Bartaman Logo
২১ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ধর্ষণ, যৌন হেনস্তায় ই-এফআইআর হলে পুলিশকে যেতে হবে অভিযোগকারীর বাড়ি, নির্দেশ ডিরেক্টরেটের

ধর্ষণ ও যৌন হেনস্তার ঘটনায় ই-এফআইআর হলে অভিযোগকারীর বাড়িতে যাবে পুলিশ। দ্রুত পদক্ষেপের উদ্দেশ্যে নতুন নির্দেশিকা। বিস্তারিত পড়ুন।

ধর্ষণ, যৌন হেনস্তায় ই-এফআইআর হলে পুলিশকে যেতে হবে অভিযোগকারীর বাড়ি, নির্দেশ ডিরেক্টরেটের
  • ২১ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ধর্ষণ, যৌন নির্যাতন, শ্লীলতহানির মতো ঘটনায় ই-এফআইআর দায়ের হলে থানা থেকে পুলিশ অফিসারকে অভিযোগকারিণীর কাছে যেতে হবে। তাঁর সঙ্গে কথা বলে সইসহ অভিযোগের কপি সংগ্রহ করবে থানা। অন্য কোনো জঘন্য বা নিষ্ঠুর অপরাধের ঘটনায়ও ই-এফআইআরের ক্ষেত্রে একই ব্যবস্থা নেবে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করতে এক গুচ্ছ নির্দেশিকা সমস্ত জেলায় পাঠানো হয়েছে পুলিশ ডিরেক্টরেটের তরফে। সেই সঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতিদিন নির্দিষ্ট পোর্টালে গিয়ে ই-এফআইআরগুলি ‘চেক’ করতে হবে থানার ওসিদের।

Advertisement

বিএনএসএস (ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা)-এ ই-এফআইআরের সুবিধার কথা বলা হলেও পূর্বতন সরকার তা চালু করার কোনো উদ্যোগ দেখায়নি। এখন পুলিশের মূল উদ্দেশ্য হল জঘন্য অপরাধের ক্ষেত্রে দ্রুত পদক্ষেপ করা। তথ্যপ্রমাণ নষ্ট ও ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার প্রবণতাও এভাবে আটকানো সম্ভব বলে মনে করা হচ্ছে। রাজ্যে পালাবদলের পর নয়া সরকার ই-এফআইআর চালুর উদ্যেগ নেয়। সেই মতো পরিকাঠামো তৈরির উপর জোর দেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, বিভিন্ন জেলার প্রত্যন্ত কিছু এলাকায় ইন্টারনেট সংযোগের সমস্যা রয়েছে। তাছাড়া, সমস্ত থানা এখনও সিসিটিএনএস প্রজেক্টে অন্তর্ভুক্ত হয়নি। তবে সিংহভাগ থানায় তা চালু হয়ে গিয়েছে। ই-এফআইআরের ক্ষেত্রে থানার ভূমিকা কী হবে, তা নির্দিষ্ট করে জানিয়েছে ডিরেক্টরেট। তাতে বলা হয়েছে, প্রত্যেক জেলা পুলিশ বা কমিশনারেটের ওয়েবসাইটে ‘রিপোর্ট ক্রাইম’ বলে একটি কলাম থাকবে। সেটি সংযুক্ত থাকবে সিসিটিএনএসের সঙ্গে। ওই সেকশনে গিয়ে অভিযোগ লিপিবদ্ধ করা যাবে। আদালত ধর্তব্য অপরাধ হলে পুলিশ অফিসার তিনদিনের মধ্যে অভিযোগকারীর কাছ থেকে সই করা অভিযোগপত্র সংগ্রহ করবেন। বয়স্ক এবং বিশেষভাবে সক্ষম কেউ ই-এফআইআর করলেও পুলিশ তাঁদের বাড়িতে যাবে অভিযোগপত্র নিতে। কী ব্যবস্থা নেওয়া হল, সেটি অভিযোগপত্র নিতে যাওয়া অফিসারই সিসিটিএনএস পোর্টালে তুলে দেবেন। সাত বছরের সর্বোচ্চ সাজা রয়েছে, এমন অপরাধের ক্ষেত্রে ডিএসপিরাই প্রাথমিক অনুন্ধান করবেন। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ