নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: মানুষকে সরকারি পরিষেবা থেকে বঞ্চিত করা যাবে না নির্দেশিকা রয়েছে নবান্নের। অথচ দীর্ঘদিন ধরে এলাকা উন্নয়ন তহবিলের টাকা পড়ে রয়েছে। তাই, পড়ে থাকা টাকা দ্রুত খরচ করতে পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতিকে কড়া নির্দেশ দিল জেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার বারাসতের রবীন্দ্রভবনে ত্রিস্তরীয় প্রশাসনিক কর্তাদের নিয়ে ‘রিভিউ বৈঠক’ হয়। সেখানেই দেওয়া হয়েছে কড়া দাওয়াই।
Advertisement
উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় বেশ কিছু পঞ্চায়েত বা পঞ্চায়েত সমিতিতে পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকা পড়ে আছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, ৫৬ কোটি ৭৪ লক্ষ ৮৪ হাজার ২৯০ টাকা বরাদ্দ হয়েছে জেলার ২২টি পঞ্চায়েত সমিতিতে। তবে সরকারি হিসেব অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে, মোট টাকার অর্ধেকর কাছাকাছি পড়ে রয়েছে ফান্ডে। মাত্র ৩৫ কোটি ৫২ লক্ষ ২৬ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। অর্থাৎ মোটের উপর ৬২ শতাংশ টাকা পঞ্চায়েত সমিতিগুলি খরচ করেছে। সরকারি পরিসংখ্যান বলছে, জেলার মধ্যে বেশি টাকা খরচ হয়েছে হাবড়া ১ নম্বর ব্লকে। আর সবচেয়ে কম খরচ করেছে হিঙ্গলগঞ্জ।
এদিনের রিভিউ বৈঠকে আধিকারিকদের এ ব্যাপারে সচেতন করে দেন জেলার কর্তারা। দ্রুত কাজের টেন্ডার করে টাকা খরচ করতে বলা হয়েছে। দেওয়া হয়েছে ‘টার্গেট’। এনিয়ে এক পদস্ত কর্তা বলেন, মূলত বাংলার বাড়ি প্রকল্প নিয়ে যাতে কোথাও কোনও বিতর্ক না হয় সেই দিকটা নজর দেওয়ার কথা বলে হয়েছে।
একইসঙ্গে পঞ্চদশ অর্থ কমিশন বা পঞ্চম রাজ্য অর্থ কমিশনের টাকা খরচ নিয়েও কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া রাস্তার খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি পিএইচই প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন করার কথা বলা হয়েছে। ওই কর্তা আরও বলেন, গতবার পর্যালোচনা বৈঠকে কিছু ব্লকের কাজে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন জেলার কর্তারা। এবারও কিছু ব্লকের সার্বিক কাজ নিয়ে অসন্তুষ্ট জেলার শীর্ষকর্তাদের একাংশ।
এদিনের রিভিউ বৈঠকে আধিকারিকদের এ ব্যাপারে সচেতন করে দেন জেলার কর্তারা। দ্রুত কাজের টেন্ডার করে টাকা খরচ করতে বলা হয়েছে। দেওয়া হয়েছে ‘টার্গেট’। এনিয়ে এক পদস্ত কর্তা বলেন, মূলত বাংলার বাড়ি প্রকল্প নিয়ে যাতে কোথাও কোনও বিতর্ক না হয় সেই দিকটা নজর দেওয়ার কথা বলে হয়েছে।
একইসঙ্গে পঞ্চদশ অর্থ কমিশন বা পঞ্চম রাজ্য অর্থ কমিশনের টাকা খরচ নিয়েও কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া রাস্তার খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি পিএইচই প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন করার কথা বলা হয়েছে। ওই কর্তা আরও বলেন, গতবার পর্যালোচনা বৈঠকে কিছু ব্লকের কাজে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন জেলার কর্তারা। এবারও কিছু ব্লকের সার্বিক কাজ নিয়ে অসন্তুষ্ট জেলার শীর্ষকর্তাদের একাংশ।



