Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

প্রধান শিক্ষককে মারধরে ধৃত পরিচালন সমিতির সভাপতি, অখুশি স্থানীয় বিধায়ক

প্রধান শিক্ষককে মারধরে ধৃত পরিচালন সমিতির সভাপতি, অখুশি স্থানীয় বিধায়ক
  • ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: নিউ ফরাক্কা হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষককে মারধরে অপর অভিযুক্ত অরুণময় দাসকে কলকাতা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। বুধবার সকালে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পার্কস্ট্রিট থানার পুলিস। এদিন দুপুরে নিউ ফরাক্কা থানার একটি টিম কলকাতা পৌঁছয়। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামীকাল তাঁকে সেখান থেকে এনে জঙ্গিপুর মহকুমা আদালতে তোলা হবে। অরুণময় দাস স্কুল পরিচালন সমিতির সভাপতি ছিলেন। ঘটনার পর তিনি ওই পদ থেকে পদত্যাগ করেন। যদিও অরুণময়বাবুর গ্রেপ্তারিতে খুশি নন ফরাক্কার বিধায়ক মনিরুল ইসলাম। বিধায়ক বলেন,  প্রধান শিক্ষক স্কুল পরিচালন সমিতির সভাপতির নামে অভিযোগ করে ঠিক করেননি। তার ভিত্তিতে পুলিসের তাঁকে গ্রেপ্তার করা উচিত হয়নি। যদিও অভিযুক্তের গ্রেপ্তারে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন আক্রান্ত শিক্ষক। 
Advertisement
বিধায়ক মনিরুল ইসলাম বলেন, অরুণময় দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে শুনেছি। ওঁর কোনও অপরাধ ছিল না। তিনি সমস্যার সমাধান করতে গিয়েছিলেন। প্রধান শিক্ষক পরিচালন সমিতির সভাপতিকে ডেকে তাঁর নামে অভিযোগ করে ঠিক করেননি। ফরাক্কা পুলিস না বললে কলকাতা পুলিস তাঁকে গ্রেপ্তার করতে পারে না। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার পর থেকেই গা ঢাকা দেন অরুণময় দাস সহ অভিযুক্ত আরও তিন শিক্ষক। মঙ্গলবার রাতে অরুণময়বাবুকে গ্রেপ্তার করে কলকাতা পুলিস। দিন দশেক আগে প্রধান শিক্ষককে মারধরে মূল অভিযুক্ত শিক্ষক সুজন স্বর্ণকারকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। বর্তমানে তিনি জেল হেফাজতে রয়েছেন। গত সোমবার জঙ্গিপুর মহকুমা আদালতে ধৃত শিক্ষক সুজন স্বর্ণকারের জামিনের আবেদন করলে তা নাকচ করেন বিচারক। আগামী সোমবার ফের সুজন বাবুকে আদালতে তোলা হবে।
আক্রান্ত প্রধান শিক্ষক মনিরুল ইসলাম বলেন, দেরিতে হলেও অভিযুক্ত গ্রেপ্তার হয়েছে। সভাপতির উপস্থিতিতে ১২ জন শিক্ষককে সভা থেকে বের করে দেওয়া হয়। তারপর চারজন শিক্ষক আমার উপর হামলা চালান, সভাপতি এটা কি ঠিক করেছেন? এছাড়াও বিধায়ক স্কুলে গিয়ে কয়েকজন শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে নিয়ে যে নাটক করে আমার বদলির দাবি তুলেছেন সেটা কি উনি ঠিক করেছেন?
প্রসঙ্গত, প্রায় দু’ সপ্তাহ আগে নতুন শিক্ষা বর্ষের রুটিন নিয়ে সমস্যা দেখা দিলে স্কুলে অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের মিটিং ডাকা হয়। মিটিয়ে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে সহকারী শিক্ষকদের বচসা শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেলে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন শিক্ষকরা। তখনই প্রধান শিক্ষককে মেরে পা ভেঙে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ