সংবাদদাতা, পতিরাম: অবশেষে প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষকদের নিয়োগপত্র দিল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ। শনিবার জেলার ১৭ টি সার্কেলের ৭৪৭ জনকে প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। ১২ বছর পর জেলায় প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ হল। জেলায় ৮৪০ টি স্কুলে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য ছিল। এদিন প্রথম দফায় ৭৪৭ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কয়েক দিনের মধ্যে বাকি শূন্য পদেও নিয়োগপত্র দেওয়া হবে বলে ডিপিএসসি সূত্রে জানা গিয়েছে।
Advertisement
ডিপিএসসি’র চেয়ারম্যান সন্তোষ হাঁসদা বলেন, কিছু সমস্যার জন্য আগে নিয়োগপত্র দেওয়া সম্ভব হয়নি। আজ নিয়োগপত্র দেওয়া হল। ৭৪৭ টি স্কুলে শিক্ষকদের নিয়োগপত্র দিয়েছি। প্রথম দফায় যাঁরা উপস্থিত ছিলেন তাঁদের আজ নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। বাকিদেরও ভেরিফিকেশন করে নিয়োগপত্র দেওয়া হবে।
নানা টালবাহানার পর নিয়োগপত্র পেয়ে খুশি প্রধান শিক্ষক নেতাজি সরকার ও সম্রাট সরকার। তাঁরা জানান, তিনটি স্কুলের মধ্যে একটি করে স্কুলকে বাছাই করে নিতে হয়েছে। জটিলতার পর আজ নিয়োগ পেয়ে খুব ভালো লাগছে। তৃণমূল জেলা প্রাথমিক সমিতির সভাপতি শুকলাল হাঁসদা বলেন, ১২ বছর পর নিয়োগ হল। এটা খুব আনন্দের বিষয়। আমিও ২৫ বছর শিক্ষকতা করছি। আমিও আজ প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ পেলাম।
জেলাজুড়ে বর্তমানে ১১৮৩ টি প্রাইমারি স্কুল চালু রয়েছে। তারমধ্যে ৮৪০ টি স্কুলে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের কথা। গত ১০ জানুয়ারি নিয়োগপত্র দেওয়ার কথা ছিল। নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ তুলে জেলাশাসকের দ্বারস্থ হন কয়েকজন। তারপর নিয়োগপত্র দেওয়াও আচমকা বন্ধ হয়ে যায়।
যদিও ডিপিএসসি চেয়ারম্যানের দাবি, নিয়োগে কোনও অনিয়ম হয়নি। নিয়ম মেনেই নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। জেলার পড়ুয়াদের স্বার্থে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ খুব জরুরি ছিল বলে জানিয়েছেন নিখিলবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির জেলা সম্পাদক শঙ্কর ঘোষও।
নানা টালবাহানার পর নিয়োগপত্র পেয়ে খুশি প্রধান শিক্ষক নেতাজি সরকার ও সম্রাট সরকার। তাঁরা জানান, তিনটি স্কুলের মধ্যে একটি করে স্কুলকে বাছাই করে নিতে হয়েছে। জটিলতার পর আজ নিয়োগ পেয়ে খুব ভালো লাগছে। তৃণমূল জেলা প্রাথমিক সমিতির সভাপতি শুকলাল হাঁসদা বলেন, ১২ বছর পর নিয়োগ হল। এটা খুব আনন্দের বিষয়। আমিও ২৫ বছর শিক্ষকতা করছি। আমিও আজ প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ পেলাম।
জেলাজুড়ে বর্তমানে ১১৮৩ টি প্রাইমারি স্কুল চালু রয়েছে। তারমধ্যে ৮৪০ টি স্কুলে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের কথা। গত ১০ জানুয়ারি নিয়োগপত্র দেওয়ার কথা ছিল। নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ তুলে জেলাশাসকের দ্বারস্থ হন কয়েকজন। তারপর নিয়োগপত্র দেওয়াও আচমকা বন্ধ হয়ে যায়।
যদিও ডিপিএসসি চেয়ারম্যানের দাবি, নিয়োগে কোনও অনিয়ম হয়নি। নিয়ম মেনেই নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। জেলার পড়ুয়াদের স্বার্থে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ খুব জরুরি ছিল বলে জানিয়েছেন নিখিলবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির জেলা সম্পাদক শঙ্কর ঘোষও।



