Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬

প্রচারে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ও দলের মুখ্যমন্ত্রীদের নামাচ্ছে গেরুয়া শিবির

প্রচারে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ও দলের মুখ্যমন্ত্রীদের নামাচ্ছে গেরুয়া শিবির
  • ১৭ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি:  যে শহরে তিনি বাস করেন সেই দিল্লি তাঁর দলকে সরকারে আনে না। গত ২৭ বছর ধরেই দিল্লির বিধানসভা ভোটে জয় অধরা বিজেপির। নরেন্দ্র মোদি বহু রেকর্ড ভেঙেছেন। তিনি কি পারবেন ওই খরা কাটাতে? রাজধানীতে বিজেপির জিততে না পারার ‘অভিশাপ’ কি এবার কাটবে? দিল্লির আসন্ন ভোটে এটাই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে উঠেছে। কারণ, এবারই সুবর্ণ সুযোগ। সবরকম প্রয়াস করা হয়েছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে দুর্বল করার। তাঁকে জেলেও পাঠানো হয়েছে। কিন্তু এত কিছু সত্ত্বেও অনিশ্চয়তা কাটছে না। হয়তো বিজেপি এখনও ১০০ শতাংশ নিশ্চিত নয় যে তারা রাজধানীর ভোটে জিততে পারে। আর তাই একা মোদির উপর আর ভরসা করা হচ্ছে না। দিল্লির মতো কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ভোটে জিততে গোটা কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা নামছে। এমনকী অসম থেকে উত্তরপ্রদেশ। উত্তরাখন্ড থেকে হরিয়ানা। মধ্যপ্রদেশ থেকে রাজস্থান।  মহারাষ্ট্র অথবা ছত্তিশগড়। বিজেপির শাসিত রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রীদের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে প্রচারের জন্য।
Advertisement
বুধবারই একসঙ্গে দুই মুখ্যমন্ত্রী দিল্লির এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে রোড শো করেছেন। উত্তরাখন্ড ও হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রীদের সেইসব বিধানসভা কেন্দ্রে  প্রচার করতে দেখা গিয়েছে যেখানে ওই সব রাজ্যের বাসিন্দাদের প্রভাব বেশি। একইভাবে দিল্লির ভোট যেহেতু অনেকটাই নির্ভর করে পূর্বাঞ্চলীদের উপর, তাই উত্তরপ্রদেশ ও বিহারের নেতামন্ত্রীদেরও আনা হবে। তাঁদের মধ্যে অন্যতম বিশেষ আকর্ষণ যোগী আদিত্যনাথ। তিনি একদিকে বিজেপির স্টার প্রচারক। আবার অন্যদিকে পূর্বাঞ্চলী। অতএব তাঁকে বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে দিল্লিতে প্রচার করতে। বস্তুত নরেন্দ্র মোদির কাছে দিল্লি যথেষ্ট বড় চ্যালেঞ্জ। এবারও যদি বিজেপি জয়ী হতে না পারে, তাহলে মোদির শাসনকালে আর দিল্লি দখল হল না ধরে নেওয়া হবে। এই কারণেই মরিয়া হয়ে ঝাঁপিয়েছে বিজেপি ও সংঘ। 
সম্পর্কিত সংবাদ