নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া: পুলিস পরিচয় দিয়ে এক বৃদ্ধের থেকে ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। শুক্রবার ঘটনাটি ঘটেছে পুরুলিয়ার জিইএল চার্চ মাঠে। শহরের বুকে এধরনের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। দুষ্কৃতীরা কোথা থেকে এবং কীভাবে এল তা খোঁজ নিচ্ছে পুলিস।
Advertisement
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রের খবর, ওই বৃদ্ধের বাড়ি শহরেরই ১২ নম্বর ওয়ার্ডে। তিনি এক ব্যবসায়ীর অধীনে কাজ করেন। বৃহস্পতিবার ওই ব্যবসায়ীর ৫০ হাজার টাকা রাঁচি রোডের একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে জমা দিতে যাচ্ছিলেন তিনি। সেই সময়ই পুলিসের ভেকধারী দুষ্কৃতীদের খপ্পরে পড়েন তিনি। বৃদ্ধের অভিযোগ, টাকার ব্যাগ নিয়ে ব্যাঙ্কে যাওয়ার সময় পুলিসের পরিচয় দিয়ে এক ব্যক্তি তাঁকে ডাকে। সে বলে, ওদিকে স্যার আছে, চলুন। বৃদ্ধকে জিইএল চার্চের পিছনের রাস্তার কাছে নিয়ে যায় ওই ব্যক্তি। সেখানেই অপেক্ষা করছিলেন ‹স্যার›। অভিযোগ, এরপরেই ওই বৃদ্ধকে জেরার মুখে পড়তে হয়। কোথা থেকে এই টাকা এল, কে দিয়েছে, তা জানতে চায়। এই টাকা অবৈধ বলেও বৃদ্ধকে ভয় দেখায়। সেই সুযোগে টাকার ব্যাগ নিয়ে অন্য একজন নাড়াচাড়া করতে থাকে। এরপর কৌশলে টাকা বের করে নিয়ে ব্যাগটি বৃদ্ধকে ফেরত দিয়ে দেয়।
ছাড়া পেয়ে বৃদ্ধ সেখান থেকে সোজা ব্যাঙ্কে যান। টাকা জমা দিতে গিয়ে দেখেন, ব্যাগে টাকা নেই। সঙ্গে সঙ্গে তিনি বিষয়টি তাঁর মালিককে জানান। সন্ধ্যায় টাউন থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিস সূত্রের খবর, এই কাজ ঝাড়খণ্ডের কোনও গ্যাংয়ের হতে পারে। ওই দুই দুষ্কৃতী বাইকে করে এসেছিল। পুরুলিয়ায় অপরাধ ঘটিয়ে বাঁকুড়ায় পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। গত কয়েকদিন ধরেই পুরুলিয়া ও বাঁকুড়ার একাধিক জায়গায় দুই দুষ্কৃতী কেপমারির ঘটনা ঘটিয়েছে। পুলিস সূত্রের দাবি, দুষ্কৃতীরা পুরুলিয়া থেকে বাইকে বাঁকুড়া যাতায়াত করছে না। শহরে এসে বাইক জোগাড় করে অপরাধ ঘটাচ্ছে। তারপর কোনও চারচাকা গাড়িতে করে অন্যত্র চলে যাচ্ছে। সেখানে গিয়েও একই কায়দায় অপরাধ করছে।
তবে, এধরনের ঘটনায় পুরুলিয়া শহরে পুলিসি নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে। গত কয়েক মাসে পুরুলিয়া শহরের সরকারি আবাসনে চুরি, বাড়িতে চুরি, মোবাইল ছিনতাই, মোটরসাইকেল চুরির মতো ঘটনাও ঘটেছে। শহরের সার্বিক নিরাপত্তার দাবি করছেন বাসিন্দারা।
ছাড়া পেয়ে বৃদ্ধ সেখান থেকে সোজা ব্যাঙ্কে যান। টাকা জমা দিতে গিয়ে দেখেন, ব্যাগে টাকা নেই। সঙ্গে সঙ্গে তিনি বিষয়টি তাঁর মালিককে জানান। সন্ধ্যায় টাউন থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিস সূত্রের খবর, এই কাজ ঝাড়খণ্ডের কোনও গ্যাংয়ের হতে পারে। ওই দুই দুষ্কৃতী বাইকে করে এসেছিল। পুরুলিয়ায় অপরাধ ঘটিয়ে বাঁকুড়ায় পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। গত কয়েকদিন ধরেই পুরুলিয়া ও বাঁকুড়ার একাধিক জায়গায় দুই দুষ্কৃতী কেপমারির ঘটনা ঘটিয়েছে। পুলিস সূত্রের দাবি, দুষ্কৃতীরা পুরুলিয়া থেকে বাইকে বাঁকুড়া যাতায়াত করছে না। শহরে এসে বাইক জোগাড় করে অপরাধ ঘটাচ্ছে। তারপর কোনও চারচাকা গাড়িতে করে অন্যত্র চলে যাচ্ছে। সেখানে গিয়েও একই কায়দায় অপরাধ করছে।
তবে, এধরনের ঘটনায় পুরুলিয়া শহরে পুলিসি নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে। গত কয়েক মাসে পুরুলিয়া শহরের সরকারি আবাসনে চুরি, বাড়িতে চুরি, মোবাইল ছিনতাই, মোটরসাইকেল চুরির মতো ঘটনাও ঘটেছে। শহরের সার্বিক নিরাপত্তার দাবি করছেন বাসিন্দারা।



