সংবাদদাতা, পুরুলিয়া: খোদ পুলিসেরই পকেটমারি! তখন বিকেল প্রায় চারটে। কাঁসাই নদীর তীরে সরকারি টুসু পরবের মঞ্চে একাধিক বিশিষ্ট অতিথি। সেই সময়ে হন্তদন্ত হয়ে মঞ্চের কাছে ছুটে এলেন এক পুলিসকর্মী। সঞ্চালককে ডেকে বললেন, মহিলা থানার ওসির মোবাইল চুরি হয়েছে। অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে ঘোষণা করে দিতে হবে। এহেন অনুরোধ শুনে খানিক থমকে যান সঞ্চালক। ধাতস্থ হয়ে জিজ্ঞেস করেন, পুলিস আধিকারিকের মোবাইল চুরি হয়েছে এ কথা ঘোষণা করা যাবে কিনা। পুলিসকর্মীর সায় পেয়ে মঞ্চ থেকেই ঘোষণা করেন, ‘পুরুলিয়ার মহিলা থানার ওসির সরকারি মোবাইল ফোনটি হারিয়ে গিয়েছে। কোনও সহৃদয় ব্যক্তি তা পেয়ে থাকলে দ্রুত পুলিসকে জমা দিন। ফোন জমা দিয়ে দিলে ভয়ের কোনও কারণ নেই।’
Advertisement
ঘোষণা শুনে মঞ্চে উপস্থিত অতিথি থেকে দর্শকদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়। সন্ধ্যা পর্যন্ত মোবাইল ফোনটি পাওয়া যায়নি বলেই পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে।
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার মকর সংক্রান্তিতে অন্যান্য বছরের মতোই কাঁসাই নদীর তীরে টুসু পরবের আয়োজন করে মানভূম কালচারাল অ্যাকাডেমি। ওই অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের সভাধিপতি থেকে শুরু করে পুরুলিয়া পুরসভার চেয়ারম্যান সহ একাধিক সরকারি আধিকারিক উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন মানভূম কালচারাল অ্যাকাডেমির অন্যতম সদস্য সুদিন অধিকারী। তিনি বলেন, তখনও ছৌ নাচ হয়নি। একজন পুলিস কনস্টেবল এসে জানালেন, মহিলা থানার ওসির মোবাইল ফোনটি ‘পিক পকেট’ হয়েছে। শুনে খানিকটা হতভম্ব হয়ে যাই। পুলিস আধিকারিকের পিক পকেট হওয়ার বিষয়টি মাইকে বলা যাবে কিনা আরও একবার ওই পুলিসকর্মীর কাছে জানতে চেয়েছিলাম। তিনি বলতেই বলেছিলেন। কিন্তু মাইক নিয়ে বলার সময় ‘চুরি গিয়েছে’ বলতে পারিনি। ঘোষণা করেছিলাম, মহিলা থানার ওসির মোবাইল ফোনটি হারিয়ে গিয়েছে। তখন মঞ্চে কর্মাধ্যক্ষ তথা মানভূম কালচারাল অ্যাকাডেমির চেয়ারম্যান হংসেশ্বর মাহাত, কো মেন্টর জয় বন্দ্যোপাধ্যায়ও উপস্থিত ছিলেন। একাধিকবার ঘোষণা করা হলেও অনুষ্ঠান চলা পর্যন্ত মোবাইল ফেরত পাওয়া যায়নি। মানভূম কালচারাল অ্যাকাডেমির চেয়ারম্যান তথা পুরুলিয়া জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ হংসেশ্বর মাহাত বলেন, সে সময়ে মঞ্চেই ছিলাম। বিষয়টি শুনে হতবাক হই। প্রথমে ভেবেছিলাম হারিয়ে গিয়েছে। পরে শুনলাম পকেট থেকে চুরি হয়ে গিয়েছে। অনুষ্ঠান শেষ পর্যন্ত মোবাইল ফোনটি পাওয়া যায়নি। অবশ্য টামনা থানার পুলিসেরও দাবি, মোবাইল ফোনটি হারিয়েই গিয়েছে।
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার মকর সংক্রান্তিতে অন্যান্য বছরের মতোই কাঁসাই নদীর তীরে টুসু পরবের আয়োজন করে মানভূম কালচারাল অ্যাকাডেমি। ওই অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের সভাধিপতি থেকে শুরু করে পুরুলিয়া পুরসভার চেয়ারম্যান সহ একাধিক সরকারি আধিকারিক উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন মানভূম কালচারাল অ্যাকাডেমির অন্যতম সদস্য সুদিন অধিকারী। তিনি বলেন, তখনও ছৌ নাচ হয়নি। একজন পুলিস কনস্টেবল এসে জানালেন, মহিলা থানার ওসির মোবাইল ফোনটি ‘পিক পকেট’ হয়েছে। শুনে খানিকটা হতভম্ব হয়ে যাই। পুলিস আধিকারিকের পিক পকেট হওয়ার বিষয়টি মাইকে বলা যাবে কিনা আরও একবার ওই পুলিসকর্মীর কাছে জানতে চেয়েছিলাম। তিনি বলতেই বলেছিলেন। কিন্তু মাইক নিয়ে বলার সময় ‘চুরি গিয়েছে’ বলতে পারিনি। ঘোষণা করেছিলাম, মহিলা থানার ওসির মোবাইল ফোনটি হারিয়ে গিয়েছে। তখন মঞ্চে কর্মাধ্যক্ষ তথা মানভূম কালচারাল অ্যাকাডেমির চেয়ারম্যান হংসেশ্বর মাহাত, কো মেন্টর জয় বন্দ্যোপাধ্যায়ও উপস্থিত ছিলেন। একাধিকবার ঘোষণা করা হলেও অনুষ্ঠান চলা পর্যন্ত মোবাইল ফেরত পাওয়া যায়নি। মানভূম কালচারাল অ্যাকাডেমির চেয়ারম্যান তথা পুরুলিয়া জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ হংসেশ্বর মাহাত বলেন, সে সময়ে মঞ্চেই ছিলাম। বিষয়টি শুনে হতবাক হই। প্রথমে ভেবেছিলাম হারিয়ে গিয়েছে। পরে শুনলাম পকেট থেকে চুরি হয়ে গিয়েছে। অনুষ্ঠান শেষ পর্যন্ত মোবাইল ফোনটি পাওয়া যায়নি। অবশ্য টামনা থানার পুলিসেরও দাবি, মোবাইল ফোনটি হারিয়েই গিয়েছে।



