সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: বছরের শেষ দিন আলো জ্বলল উলুবেড়িয়ার ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা পলাশ মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে। ৭০ বছর বিদ্যুৎহীন অবস্থায় ছিল এই পরিবার। এত বছর পর বিদ্যুৎ সংযোগ মেলায় স্বাভাবিকভাবেই খুশি মুখোপাধ্যায় পরিবার। একারণে তাঁরা ঋণী পুর চেয়ারম্যান অভয় দাসের কাছে।
Advertisement
পলাশ পেশায় অ্যাম্বলেন্সের চালক। থাকেন শরৎচন্দ্র মেডিক্যাল কলেজে হাসপাতালের কাছেই। তাঁরা যে বাড়িতে এখন থাকেন, এই বাড়িতে এক সময় ভাড়া থাকতেন তাঁরা। পরবর্তীকালে তাঁর বাবা এই বাড়িটি কিনে নেন। পলাশবাবুর বাবা অবশ্য এখন আর নেই। মা, স্ত্রী ও ছেলেকে নিয়ে এখন তাঁর সংসার। কথা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শুরু থেকেই বিদ্যুৎ সংযোগ ছিল না। বাড়িটি কেনার পর বিদ্যুতের জন্য আবেদন করা হলে নানা কারণ দেখিয়ে তা খারিজ করে দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে অবশ্য প্রতিবেশীরাও বাধা দিয়েছিলেন। তিনি জানান, ভূমি দপ্তরের রেকর্ডে রাস্তা থাকলেও বাস্তবে তার অস্তিত্ব নেই। ফলে কারও না কারও জমির উপর দিয়ে তার টানতে হতো। তাই আপত্তি জানিয়েছিলেন প্রতিবেশীরা। সেকারণে বিদ্যুৎ দপ্তরও সংযোগ দেয়নি। এই সমস্যার সমাধানে তিনি হাইকোর্টের দ্বারস্থ পর্যন্ত হয়েছিলেন। তাও সুরাহা মেলেনি।
পলাশবাবু জানান, শেষমেশ পুর চেয়ারম্যান অভয় দাসকে বিষয়টি জানালে তিনি নিজে এব্যাপারে উদ্যোগী হন। মূলত তাঁর উদ্যোগেই মঙ্গলবার বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ হয়। অন্যদিকে, নিজের ওয়ার্ডের এই বাসিন্দার বাড়িতে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে পেরে খুশি অভয়বাবু। তিনি বলেন, বিষয়টি জানার পর থেকেই এই পরিবারের কথা ভেবে কষ্ট হচ্ছিল। অবশেষে পলাশবাবুর বাড়িতে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে পেরে স্বস্তি পেয়েছি।
পলাশবাবু জানান, শেষমেশ পুর চেয়ারম্যান অভয় দাসকে বিষয়টি জানালে তিনি নিজে এব্যাপারে উদ্যোগী হন। মূলত তাঁর উদ্যোগেই মঙ্গলবার বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ হয়। অন্যদিকে, নিজের ওয়ার্ডের এই বাসিন্দার বাড়িতে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে পেরে খুশি অভয়বাবু। তিনি বলেন, বিষয়টি জানার পর থেকেই এই পরিবারের কথা ভেবে কষ্ট হচ্ছিল। অবশেষে পলাশবাবুর বাড়িতে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে পেরে স্বস্তি পেয়েছি।



