নিজস্ব প্রতিনিধি, বরানগর: জমে রয়েছে প্লাস্টিকের সামগ্রী। সঙ্গে কাদা ও গোবরের পুরু আস্তরণ। মনে হয় যেন একটি মাঠ। কিন্তু জায়গাটি মাঠ মোটেও নয়। কামারহাটির দাঁতিয়া খালের এই দশা দাঁড়িয়েছে। এর ফলে কার্যত ভেঙে পড়েছে নিকাশি ব্যবস্থা।
নিজস্ব প্রতিনিধি, বরানগর: জমে রয়েছে প্লাস্টিকের সামগ্রী। সঙ্গে কাদা ও গোবরের পুরু আস্তরণ। মনে হয় যেন একটি মাঠ। কিন্তু জায়গাটি মাঠ মোটেও নয়। কামারহাটির দাঁতিয়া খালের এই দশা দাঁড়িয়েছে। এর ফলে কার্যত ভেঙে পড়েছে নিকাশি ব্যবস্থা।
এই অঞ্চলের নিকাশির অন্যতম মাধ্যম দাঁতিয়া খাল। সেটির এই হাল বলে অল্প বৃষ্টিতেই জলমগ্ন হয়ে পড়ে ফিডার রোড ও বিস্তীর্ণ এলাকা। সমস্যার কথা বিলক্ষণ জানে পুরসভা। তবে পুরকর্তাদের বক্তব্য, খাল বারবার পরিষ্কার করেও লাভ হচ্ছে না। কেএমডিএ’কে বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন করে সংস্কারের উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে।
কামারহাটি পুর এলাকার নিকাশির জল দাঁতিয়া খাল হয়ে বেলঘরিয়া থানার অদূরে বাগজোলা খালে গিয়ে পড়ে। দাঁতিয়া কামারহাটির ১১ নম্বর বাস স্ট্যান্ড থেকে নওদাপাড়া ও আড়িয়াদহ হয়ে ফিডার রোড ও বিটি রোডের নীচের অংশ দিয়ে নরেন্দ্রনগরে বাগজোলা খালে গিয়ে পড়েছে। খালের একদিকে ১৬ নম্বর ও উল্টোদিকে ১১ নম্বর ওয়ার্ড। রামকৃষ্ণ পল্লি, রবীন্দ্রনগর, বিশ্বনাথ পল্লি, শ্রীকৃষ্ণ পল্লি, নওদাপাড়া, রথতলা ও কালাচাঁদ হাইস্কুল সহ বিস্তীর্ণ এলাকার জল এই খালে পড়ে। রবীন্দ্রনগরে এর জল প্রায় অবরুদ্ধ। আস্তরণ পড়েছে পুরু হয়ে। প্লাস্টিক, কাদা, গোবর জমেছে। কোথাও ঘাস পর্যন্ত জন্মে গিয়েছে। ফলে বর্ষা হলেই কামারহাটির বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ে। খালটি দ্রুত সংস্কার করে নিকাশি ব্যবস্থার উন্নতির দাবিতে সরব হয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা।
নিকাশির হাল খারাপ বলে জমা জলে বাড়ছে মশা ও মাছি। এর উপদ্রবে অতিষ্ট এলাকাবাসী। শুভ্র দত্ত, কিংশুক দাস নামে দুই বাসিন্দা বলেন, অত্যধিক আবর্জনা জমে খালে। জঞ্জাল পড়া আটকাতে হবে। নিয়মিত খাল সংস্কার করতে হবে। পুরসভা ঠুঁটো হয়ে বসে রয়েছে। আর তার ফল ভুগতে হচ্ছে মানুষকে। কামারহাটির পুর চেয়ারম্যান সুশান্ত চট্টোপাধ্যায় বলেন, কেএমডিএ কয়েক মাস আগে খাল সংস্কার করেছে। সেচদপ্তর ও পুরসভাও বিভিন্ন সময় খাল পরিষ্কার করেছে। কিন্তু গোবর, মাটি ও আবর্জনা পড়ে কয়েক মাসের মধ্যে খাল আগের অবস্থায় ফিরে যায়। কেএমডিএ’র সঙ্গে কথা হয়েছে খাল দ্রুত সংস্কার করা নিয়ে।