Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

কমিশনের নির্দেশে তৃণমূল নেতাদের পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তারক্ষীও তুলে নিল পুলিশ

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে তৃণমূলের বহু নেতা ও জনপ্রতিনিধির নিরাপত্তারক্ষী তুলে নেওয়া হয়েছে। দুই ২৪ পরগনার একঝাঁক নেতা কমিশনের নির্দেশে ‘নিরাপত্তাহীন’!

কমিশনের নির্দেশে তৃণমূল নেতাদের পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তারক্ষীও তুলে নিল পুলিশ
  • ৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:০৪
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা: নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে তৃণমূলের বহু নেতা ও জনপ্রতিনিধির নিরাপত্তারক্ষী তুলে নেওয়া হয়েছে। দুই ২৪ পরগনার একঝাঁক নেতা কমিশনের নির্দেশে ‘নিরাপত্তাহীন’! সেই সঙ্গে অনেক ব্যবসায়ীর নিরাপত্তাও তুলে নেওয়া হয়েছে। এই আবহে নিরাপত্তার প্রশ্নে উঠে আসছে নানা প্রশ্নও।  

Advertisement

বিহারের মাফিয়া সুবোধ সিংয়ের গ্যাংয়ের হাতে আক্রান্ত বারাকপুরের ব্যবসায়ী অজয় মণ্ডলের নিরাপত্তারক্ষী তুলে নেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ১৫ জুন বেলঘরিয়ার রথতলা মোড়ে অজয়ের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলিবৃষ্টি করে সুবোধ বাহিনী। কপাল জোরে প্রাণে বেঁচে যান ওই ব্যবসায়ী। এখনও মাঝেমধ্যে তাঁর কাছে ‘থ্রেট কল’ আসে বলে অভিযোগ। সংশ্লিষ্ট মামলাটি এখনো বারাকপুরের তৃতীয় অতিরিক্ত দায়রা বিচারকের আদালতে বিচারাধীন। ঘটনার পর ওই ব্যবসায়ীকে দু’জন সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী দিয়েছিল বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট। শুক্রবার আচমকাই তাঁর সরকারি নিরাপত্তারক্ষী তুলে নেওয়া হয়। তারপর থেকে আতঙ্কে বাড়ি থেকে বেরনোই বন্ধ করে দিয়েছেন ওই ব্যবসায়ী। 
বারাকপুরের রেস্তরাঁ ব্যবসায়ী তাপস ভকতের কাছেও তোলা চেয়ে হুমকি ফোন এসেছিল। তখন তাঁর জন্যও নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন করা হয়। কমিশনের নির্দেশে সেই নিরাপত্তারক্ষী তুলে নেওয়া হয়েছে। আতঙ্কিত হয়ে তিনি চিঠি লিখেছেন এসডিও-কে। তাঁর অভিযোগ, ‘নির্বাচন কমিশন তুঘলকি কাজকর্ম করে চলেছে। আমাদের যদি কিছু হয়, দায়ী থাকবে ওরাই।’ 
এদিকে, ভাঙড়ের একাধিক নেতার নিরাপত্তা শুক্রবার রাত থেকেই তুলে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। ফলে ক্যানিং পূর্বের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী বাহারুল ইসলাম থেকে শুরু করে একাধিক পঞ্চায়েত ও জেলা পরিষদের নেতার সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। এতে উদ্বিগ্ন তাঁরা। বাহারুল বলেন, ‘আমি তিনজন নিরাপত্তারক্ষী পেতাম। এখানে যেভাবে বিরোধীরা বোমা-বন্দুকের রাজনীতি করে, তাতে ভোটের সময় নিরাপত্তা তুলে নেওয়ায় কিছুটা হলেও আতঙ্কে আছি।’ জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল ভাঙড়। তারপর একাধিক তৃণমূল নেতা আবেদন করে নিরাপত্তা পেয়েছিলেন। সেই তালিকায় ছিলেন খাইরুল ইসলাম, মমিনুল ইসলাম, আহছান মোল্লা, শাহজাহান মোল্লা সহ অনেকে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে তাঁরা অনেকেই আতঙ্কিত। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ