নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: ৭৩৪ কোটি ৭৩ লক্ষ ৮০ হাজার ৩৪০ টাকার বাজেট পেশ করল পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদ। শুক্রবার জেলা পরিষদের সভাধিপতি শ্যামাপ্রসন্ন লোহার বাজেট পেশ করেন। জেলাশাসক আয়েশা রানি এ সহ জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষরা বাজেট পেশের সময় উপস্থিত ছিলেন। জনস্বাস্থ্য ও পূর্ত বিভাগে বেশি অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে। এদিনের বৈঠকে জেলা পরিষদের নিজস্ব তহবিল বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।
Advertisement
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ স্থায়ী সমিতি খাতে ১০৮ কোটি ৬৩ লক্ষ ৫০হাজার টাকা বরাদ্দ হয়েছে। পূর্ত ও পরিবহণ স্থায়ী সমিতিতে ২৯৮ কোটি ৫৪লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়েছে। জেলা পরিষদের সভাধিপতি শ্যামাপ্রসন্ন লোহার বলেন, জেলার সার্বিক উন্নয়নে জোর দেওয়া হয়েছে। জেলার রাস্তা সংস্কার করা হবে। সোলার লাইট, জলপ্রকল্প সহ বিভিন্ন ধরনের কাজ করা হবে।
প্রশাসন সূত্রে খবর, পঞ্চদশ অর্থ কমিশন, পঞ্চম অর্থ কমিশন সহ বিভিন্ন প্রকল্প ধরে বাজেট পেশ করা হয়েছে। নিজস্ব তহবিলের টাকা খরচেও জোর দেওয়া হবে। গত আর্থিকবর্ষে জেলা পরিষদ পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকা খরচের দিক থেকে পিছিয়ে ছিল। এবার প্রথম থেকেই কাজে জোর দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। টায়েড, আনটায়েড দুই ক্ষেত্রেই কাজের পরিকল্পনা তৈরিতে জোর দেওয়া হয়েছে। এক আধিকারিক বলেন, পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকা খরচের ক্ষেত্রে বেশ কিছু নিয়ম লাগু রয়েছে। সেই কারণে টাকা খরচের ক্ষেত্রে অনেক জেলায় পিছিয়ে যাচ্ছে।
জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গিয়েছে, কৃষিসেচ ও সমবায় স্থায়ী সমিতিতে ৩৩ লক্ষ ৫০হাজার টাকা বরাদ্দ হয়েছে। শিক্ষা সংস্কৃতি, তথ্য ও ক্রীড়া স্থায়ী সমিতির জন্য ৩৩ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়েছে। এদিনের বাজেট পশের বৈঠকে অবৈধ নির্মাণ বন্ধের বিষয়েও আলোচনা হয়। উল্লাস এলাকায় একটি অবৈধ নির্মাণের অভিযোগ পেয়ে জেলা পরিষদ কাজ বন্ধের নির্দেশ দেয়। তবে ওই বিল্ডিংটি ভেঙে ফেলা হবে নাকি নির্মাণকারীকে মোটা অঙ্কের টাকা জরিমানা করা হবে, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি। বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসন আবার আলোচনা করবে। সভাধিপতি বলেন, জেলা পরিষদের জায়গায় অবৈধ নির্মাণ করা যাবে না। যারা অনুমতি না নিয়ে কাজ শুরু করেছিল তাদের নোটিস পাঠানো হয়েছে। নিয়ম না মানলে নির্মাণ ভেঙে ফেলা হবে। এছাড়া যারা জেলা পরিষদকে রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধেও পদক্ষেপ করা হবে।
প্রশাসন সূত্রে খবর, পঞ্চদশ অর্থ কমিশন, পঞ্চম অর্থ কমিশন সহ বিভিন্ন প্রকল্প ধরে বাজেট পেশ করা হয়েছে। নিজস্ব তহবিলের টাকা খরচেও জোর দেওয়া হবে। গত আর্থিকবর্ষে জেলা পরিষদ পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকা খরচের দিক থেকে পিছিয়ে ছিল। এবার প্রথম থেকেই কাজে জোর দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। টায়েড, আনটায়েড দুই ক্ষেত্রেই কাজের পরিকল্পনা তৈরিতে জোর দেওয়া হয়েছে। এক আধিকারিক বলেন, পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকা খরচের ক্ষেত্রে বেশ কিছু নিয়ম লাগু রয়েছে। সেই কারণে টাকা খরচের ক্ষেত্রে অনেক জেলায় পিছিয়ে যাচ্ছে।
জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গিয়েছে, কৃষিসেচ ও সমবায় স্থায়ী সমিতিতে ৩৩ লক্ষ ৫০হাজার টাকা বরাদ্দ হয়েছে। শিক্ষা সংস্কৃতি, তথ্য ও ক্রীড়া স্থায়ী সমিতির জন্য ৩৩ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়েছে। এদিনের বাজেট পশের বৈঠকে অবৈধ নির্মাণ বন্ধের বিষয়েও আলোচনা হয়। উল্লাস এলাকায় একটি অবৈধ নির্মাণের অভিযোগ পেয়ে জেলা পরিষদ কাজ বন্ধের নির্দেশ দেয়। তবে ওই বিল্ডিংটি ভেঙে ফেলা হবে নাকি নির্মাণকারীকে মোটা অঙ্কের টাকা জরিমানা করা হবে, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি। বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসন আবার আলোচনা করবে। সভাধিপতি বলেন, জেলা পরিষদের জায়গায় অবৈধ নির্মাণ করা যাবে না। যারা অনুমতি না নিয়ে কাজ শুরু করেছিল তাদের নোটিস পাঠানো হয়েছে। নিয়ম না মানলে নির্মাণ ভেঙে ফেলা হবে। এছাড়া যারা জেলা পরিষদকে রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধেও পদক্ষেপ করা হবে।



