নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিভিন্ন হোটেল-রেস্তঁরায় অভিযান চালাতে গিয়ে ধরা পড়ছে পচা মাংস। এগুলি আসছে কোথা থেকে, তার খোঁজ করতে গিয়ে পুলিশকে ভাবাচ্ছে আট বছর আগে শোরগোল ফেলে দেওয়া ভাগাড় বিশু ওরফে বিশ্বনাথ ঘোড়ুইয়ের নেটওয়ার্কের কথা। এই চক্রই কলকাতার বিভিন্ন হোটেল, রেস্তঁরায় পচা মাংস সরবরাহ করত বলে তদন্তে উঠে এসেছিল। সেই একই বিষয় সামনে আসায় ভাগাড় বিশুর গতিবিধি ও কাজকর্ম নিয়ে খোঁজখবর শুরু করেছেন আধিকারিকরা। এমনকি, তার শাগরেদরা এখন কী কাজ করছে, সেই তথ্যও জোগাড়ের কাজ চলছে। ২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে বজবজের এক ভাগাড় থেকে পশুর পচা মাংস বিভিন্ন হোটেল-রেস্তঁরায় পাঠানোর সময় হাতেনাতে তা ধরে ফেলেন স্থানীয়রা। গ্রেপ্তার করা হয় এই কারবারের মূল মাথা ভাগাড় বিশু সহ ১২ জনকে। উত্তর ২৪ পরগনাতেও তার এই বেআইনি কারবারের সন্ধান মেলে। বজবজের মামলার বিচারপর্ব এখনও চলছে। উত্তর ২৪ পরগনার মামলায় বনগাঁ আদালত বিশুকে বেকসুর খালাস করেছে। পালাবদলের পর বিভিন্ন হোটেল-রেস্তঁরা থেকে মিলেছে পচা মাংস। এক্ষেত্রে ভাগাড়ের মৃত পশু কেটে সেগুলি দোকানে পাঠানো হচ্ছে কি না, তাই নিয়ে তদন্ত চলছে। ভাগাড় বিশু বা তার দলবল নতুন করে এই কারবার চালাচ্ছে কি না, তা নিয়ে তথ্য জোগাড় করা হচ্ছে।



