নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: সোশ্যাল মিডিয়া কাঁপাচ্ছে ‘ছিঃ ননী ছিঃ’। পুরনো ওড়িয়া গান এখন নেটিজেনদের হৃদয়ে। নবপ্রজন্ম এই গানে বিভিন্নভাবে রিলস তৈরি করছে। এবার টিনেজারদের বাইকের স্টান্টবাজি রুখতে সেই ‘ননী’কেই হাতিয়ার করল পুলিস।
Advertisement
ভাইরাল এই গানের অর্থ, ননী মন চেনেনি। শুধু ধন-সম্পদ চিনেছে। সে প্রেমিককে ধোঁকা দিয়ে চলে গিয়েছে। সেই কারণেই প্রেমিক বিরহের সুরে গান ধরেছে। সেটাই এখন মুখে মুখে ঘুরছে। পুলিস অবশ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনও প্রেমিক-প্রেমিকার ব্যর্থ প্রেমের কাহিনী তুলে ধরেনি। রাজ্য পুলিস সেশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করে জনগণকে সচেতন করতে চেয়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে এক যুবক কায়দা করে বাইক চালাচ্ছে। বাইক স্টান্ট করতে গিয়ে আচমকা সে দুর্ঘটনার মধ্যে পড়ে। এই দৃশ্যের ব্যাকগ্রাউন্ডে বেজে চলছে ‘ছিঃ ননি ছিঃ। এক পুলিস আধিকারিক বলেন, যুব সমাজ এখন নেট দুনিয়ায় বেশিরভাগ সময় মজে থাকে। তাদের পছন্দ দেখেই এই রিলসটি বানানো হয়েছে। তারা তা ‘স্ক্রল’ করে এগিয়ে যাবে না। মন দিয়ে দেখবে। স্টান্টবাজির পরিণাম কী হতে পারে সেটাই ওই গানের তালে তালে তুলে ধরা হয়েছে। যুব সমাজকে সচেতন করতে এরকমই নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, গত চার বছরে রাজ্যে পথ দুঘর্টনার সংখ্যা বেড়েছে। পূর্ব বর্ধমানে প্রায় ৩০০জন দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছেন। তাঁদের অনেকেই দ্রুত গতিতে গাড়ি চালাতে গিয়ে পথ দুর্ঘটনার বলি হয়েছেন। অনেকে আবার হেলমেট ছাড়া বাইক চালানোর সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিলেন। যুবকদের মধ্যে স্টান্টবাজি করার প্রবণতা বেড়েছে। শহরের মধ্যেও অনেকে নজর টানার জন্য স্টান্টবাজি করছে। তা যথেষ্টই ঝুঁকির। পূর্ব বর্ধমানের পুলিস সুপার সায়ক দাস কয়েক দিন আগে বর্ধমানের কার্জনগেটে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে বলেন, দুর্ঘটনায় কেউ মারা গেলে পুরো পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই ক্ষতি পূরণ হওয়ার নয়। তাই পথে যাঁরা গাড়ি চালাচ্ছেন তাঁদের সচেতন হওয়া দরকার। ট্রাফিক আইন মেনে বাইক বা গাড়ি চালালে দুর্ঘটনার ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়।
পুলিস সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনা কমানোর জন্য সারা রাজ্যজুড়ে পুলিস প্রচার শুরু করেছে। স্কুল, কলেজের ছেলে মেয়েদেরও তাতে শামিল করা হয়েছে। তারা পদযাত্রা করছে। সম্প্রতি পুলিসের পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে দুর্ঘটনায় অল্প বয়সিরাই বেশি প্রাণ হারিয়েছেন। অনেক সময় তাঁদের নিজেদের ভুলের জন্যও জীবন দিতে হয়েছে। কেউ হেলমেট ছাড়া বাইক চালাতে গিয়ে আবার কেউ স্টান্টবাজি করতে গিয়ে জীবন দিয়েছে। স্টাইল বা তাড়াহুড়োর থেকেও জীবন অনেক বেশি দামি। সেটা বোঝাতেই পুলিস ‘ননী’কে বেছে নিয়েছে। পুলিসের পেজ খুললেই স্টান্টবাজির দৃশ্যর সঙ্গে ভেসে আসছে, ধনকে দেখিলু তুই ননী সিনা মনকে চিনলু নাই’। প্রতীকী চিত্র
পুলিস সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনা কমানোর জন্য সারা রাজ্যজুড়ে পুলিস প্রচার শুরু করেছে। স্কুল, কলেজের ছেলে মেয়েদেরও তাতে শামিল করা হয়েছে। তারা পদযাত্রা করছে। সম্প্রতি পুলিসের পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে দুর্ঘটনায় অল্প বয়সিরাই বেশি প্রাণ হারিয়েছেন। অনেক সময় তাঁদের নিজেদের ভুলের জন্যও জীবন দিতে হয়েছে। কেউ হেলমেট ছাড়া বাইক চালাতে গিয়ে আবার কেউ স্টান্টবাজি করতে গিয়ে জীবন দিয়েছে। স্টাইল বা তাড়াহুড়োর থেকেও জীবন অনেক বেশি দামি। সেটা বোঝাতেই পুলিস ‘ননী’কে বেছে নিয়েছে। পুলিসের পেজ খুললেই স্টান্টবাজির দৃশ্যর সঙ্গে ভেসে আসছে, ধনকে দেখিলু তুই ননী সিনা মনকে চিনলু নাই’। প্রতীকী চিত্র



