Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

প্রায় ৩০ প্রজাতির পরিযায়ী পাখির হদিস গঙ্গারামপুরে

প্রায় ৩০ প্রজাতির পরিযায়ী পাখির হদিস গঙ্গারামপুরে
  • ২০ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: গঙ্গারামপুর মহকুমাজুড়ে শীতকালীন পাখি গণনা সম্পন্ন করল বনদপ্তরের কুশমণ্ডি রেঞ্জ। রেঞ্জ অফিসার জয়প্রকাশ রায় ও বনকর্মী, দক্ষিণ দিনাজপুর বার্ডার্স ক্লাবের সদস্যরা পাখি গণনার কাজ শুরু করেন কয়েকদিন আগে। গঙ্গারামপুরের করণবিল, কালদিঘি, ধলদিঘি, কুশমণ্ডির মহিপালদিঘি ও হরিরামপুরের আলতাদিঘি ও মালিয়ানদিঘি এলাকায় পাখি গণনা হয়। 
Advertisement
বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, দিঘির জলে ও বিলে ২৮ থেকে ৩০ প্রজাতির পরিযায়ী পাখি দেখা গিয়েছে। এছাড়াও ঝোঁপঝাড়ে বসবাস করে এমন স্থানীয় ২৬ প্রজাতির পাখির হদিস পাওয়া যায়। গঙ্গারামপুরের করণবিলে দেশীয় পাখির পাশাপাশি ইউরোপের সালাং ও ফেরুজিনাস পোচার্ড পাখি দেখা যায়। কালদিঘির জলে মধ্য এশিয়ার বুনো রাজঁহাস দেখা গিয়েছে। যা এই শীতে দেখা যায়। 
প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করতেই বনদপ্তর প্রত্যেক বছর পাখি গণনা করে তার রিপোর্ট রাজ্যে পাঠায়। বনদপ্তরের রায়গঞ্জ ডিভিশনের আধিকারিক ভূপেন বিশ্বকর্মা বলেন, প্রত্যেক বছর পাখি গণনা হয়। 
কুশমণ্ডি রেঞ্জের অন্তর্ভুক্ত এলাকায় পাখি গণনা সম্পন্ন হয়েছে। পাখি গণনার মাধ্যমে প্রাকৃতিক ভারসাম্য নির্ধারণ করা হয়। যে এলাকায় স্থানীয় কোনও একটি পাখির সংখ্যা কমে যায়, সেখানে সমস্যা থাকে। সেই অনুযায়ী আমরা ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করি। তবে কুশমণ্ডি রেঞ্জে এমন কোনও ঘটনা সামনে আসেনি। আমরা রিপোর্ট রাজ্যে পাঠাব। সেই তথ্য অনুযায়ী রাজ্যের কোনও নির্দেশ এলে আমরা পালন করব। দক্ষিণ দিনাজপুর বার্ডার্স ক্লাবের সদস্য চন্দন পান্ডে বলেন, আমরা বনদপ্তরের হয়ে উত্তরবঙ্গ ও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাখিদের জীবনযাত্রা নিয়ে কাজ করি। সেই কারণে আমাদের লেন্সে খুব সহজেই পাখি ধরা পড়ে যায়। এলাকায় বিলুপ্তপ্রায় পাখি দেখা যায়নি। কিন্তু অদ্ভুতভাবে পাখির সংখ্যা কমছে। আরও সবুজের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। 
সম্পর্কিত সংবাদ