম্পু, পাউডারের মতো দ্রব্যের মূল্য বেড়ে গিয়েছে। পক্ষান্তরে দাম ক্রমেই কমেছে এয়ার কন্ডিশনিং মেশিন, মোটরসাইকেল, গাড়ি, বাইসাইকেল ইত্যাদির। এমনকি স্মার্ট ফোনের দামও কমেছে। সোজা কথায়, গরিব-মধ্যবিত্ত প্রতিদিন যে পণ্য ব্যবহার করে সবথেকে বেশি, সেই পণ্যের দামে আঁচ ফেলেছে মূল্যবৃদ্ধির হার। ২০২৫ সালের মে থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত কত দাম ছিল এবং অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত দামের হেরফের কতটা 

Advertisement

হয়েছে, এই বিশ্লেষণ করা হয়েঠেছ। আর তা করতে গিয়ে দেখা গিয়েছে, সিংহভাগ ক্ষেত্রেই খাদ্যপণ্যের দাম বেশি বেড়েছে। ঘি, দুধ, পনির, আচার, জ্যাম, জেলি, চকোলেট, রান্নার মশলা, প্যাকেটজাত খাবার, পানীয় এই সবই এই দামবৃদ্ধির তালিকায়। অথচ এসির দাম কমেছে সাড়ে ৬ শতাংশ, গাড়ির দাম কমেছে সাড়ে ৭ শতাংশ, টায়ার, টিউব, দামী জুতো ইত্যাদির দাম কমেছে। যে পণ্যগুলির দাম কমার কথা বলা হচ্ছে, সেগুলির তুলনায় যেগুলির দাম বেড়েছে, তাদের জিএসটি সবথেকে বেশি কমিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সেগুলির জিএসটি হার ৫ অথবা শূন্য। কিন্তু সেই সুবিধা বেশিদিন গ্রাহক পেল না। কারণ, জিএসটি কমলেও এমআরপি বেড়ে গেল। সুতরাং যেখানে ছিল, সেখানেই পৌঁছে গিয়েছে মূল্য। আর এটি উত্তরোত্তব বাড়ছে। 

সম্পর্কিত সংবাদ