নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া: ইনকাম সার্টিফিকেট হোক বা রেসিডেন্সিয়াল সার্টিফিকেট-জরুরি নথির জন্য গ্রামের মানুষের পঞ্চায়েত সদস্যের দুয়ারে বা সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে ছুটে ছুটে হয়রানির দিন শেষ। চলতি বছরের শুরু থেকেই অনলাইনে মিলছে এই পরিষেবাগুলি। তবে, পঞ্চায়েত দপ্তরের প্রচারের অভাবে সেভাবে গতি পাচ্ছে না অনলাইন পরিষেবা। জেলার পঞ্চায়েত দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, অনলাইনে শংসাপত্রের আবেদনে গতি আনতে সবরকম চেষ্টা করা হচ্ছে। বাসিন্দাদের অনেকেই অনলাইনের সার্টিফিকেট ইস্যুর ব্যাপারে সচেতন নয়। আবেদনকারীদের এব্যাপারে সচেতন করা হচ্ছে। তাঁরা চাইলে বাংলা সহায়তা কেন্দ্র থেকেও সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করতে পারেন।
Advertisement
জাতিগত শংসাপত্রের আবেদনের জন্য পঞ্চায়েত প্রধানের শংসাপত্র, ক্যারেক্টার সার্টিফিকেট, ব্যক্তি পরিচয়পত্র, রেসিডেন্সিয়াল সার্টিফিকেট, ইনকাম সার্টিফিকেট মিলবে অনলাইনে। চাকরির ক্ষেত্রে বা উচ্চশিক্ষা সহ নানা প্রয়োজনে এসব শংসাপত্রের দরকার পড়ে। এর পাশাপাশি তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে ডিসট্যান্স সার্টিফিকেটকেও। বিশেষ করে কলেজ-ইউনিভার্সিটির পড়ুয়াদের কাজে লাগে এই শংসাপত্র। পঞ্চায়েত দপ্তর সূত্রের দাবি, যে কেউ মোবাইল ফোন থেকেই শংসাপত্রের জন্য আবেদন করতে পারবেন। ফোনে ‘বাংলার পঞ্চায়েত’ অ্যাপ ডাউনলোড করে ‘জিপি সার্টিফিকেট’ অপশনে ঢুকে আবেদন করতে হবে। একসঙ্গে একাধিক শংসাপত্রের জন্য আবেদন করা যাবে। নির্দিষ্ট কয়েকটি নথি ও তথ্য আপলোড করলে একসপ্তাহের আগেই মিলবে সার্টিফিকেট। তবে, আবেদনকারীকে প্রথমেই দিতে হবে নিজের মোবাইল নম্বর। তাঁর মোবাইলে পাঠানো ওটিপি দিলে তবেই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হবে। একজনের সার্টিফিকেট যাতে অন্য কেউ ডাউনলোড করতে না পারে, তাই এই ব্যবস্থা।
পঞ্চায়েত দপ্তরের দাবি, অনেক সময় দেখা যায় সাধারণ একটি শংসাপত্রের জন্য মানুষকে চূড়ান্ত দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। পঞ্চায়েত কার্যালয়ে হত্যে দিয়ে পড়ে থাকতে হয় কখনও কখনও। মানুষের এই ভোগান্তি একেবারেই পছন্দ নয় মুখ্যমন্ত্রীর। তাই এই অনলাইন পরিষেবা চালু করে পরিষেবাগুলি লাল ফিতের ফাঁস থেকে মুক্ত করেছে প্রসাশন। তবে, শুধুই কি এই কারণ? পঞ্চায়েত দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, অনলাইনে এই ব্যবস্থা চালুর পিছনে আরও একাধিক কারণ রয়েছে। ওই আধিকারিকের দাবি, এতদিন কাদের সার্টিফিকেট দেওয়া হচ্ছে, তার কোনও নথি থাকত না পঞ্চায়েতে। পঞ্চায়েত সদস্য বা প্রধানরা যাঁকে মনে করতেন, শংসাপত্র দিয়ে দিতেন। অনেক জনপ্রতিনিধি তো স্রেফ বিশ্বাসের উপর ভর করে ফাঁকা শংসাপত্রে পর্যন্ত সই করে দিয়ে দিতেন। সেইসব শংসাপত্র নিয়ে জালিয়াতিও হয়েছে প্রচুর।
ওই আধিকারিকের দাবি, বহু পড়শি রাজ্যের বাসিন্দা, এমনকী বাংলাদেশি পর্যন্ত এরাজ্যের বিভিন্ন পঞ্চায়েত জনপ্রতিনিধিদের থেকে অর্থের বিনিময়ে রেসিডেন্সিয়াল সার্টিফিকেট কিনে নিচ্ছে। যার পরিণতি হচ্ছে ভয়ঙ্কর। অনলাইনে আবেদন করার ফলে সেই তথ্য যেমন সরকারের কাছে থাকবে, তেমনই স্বচ্ছতা বজায় থাকবে। তাছাড়া, আগে সার্টিফিকেট দেওয়ার ক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধিদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হতো। রাজনৈতিক প্রভাবও থাকত। নতুন নিয়মে ইচ্ছা করলেই কাউকে সার্টিফিকেট থেকে বঞ্চিত করা যাবে না। সেক্ষেত্রে দর্শাতে হবে উপযুক্ত কারণ।
পঞ্চায়েত দপ্তরের দাবি, অনেক সময় দেখা যায় সাধারণ একটি শংসাপত্রের জন্য মানুষকে চূড়ান্ত দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। পঞ্চায়েত কার্যালয়ে হত্যে দিয়ে পড়ে থাকতে হয় কখনও কখনও। মানুষের এই ভোগান্তি একেবারেই পছন্দ নয় মুখ্যমন্ত্রীর। তাই এই অনলাইন পরিষেবা চালু করে পরিষেবাগুলি লাল ফিতের ফাঁস থেকে মুক্ত করেছে প্রসাশন। তবে, শুধুই কি এই কারণ? পঞ্চায়েত দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, অনলাইনে এই ব্যবস্থা চালুর পিছনে আরও একাধিক কারণ রয়েছে। ওই আধিকারিকের দাবি, এতদিন কাদের সার্টিফিকেট দেওয়া হচ্ছে, তার কোনও নথি থাকত না পঞ্চায়েতে। পঞ্চায়েত সদস্য বা প্রধানরা যাঁকে মনে করতেন, শংসাপত্র দিয়ে দিতেন। অনেক জনপ্রতিনিধি তো স্রেফ বিশ্বাসের উপর ভর করে ফাঁকা শংসাপত্রে পর্যন্ত সই করে দিয়ে দিতেন। সেইসব শংসাপত্র নিয়ে জালিয়াতিও হয়েছে প্রচুর।
ওই আধিকারিকের দাবি, বহু পড়শি রাজ্যের বাসিন্দা, এমনকী বাংলাদেশি পর্যন্ত এরাজ্যের বিভিন্ন পঞ্চায়েত জনপ্রতিনিধিদের থেকে অর্থের বিনিময়ে রেসিডেন্সিয়াল সার্টিফিকেট কিনে নিচ্ছে। যার পরিণতি হচ্ছে ভয়ঙ্কর। অনলাইনে আবেদন করার ফলে সেই তথ্য যেমন সরকারের কাছে থাকবে, তেমনই স্বচ্ছতা বজায় থাকবে। তাছাড়া, আগে সার্টিফিকেট দেওয়ার ক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধিদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হতো। রাজনৈতিক প্রভাবও থাকত। নতুন নিয়মে ইচ্ছা করলেই কাউকে সার্টিফিকেট থেকে বঞ্চিত করা যাবে না। সেক্ষেত্রে দর্শাতে হবে উপযুক্ত কারণ।



