নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: বাঁকুড়ায় বাইক সহ অন্যান্য যানবাহনে যথেচ্ছভাবে ‘প্রেস’ স্টিকারের অপব্যবহার করা হচ্ছে। ব্যক্তিগত গাড়িতে ‘প্রেস’ স্টিকার সাঁটালেই এবার থেকে জরিমানা করবে পুলিস। প্রেসের পাশাপাশি দমকল, পুলিস, সেনা, টিচার, ডাক্তার সহ অন্যান্য পেশার লোকজনের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমনকী, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরাও ব্যক্তিগত গাড়িতে ওই পদের নাম লেখা স্টিকার বা বোর্ড লাগাতে পারবেন না। বাতি ব্যবহারের ক্ষেত্রেও সকলকে আইন মানতে হবে। শীঘ্রই জেলাজুড়ে এব্যাপারে অভিযান শুরু হবে বলে বাঁকুড়ার পুলিস সুপার বৈভব তেওয়ারি জানিয়েছেন। কেউ যাতে ওইসব স্টিকার বা বোর্ড গাড়িতে লাগিয়ে অপরাধ সংগঠিত করতে না পারে, তারজন্যই এই তৎপরতা বলে পুলিস কর্তারা জানিয়েছেন।
Advertisement
পুলিস সুপার বলেন, প্রেস সহ কোনও পেশার লোকজনই ব্যক্তিগত গাড়িতে স্টিকার বা বোর্ড লাগাতে পারেন না। বিষয়টি বেআইনি। অফিসের গাড়ির ক্ষেত্রে অবশ্য ছাড় রয়েছে। নিয়মভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে আমরা অভিযান শুরু করছি। জেলার প্রতিটি থানা ও ট্রাফিক ফাঁড়িগুলিকে এব্যাপারে নির্দেশিকা পাঠানো হচ্ছে। রাস্তায় চেকিং করে জরিমানা আরোপ করা হবে। সকলকে ব্যক্তিগত যানবাহন থেকে বোর্ড ও স্টিকার খুলে ফেলার জন্য বলা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, লাল ও নীলবাতির যথেচ্ছ ব্যবহারের মতোই ব্যক্তিগত যানবাহনে পদের নাম লেখা বোর্ড ও পেশাগত পরিচয় সম্বলিত স্টিকার লাগানোর চল দীর্ঘদিন ধরেই রয়েছে। সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা বাইক ও চারচাকায় ‘প্রেস’ স্টিকার ও বোর্ড লাগিয়ে থাকেন। আগে বিষয়টি নিয়ে তেমন সমস্যা হতো না। কিন্তু, বর্তমানে ইউটিউবার থেকে শুরু করে ফেসবুক পেজের মালিকরাও যানবাহনে প্রেস স্টিকার সাঁটিয়ে ঘুরছেন। পুলিসের সঙ্গে তাঁদের বাদানুবাদও হচ্ছে। একইরকমভাবে বাঁকুড়ার বহু পুলিস, আবগারি ও দমকল কর্মী, চিকিৎসক সহ অনেকে ব্যক্তিগত যানবাহনে স্টিকার লাগিয়ে ঘুরছেন। স্কুলে যাতায়াতের জন্য ভাড়া করা চারচাকা গাড়িতে স্কুল শিক্ষকরা ‘টিচার’ লেখা বোর্ড লাগাচ্ছেন। প্রশাসনের পাশাপাশি পুরসভা ও পঞ্চায়েতের কর্মীরাও গাড়িতে পদের নাম লেখা বোর্ড লাগাচ্ছেন। ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েতের জনপ্রতিনিধিরাও একইভাবে গাড়িতে বোর্ড লাগিয়ে ঘোরেন। এমনকী, আইনসভার প্রাক্তন সদস্যরাও অনেক সময় ওই ধরনের বোর্ড গাড়িতে লাগান। তাঁরা বোর্ডে ছোট হরফে ‘এক্স’ (প্রাক্তন বোঝাতে) এবং বড় হরফে ‘এএলএ বা এমপি’ লিখে থাকেন। ফলে এক ঝলকে তা দেখে বিধায়ক বা সাংসদের গাড়ি বলেই মনে হয়।
এব্যাপারে এক পুলিস আধিকারিক বলেন, পার্কিং ফি বাঁচাতে বা রাস্তাঘাটে চেকিংয়ের ঝক্কি এড়াতে পদের নাম লেখা বোর্ড গাড়িতে ব্যবহার করা হয়। কেউ কেউ আবার ট্রাফিক আইন ভেঙে গাড়ি চালানোর পরেও ছাড় পেতে গাড়িতে বোর্ড লাগিয়ে রাখেন। এসব বেআইনি কাজ। একাধিক উচ্চ আদালতের বিচারপতি এব্যাপারে বিভিন্ন সময়ে তাঁদের পর্যবেক্ষণে ওই ধরনের অভ্যাসের সমালোচনা করেছেন। পদের প্রভাব খাটাতেই অনেকে ব্যক্তিগত যানবাহনে বোর্ড ও স্টিকার লাগিয়ে থাকেন বলে বিচারপতিরা মনে করেন। ওন্দা ও বেলিয়াতোড় থানা এলাকায় চারচাকা গাড়িতে মানবাধিকার সংগঠনের বোর্ড লাগিয়ে অপরাধ সংগঠিত হয়েছে। ফলে বিষয়টি নিয়ে কড়া অবস্থান নেওয়ার সময় এসেছে।
উল্লেখ্য, লাল ও নীলবাতির যথেচ্ছ ব্যবহারের মতোই ব্যক্তিগত যানবাহনে পদের নাম লেখা বোর্ড ও পেশাগত পরিচয় সম্বলিত স্টিকার লাগানোর চল দীর্ঘদিন ধরেই রয়েছে। সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা বাইক ও চারচাকায় ‘প্রেস’ স্টিকার ও বোর্ড লাগিয়ে থাকেন। আগে বিষয়টি নিয়ে তেমন সমস্যা হতো না। কিন্তু, বর্তমানে ইউটিউবার থেকে শুরু করে ফেসবুক পেজের মালিকরাও যানবাহনে প্রেস স্টিকার সাঁটিয়ে ঘুরছেন। পুলিসের সঙ্গে তাঁদের বাদানুবাদও হচ্ছে। একইরকমভাবে বাঁকুড়ার বহু পুলিস, আবগারি ও দমকল কর্মী, চিকিৎসক সহ অনেকে ব্যক্তিগত যানবাহনে স্টিকার লাগিয়ে ঘুরছেন। স্কুলে যাতায়াতের জন্য ভাড়া করা চারচাকা গাড়িতে স্কুল শিক্ষকরা ‘টিচার’ লেখা বোর্ড লাগাচ্ছেন। প্রশাসনের পাশাপাশি পুরসভা ও পঞ্চায়েতের কর্মীরাও গাড়িতে পদের নাম লেখা বোর্ড লাগাচ্ছেন। ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েতের জনপ্রতিনিধিরাও একইভাবে গাড়িতে বোর্ড লাগিয়ে ঘোরেন। এমনকী, আইনসভার প্রাক্তন সদস্যরাও অনেক সময় ওই ধরনের বোর্ড গাড়িতে লাগান। তাঁরা বোর্ডে ছোট হরফে ‘এক্স’ (প্রাক্তন বোঝাতে) এবং বড় হরফে ‘এএলএ বা এমপি’ লিখে থাকেন। ফলে এক ঝলকে তা দেখে বিধায়ক বা সাংসদের গাড়ি বলেই মনে হয়।
এব্যাপারে এক পুলিস আধিকারিক বলেন, পার্কিং ফি বাঁচাতে বা রাস্তাঘাটে চেকিংয়ের ঝক্কি এড়াতে পদের নাম লেখা বোর্ড গাড়িতে ব্যবহার করা হয়। কেউ কেউ আবার ট্রাফিক আইন ভেঙে গাড়ি চালানোর পরেও ছাড় পেতে গাড়িতে বোর্ড লাগিয়ে রাখেন। এসব বেআইনি কাজ। একাধিক উচ্চ আদালতের বিচারপতি এব্যাপারে বিভিন্ন সময়ে তাঁদের পর্যবেক্ষণে ওই ধরনের অভ্যাসের সমালোচনা করেছেন। পদের প্রভাব খাটাতেই অনেকে ব্যক্তিগত যানবাহনে বোর্ড ও স্টিকার লাগিয়ে থাকেন বলে বিচারপতিরা মনে করেন। ওন্দা ও বেলিয়াতোড় থানা এলাকায় চারচাকা গাড়িতে মানবাধিকার সংগঠনের বোর্ড লাগিয়ে অপরাধ সংগঠিত হয়েছে। ফলে বিষয়টি নিয়ে কড়া অবস্থান নেওয়ার সময় এসেছে।



