Bartaman Logo
৩০ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

কলকাতা পুরসভার জন্ম-মৃত্যু শংসাপত্রের রেকর্ড রুম ঘুরে হতভম্ব পুলিশ

৫৫ লক্ষ পৃষ্ঠা! কলকাতা পুরসভার রেকর্ড রুমে গিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের জন্ম এবং মৃত্যু সংক্রান্ত শংসাপত্রের এই ‘সম্ভার’ দেখে রীতিমতো হতভম্ব পুলিশ আধিকারিকরা।

কলকাতা পুরসভার জন্ম-মৃত্যু শংসাপত্রের  রেকর্ড রুম ঘুরে হতভম্ব পুলিশ
  • ৩০ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ৫৫ লক্ষ পৃষ্ঠা! কলকাতা পুরসভার রেকর্ড রুমে গিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের জন্ম এবং মৃত্যু সংক্রান্ত শংসাপত্রের এই ‘সম্ভার’ দেখে রীতিমতো হতভম্ব পুলিশ আধিকারিকরা। এবার এই বিপুল সংখ্যক পাতার ডিজিটাল সংরক্ষণ কীভাবে সম্ভব, তাও কত দিনে, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন পুরসভার অন্দরে।

Advertisement

সম্প্রতি রাজ্যের সমস্ত পুরসভা এবং পঞ্চায়েতে ভুয়ো জন্ম এবং মৃত্যু শংসাপত্র ধরতে একযোগে একদিনে অভিযান চালায় পুলিশ। নবান্নের নির্দেশে চলে অভিযান। বিভিন্ন পুরসভা এবং পঞ্চায়েতের হাতে থাকা জন্ম ও মৃত্যু শংসাপত্রের রেজিস্টার খাতা নিজেদের হেপাজতে নেয় পুলিশ। জানা গিয়েছে, এত বছরের সমস্ত পুরনো কপি ডিজিটালি সংরক্ষণ করা হবে। সেই সূত্রে কলকাতা পুরসভাতেও এসেছিলেন উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকরা। পুরসভার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের অফিসে বৈঠক হয়। বর্তমানে কলকাতা পুরসভা জন্ম এবং মৃত্যুর শংসাপত্রের রেকর্ড তিন থেকে চারটি রুমে ভাগাভাগি করে রাখা হয়। সূত্রের খবর, সেই সব রুম ঘুরে রেকর্ড দেখে চোখ কপালে পুলিশ আধিকারিকের। জানা গিয়েছে, প্রায় ৫৫ লক্ষ পৃষ্ঠা রয়েছে। যেখানে কোন পৃষ্ঠায় দুটি, কোথাও আবার একটি করে জন্ম এবং মৃত্যুর তথ্য লেখা রয়েছে। এভাবে প্রায় দেড় কোটি মানুষের জন্ম এবং মৃত্যু শংসাপত্রের তথ্য রয়েছে। পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের আধিকারিকরা কৌতুক করে জানাচ্ছেন, এটা চিত্রগুপ্তের জাবদা খাতার থেকে কিছু কম নয়! আমাদের অনুমান প্রায় ৫৫ লক্ষ পৃষ্ঠা এবং দেড় কোটি মানুষের জন্ম এবং মৃত্যুর নথি রয়েছে। ডিজিটাল সংরক্ষণ করতে হলে সবটা স্ক্যান করতে হবে। তার আগে প্রতিটা পাতা খতিয়ে দেখতে হবে। গোনার পর সেই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। এত বিপুল তথ্য কত দিনের সংরক্ষণ করা সম্ভব, সেটাই আমাদের মাথায় ঢুকছে না।
আধিকারিকদের একাংশের বক্তব্য, কোন সাল থেকে জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্র সংক্রান্ত তথ্যের ডিজিটাল সংরক্ষণ করা হবে, তা অবশ্য স্পষ্ট নয়। আপাতত পুরসভাকে কিছু জানানো হয়নি। তবে পুলিশ বর্তমানে একটি রেকর্ডরুমের নথিপত্র নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে। পুরসভাতেই তালাবন্ধ একটি নির্দিষ্ট ঘরে তা রাখা রয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ