Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

পাকাবাড়ি থাকা সত্ত্বেও তথ্য লুকিয়ে বাংলার বাড়ির টাকা

পাকাবাড়ি থাকা সত্ত্বেও তথ্য লুকিয়ে বাংলার বাড়ির টাকা
  • ১৮ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: পাকাবাড়ি থাকা সত্ত্বেও সত্য গোপন করে বাংলার বাড়ির টাকা পাওয়া ১০জনের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করল সুতাহাটা ব্লক প্রশাসন। গুয়াবেড়িয়া, চৈতন্যপুর সহ একাধিক গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় ওইসব উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে লেনদেন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পাকাবাড়ি তৈরির টাকা ঢোকার পরই ওই ব্লকের বিভিন্ন জায়গা থেকে অভিযোগ আসছে। আগে আবাস যোজনার টাকা পাওয়া উপভোক্তাদের বেশ কয়েকজন এবার ফের বাংলার বাড়ির টাকা পেয়েছেন। অন্যের কাঁচাবাড়ি দেখিয়ে তালিকায় নাম তোলার ঘটনাও সামনে এসেছে।সুতাহাটা ব্লকের গুয়াবেড়িয়া গ্রামের বংশীধর ভট্টাচার্য ২০১৬ সালে ইন্দিরা আবাস যোজনায় বাড়ি তৈরির টাকা পান। সেই টাকায় এক কামরা বাড়ি বানিয়েছেন। এখন সপরিবারে সুতাহাটায় পাকাবাড়ি বানিয়ে বসবাস করেন। সেখানে এসি বসানো আছে। তাঁর ছেলে মধুসূদন ওই বাড়ির একটি ঘরে কম্পিউটার সেন্টার চালান। এবার ফের বংশীধরবাবুর অ্যাকাউন্টে বাংলার বাড়ি তৈরির জন্য প্রথম কিস্তির ৬০হাজার টাকা ঢুকেছে। বিষয়টি ‘বর্তমান’ সংবাদপত্রে প্রকাশিত হওয়ার পরই ব্লক প্রশাসন তাঁর অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে রেখেছে। 
Advertisement
গুয়াবেড়িয়া গ্রামের উত্তম দাস আগেই আবাস যোজনায় বাড়ি তৈরির টাকা পেয়েছেন। সেই টাকায় পাকাবাড়ি বানিয়েছেন। এবার ফের তাঁর নাম আবাস তালিকায় রয়েছে। ওয়েটিং লিস্টে নাম রয়েছে। বিষয়টি ব্লক প্রশাসনের নজরে আসার পর তাঁর নাম অনুমোদন লিস্ট থেকে বাদ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। চৈতন্যপুর গ্রাম পঞ্চায়েতেও কয়েকজনের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে। পাকাবাড়ি থাকার পরও আবাস তালিকায় নাম তোলার পর অ্যাকাউন্টে প্রথম কিস্তির টাকা ঢোকে। বিষয়টি জানাজানি হতেই বিডিও অফিসে অভিযোগ জমা পড়ে। বৃহস্পতিবার সুতাহাটার বিডিও দেবলীনা দাস নিজে চৈতন্যপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় যান। অভিযোগের তালিকায় নাম থাকা উপভোক্তাদের বাড়ি ভিজিট করার পর কয়েকজনের অ্যাকাউন্ট ‘ফ্রিজ’ করার জন্য ব্যাঙ্ক ম্যানেজারকে চিঠি দেন। আগে পাকাবাড়ি তৈরির টাকা পাওয়া সত্ত্বেও অনেকেই এবার ‘সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী’ নম্বরে ফোন করে আবাস লিস্টে নাম তুলেছেন।
সম্পর্কিত সংবাদ