নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: জেলা সদর তমলুক পুরসভায় প্রায় সাড়ে ৮হাজার বাড়িতে জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদ বিতরণের কাজ জোরকদমে চলছে। ২১জুন শহরের ১১জন রেশন ডিলারের মাধ্যমে ২১টি ওয়ার্ডের প্রভুর প্রসাদ বাড়ি বাড়ি পৌঁছনোর কাজ শুরু হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: জেলা সদর তমলুক পুরসভায় প্রায় সাড়ে ৮হাজার বাড়িতে জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদ বিতরণের কাজ জোরকদমে চলছে। ২১জুন শহরের ১১জন রেশন ডিলারের মাধ্যমে ২১টি ওয়ার্ডের প্রভুর প্রসাদ বাড়ি বাড়ি পৌঁছনোর কাজ শুরু হয়েছে।
পুরসভার চেয়ারম্যান দীপেন্দ্রনারায়ণ রায়, মহকুমা শাসক, দিব্যেন্দু মজুমদার সহ পুরসভার অন্যান্য কাউন্সিলাররা এই প্রক্রিয়া তদারকি করেন। চেয়ারম্যান ও মহকুমা শাসক প্রত্যেক রেশন ডিলারের দোকানে গিয়ে প্রসাদ বিলির কাজ ঘুরে দেখেন।
গত ১৩ জুন তমলুক পুরসভার রূপনারায়ণ অতিথি নিবাসে হোমযজ্ঞ ও পুজো করে জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদ তৈরি শুরু হয়। সিসি ক্যামেরায় নজরদারিতে পরিচ্ছন্নতা বজায় রেখে ওই কাজ হয়। ওই অতিথি নিবাস থেকেই শহরের নানা প্রান্তে ১১টি রেশন দোকানে প্রসাদ প্যাকেট পৌঁছে দেওয়া হয়। ২১তারিখ থেকেই বিলির কাজ শুরু হয়। ২৪জুন আরও বেশকিছু পরিবারে প্রসাদ পৌঁছে দেওয়া হবে। তবে এখনও কিছু বাড়িতে প্রসাদ সরবরাহ করার কাজ বাকি থাকছে। জুলাই মাসজুড়ে ওই কাজ চলবে বলে পুরসভার চেয়ারম্যান দীপেন্দ্রনারায়ণ রায় জানিয়েছেন।
তমলুক শহরের পদুমবসানের বাসিন্দা তথা কোলাঘাট সাগরবাড় হাইস্কুলের শিক্ষক অনুপকুমার ভক্তা বলেন, দীঘা জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদ বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়। তমলুক পুরসভার চেয়ারম্যান দীপেন্দ্রনারায়ণ রায় বলেন, শহরে সাড়ে আট হাজার পরিবার রয়েছে। আমরা প্রত্যেক বাড়িতে প্রসাদ পৌঁছে দেব। ২১তারিখ থেকে প্রসাদ দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। জুলাই মাসজুড়ে এই কাজ চলবে।