


নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: এইমস কল্যাণীর প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে এলেন দেশের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। ছিলেন রাজ্যপাল, কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর, প্রতাপরাও যাদব এবং রাজ্যের স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। আজ, বুধবার নির্ধারিত সময়ে সামরিক ঘাঁটিতে এসে পৌঁছয় তাঁর কপ্টার। সেখান থেকে সড়কপথে রাষ্ট্রপতির কনভয় বড়জাগুলি হয়ে এসে পৌঁছয় এইমসে। আজ অডিটোরিয়াম হলে এইমসের প্রথম এমবিবিএস ব্যাচের ৪৮জন চিকিৎসক পড়ুয়া আসেন। প্রথম তিন স্থানাধিকারীকে স্বর্ণ, রৌপ্য এবং ব্রোঞ্জ পদক তুলে দেন রাষ্ট্রপতি। এছাড়াও সেরা উত্তীর্ণ ছাত্র হিসাবে বিশেষ পুরস্কার পান দ্বিতীয় স্থানাধিকারি কলরব মুখোপাধ্যায়।
এদিন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বক্তব্য রাখতে উঠে রাজ্য সরকারের ভূয়সী প্রশংসা করেন। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে যে স্বাস্থ্যের ব্যাপক উন্নতি হয়েছে তার পরিসংখ্যানও তুলে ধরেন। স্বাস্থ্যসাথীর দরাজ সার্টিফিকেট দেন নিজেই। অন্যদিকে, বক্তব্য রাখতে উঠে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী প্রতাপরাও যাদবও দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্ব স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নতির পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। আয়ুষ্মান ভারত থেকে আয়ুষ সহ একাধিক বিষয়ে উঠে আসে তাঁর বক্তব্যে। ফলে এইমস কল্যাণীর অরাজনৈতিক সমাবর্তন মঞ্চেও সূক্ষ্ম রাজনীতির আক্রমণ-প্রতি আক্রমণ দেখা যায় কেন্দ্র-রাজ্যের মন্ত্রীদের মধ্যে। তবে বক্তব্য রাখতে উঠে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু শুধুমাত্র চিকিৎসক পড়ুয়াদের উদ্দেশ্যেই ভাষণ দেন। তাঁর বক্তব্যের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অংশ হল, চিকিৎসক তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিধানচন্দ্র রায়ের স্বপ্নের শহর কল্যাণীর মাটিতে এইমস গড়ে ওঠা। এছাড়া সেখান থেকে পাশ করা চিকিৎসক পড়ুয়াদের দায়িত্ব কতখানি। সাধারণ গরীব মানুষের চিকিৎসা করার কতটা দায়বদ্ধতা রয়েছে। এই সকল বিষয় তিনি নিজের বক্তব্যের মাধ্যমে তুলে ধরেন।