Bartaman Logo
৩ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ডায়মন্ডহারবারে কাউন্সিলার ও ভাইস চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

ডায়মন্ডহারবারে জমি ব্যবসায়ীর ১২ লক্ষ টাকা তোলাবাজির অভিযোগ। ভাইস চেয়ারম্যান ও কাউন্সিলার অস্বীকার করেছেন। বিস্তারিত পড়ুন।

ডায়মন্ডহারবারে কাউন্সিলার ও ভাইস চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ
  • ৩ জুন, ২০২৬ ০৪:০০

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: দু’টি ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ডহারবার ও ভাঙড়ে। জমি ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ১২ লক্ষ টাকা তোলাবাজির অভিযোগ উঠল ডায়মন্ডহারবার পুরসভার তৎকালীন ভাইস চেয়ারম্যান ও এক তৃণমূল কাউন্সিলারের বিরুদ্ধে। ডায়মন্ডহারবার থানায় অভিযোগও দায়ের করেছেন ব্যবসায়ী নারায়ণচন্দ্র হালদার। তাঁর দাবি, তিনি একটি জমি কিনেছিলেন। কিন্তু সেখানে যাতায়াত করার জন্য রাস্তার সমস্যা ছিল। বিষয়টি সমাধান করতে ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার দিব্যেন্দু হালদার ও ভাইস চেয়ারম্যান দুই ধাপে ১২ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন। কিন্তু সমস্যায় সমাধান হয়নি। টাকাও ফেরত পাননি তিনি। এ নিয়ে বলতে গেলে তাঁকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ ওই ব্যবসায়ীর। এদিকে ভেঙে যাওয়া পুরবোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান রাজর্ষি দাস ব্যবসায়ীর যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ওই জমিতে যাতায়াতের জন্য আগে থেকে রাস্তার সমস্যা ছিল। ভুল তথ্য দিয়ে ১২ জনকে জমি বিক্রি করেছিলেন ব্যবসায়ী। রাস্তার অভাবে মিউটেশনে সমস্যা হয়। জমিটিতে যাওয়ার জন্য যে রাস্তা রয়েছে তা অন্য ব্যক্তির। তবে টাকা নেওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যে বলে দাবি করেছেন ভাইস-চেয়ারম্যান ও কাউন্সিলার দু’জনই।

Advertisement

অন্যদিকে, ক্যানিং পূর্বের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লা ঘনিষ্ঠ ভাঙড়ের ছেলেগোয়ালিয়া গ্রামের এক তৃণমূল কর্মীকে গ্রেপ্তার করল উত্তর কাশীপুর থানার পুলিশ। ধৃতের নাম শফিকুল মোল্লা। তাঁর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, নির্বাচনের দিন তাজা বোমা মজুত করেছিলেন শফিকুল। তাছাড়া নির্বাচনের তিনদিন আগে তাঁর বাড়ির কাছে একটি আমগাছের নীচ থেকেও ৯টি বোমা উদ্ধার করেছিল উত্তর কাশিপুর থানার পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই গা-ঢাকা দেয় ওই তৃণমূল কর্মী। সোমবার রাতে এলাকায় ফিরতেই তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পাশাপাশি, জীবনতলা থানার মঠেরদিঘি এলাকায় এক তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে উদ্ধার হল ৮৯ রাউন্ড কার্তুজ। তার নাম জাভেদ শেখ। তিনি স্থানীয় এক প্রভাবশালী নেতার ঘনিষ্ঠ। বাড়িতে অভিযান চলার সময় কেউ ছিলেন না। পুলিশ ওই তৃণমূল নেতার খোঁজ শুরু করেছে। পুলিশ যখন তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছিল, তখন ঘটনাস্থলে বিজেপি নেতা কর্মীদের ভিড় দেখা যায়। পুলিশ ঠিক মত কাজ করেছে কিনা সে ব্যাপারেও এক নেতাকে খোঁজখবর নিতে দেখা গিয়েছে।

সম্পর্কিত সংবাদ