


রবীন রায়, আলিপুরদুয়ার: আলিপুরদুয়ার জেলার পাঁচটি বিধানসভা আসনে মোট বুথ ১২৫০টি। এর মধ্যে জঙ্গল ঘেরা দু’টি বুথে নৌকায় নদী পেরিয়ে যেতে হবে ভোটকর্মীদের। ওই দু’টি বুথই পড়েছে কুমারগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে। তারজন্য ব্লক প্রশাসনের তরফে নৌকার ব্যবস্থা করে রাখা হচ্ছে।
প্রশাসন সূত্রে খবর, কুমারগ্রাম বিধানসভার ওই দু’টি বুথ হল খোঁয়ারডাঙা-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের ধনতলি টাপু ও কুমারগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের জয়দেবপুর টাপু। বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের পূর্ব ডিভিশনের রায়ডাক ফরেস্ট লাগোয়া দু’টি বুথই চারদিকে রায়ডাক-২ নদী দ্বারা বেষ্টিত। মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন থাকার কারণেই ওই দু’টি বুথে যেতে নৌকার দরকার।
আবার কুমারগ্রাম বিধানসভার ভল্কা-বারোবিশা-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের একেবারে অসম-বাংলা সীমানায় বিষ্ণুনগর মাঝেরডাবরি বুথটিও নদী বেষ্টিত। এই বুথটি মূল ভূখণ্ড থেকে সংকোশ নদী দ্বারা বিচ্ছিন্ন। তবে নদী বেষ্টিত হলেও সংকোশে বাঁশের সাঁকো আছে। বর্তমানে ওই নদীতে জলও তেমন নেই। প্রশাসন জানিয়েছে, বিষ্ণুনগর মাঝেরডাবরিতে ভোটকর্মীদের যেতে কোনোরকম সমস্যা নেই। কুমারগ্রামে চ্যাংমারি গ্রাম পঞ্চায়েতেরও একটি বুথে যেতে হয় ঘোলানি নদী পেরিয়ে। তবে ওই নদীতেও সাঁকো থাকায় সমস্যা নেই। ধনতলি টাপু ও জয়দেবপুর টাপু এই দু’টি বুথে ভোটকর্মীদের ভোটের সরঞ্জাম নিয়ে যেতে হবে রায়ডাক-২ নদী পার হয়ে।
কুমারগ্রাম ব্লক নির্বাচনি আধিকারিক তথা বিডিও সন্দীপ ধারা বলেন, ধনতলি টাপু ও জয়দেবপুর টাপু এই দু’টি বুথে ভোটকর্মীদের যেতে হবে নৌকা করে। কারণ মাঝে রয়েছে রায়ডাক-২ নদী। সেই জন্য ভোটকর্মীদের যাতে কোনো অসুবিধা না হয় তাই আগাম নৌকার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এছাড়াও ব্লকে আরও কয়েকটি বুথ আছে যেগুলিতে সরাসরি যাওয়া যায় না। মাঝে নদী রয়েছে। তবে সেসব বুথে যাওয়ার জন্য বাঁশের সাঁকো আছে।