নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: পঞ্চায়েতের নাকের ডগায়, পঞ্চায়েতেরই রোপণ করা গাছ কেটে নিল দুষ্কৃতীরা। গ্রামবাসীদের বক্তব্য, পঞ্চায়েত কর্তাদের মদতেই এই কাজ হচ্ছে। চোখ কপালে তুলে দেওয়া ঘটনাটি ঘটেছে ডোমজুড়ের রুদ্রপুর পঞ্চায়েতে।
Advertisement
অভিযোগ, এখানে সরকারি জমির উপর বিশাল আকারের গাছ ছিল। দিনের পর দিন রাতের অন্ধকারে এসে গাছ কেটে নিয়ে পাচার করছে দুষ্কৃতীরা। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বিডিও। জানা গিয়েছে, ডোমজুড়ের জাবদাপোতা থেকে ছোট খসমোরা পর্যন্ত প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার রাস্তার দু’পাশে একসময় প্রচুর বড় আকারের গাছ ছিল। রুদ্রপুর পঞ্চায়েতও রাস্তার দু’পাশে সরকারি জমিতে বসিয়েছিল শিরিষ, কদম, জাম, বট সহ বিভিন্ন ধরনের গাছ। রাস্তার পাশে শুধু নয়, একটি খালের বাঁধের পাশেও গাছ বসানো হয়েছিল। ফলে এই এলাকায় সবুজায়ন গিয়েছিল বেড়ে। বাঁধের জমি শক্তপোক্ত হয়ে উঠেছিল। অভিযোগ, হঠাৎ গত কয়েক মাস ধরে একদল দুষ্কৃতী এসে সব গাছ কেটে নিচ্ছে। ছোট লরি আনছে তারা। তাতে কাটা গাছ ভরে পাচার করে দিচ্ছে। এখনও পর্যন্ত রাস্তার পাশ থেকে কম করে একশোরও বেশি গাছ কেটে ফেলেছে তারা। প্রশাসন সব জেনেও নিরুত্তর বলে দাবি গ্রামবাসীদের। এখন ওই রাস্তায় গেলে কেটে ফেলা তরতাজা গাছের গুঁড়ি চোখে পড়বে। সরকারি জমির উপর থাকা গাছ এভাবে নির্বিচারে কেটে ফেলা হচ্ছে কীভাবে? মদত দিচ্ছে কে? গ্রামবাসীদের অভিযোগ, ‘রুদ্রপুর পঞ্চায়েতের মদতেই একশ্রেণির অসাধু কাঠ ব্যবসায়ী দুষ্কৃতীদের কাজে লাগিয়ে এই গাছ কেটে বিক্রি করছে। গাছগুলোর জন্য গ্রীষ্মের সময় ছায়া মিলত। খালের উপর থাকা বাঁধের জমি শক্তপোক্ত ছিল। কিন্তু সরকারি নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে শতাধিক গাছ ইতিমধ্যেই কেটে ফেলা হয়েছে। পঞ্চায়েত এ খবর জানে না, তা হতেই পারে না। প্রশাসন সব জানে। তবে ইচ্ছে করে কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না।’
পঞ্চায়েতের নাকের ডগায় এত সংখ্যক বহুমূল্য গাছ কেটে ফেলা হলেও ‘কারা এই কাজের সঙ্গে যুক্ত তা জানা নেই’ বলে দায় এড়িয়েছেন পঞ্চায়েত প্রধান। রুদ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান অঞ্জন গুহ বলেন, ‘কারা গাছ কেটেছে এ সম্পর্কে কিছুই জানি না। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পঞ্চায়েতের তরফেই গাছ লাগানো হয়েছিল। ফাঁকা জমিতে নতুন করে আবার লাগানো হবে।’ এই বলে পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন প্রধান। বিষয়টিকে বিরোধীদের চক্রান্ত বলেও দেগে দিয়েছেন। বলেছেন, ‘পঞ্চায়েত কখনই এভাবে গাছ কাটতে পারে না। বিরোধীরা মিথ্যে অভিযোগ তুলছে।’ আর ডোমজুড়ের বিডিও বরেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য বলেছেন, ‘এখনও পর্যন্ত গাছ কাটা নিয়ে কোনও লিখিত অভিযোগ আসেনি। তবে এমন ঘটনা ঘটে থাকলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পঞ্চায়েতের নাকের ডগায় এত সংখ্যক বহুমূল্য গাছ কেটে ফেলা হলেও ‘কারা এই কাজের সঙ্গে যুক্ত তা জানা নেই’ বলে দায় এড়িয়েছেন পঞ্চায়েত প্রধান। রুদ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান অঞ্জন গুহ বলেন, ‘কারা গাছ কেটেছে এ সম্পর্কে কিছুই জানি না। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পঞ্চায়েতের তরফেই গাছ লাগানো হয়েছিল। ফাঁকা জমিতে নতুন করে আবার লাগানো হবে।’ এই বলে পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন প্রধান। বিষয়টিকে বিরোধীদের চক্রান্ত বলেও দেগে দিয়েছেন। বলেছেন, ‘পঞ্চায়েত কখনই এভাবে গাছ কাটতে পারে না। বিরোধীরা মিথ্যে অভিযোগ তুলছে।’ আর ডোমজুড়ের বিডিও বরেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য বলেছেন, ‘এখনও পর্যন্ত গাছ কাটা নিয়ে কোনও লিখিত অভিযোগ আসেনি। তবে এমন ঘটনা ঘটে থাকলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’



