নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যের ছয়টি বিধানসভা আসনে উপ নির্বাচন বুধবার। তার আগে আজ, সোমবার প্রচারের শেষ দিন। এই উপ নির্বাচনে ছয়টি আসনে জোড়াফুল ফোটানোর টার্গেট নিয়েছে তৃণমূল। এই প্রেক্ষিতে শাসক দলের স্পষ্ট বক্তব্য, এই উপ নির্বাচনে রাজ্যের মানুষ শাসক দলের প্রতিই আস্থা রাখবেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে এখানে স্থিতিশীল সরকার রয়েছে। যে উন্নয়নের কর্মযজ্ঞ চলছে, তাকে ত্বরান্বিত করতে রাজ্য সরকারের উপরই আস্থা ও ভরসা রাখবেন সিতাই, মাদারিহাট, নৈহাটি, হাড়োয়া, মেদিনীপুর ও তালড্যাংরা বিধানসভা আসনের ভোটদাতারা। আজ, শেষ দিনের প্রচারে ঝড় তুলছে তৃণমূল।
Advertisement
ভোট হতে চলা এই ছয়টি বিধানসভা কেন্দ্রে থাকবেন দলের শীর্ষস্তরের নেতা-নেত্রীরা। ঘটনাচক্রে এদিনই আবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে দেখা করবে তৃণমূলের এক প্রতিনিধি দল। মন্ত্রী শশী পাঁজা, তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমজার ও কুণাল ঘোষ যাবেন নির্বাচন কমিশনে। ছয়টি কেন্দ্রের বিধানসভা উপ নির্বাচন যাতে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হয়, সেই আবেদন জানাবেন তাঁরা। বিরোধীরা নানা ধরনের চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র করতে পারে এবং তৃণমূলের উপর দোষ চাপানোর কৌশল নিচ্ছে, এমন খবর সূত্র মারফত তৃণমূল নেতৃত্বের কাছে এসেছে। এই অভিযোগও কমিশনকে জানানো হবে।
ওইসঙ্গে বিজেপির কয়েকজন নেতা উস্কানিমূলক বক্তব্য রেখেছেন বলেও তৃণমূলের অভিযোগ। বিজেপি নেতাদের সেই সমস্ত বক্তব্য সবিস্তারে কমিশনকে জানাবে তৃণমূল। জোড়াফুল শিবিরের দাবি, ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা থেকে প্রচার পর্বের শেষ দিন পর্যন্ত বিরোধীদের রাজনীতির ময়দানে খুঁজে পাওয়া যায়নি। ভোটের আগেই তারা একপ্রকার হেরে বসে আছে। বিরোধীরা বুঝে গিয়েছে, সাধারণ মানুষ তৃণমূলের উপরই বিপুলভাবে ফের আস্থা রাখতে চলেছেন।
ওইসঙ্গে বিজেপির কয়েকজন নেতা উস্কানিমূলক বক্তব্য রেখেছেন বলেও তৃণমূলের অভিযোগ। বিজেপি নেতাদের সেই সমস্ত বক্তব্য সবিস্তারে কমিশনকে জানাবে তৃণমূল। জোড়াফুল শিবিরের দাবি, ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা থেকে প্রচার পর্বের শেষ দিন পর্যন্ত বিরোধীদের রাজনীতির ময়দানে খুঁজে পাওয়া যায়নি। ভোটের আগেই তারা একপ্রকার হেরে বসে আছে। বিরোধীরা বুঝে গিয়েছে, সাধারণ মানুষ তৃণমূলের উপরই বিপুলভাবে ফের আস্থা রাখতে চলেছেন।



