সংবাদদাতা, রামপুরহাট: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলার বাড়ি প্রকল্পকে সামনে রেখে অনেকেই টাকা হাতানোর নানা ফন্দি এঁটেছিলেন। সেসব ধীরে ধীরে ধরা পড়ছে। তার জেরে বহু উপভোক্তার বাড়ি প্রকল্পের টাকা আটক দিল মুরারই ১ ব্লক প্রশাসন। অভিযোগ, সার্ভে চলাকালীন ওই সব ব্যক্তি নানা ছলচাতুরি অবলম্বন করেছিলেন। এর সঙ্গে প্রশাসন ও শাসকদলের স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের একাংশ যুক্ত বলে অভিযোগ। বিডিও বীরেন্দর সিং বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে যাচাইকরণ সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত সেই সব উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে টাকা ছাড়া হবে না।
Advertisement
জানা গিয়েছে, বাংলার বাড়ি প্রকল্পের টাকা হাতাতে কেউ পাকা বাড়ি থাকা সত্ত্বেও মাটির ভাঙাচোরা বাড়ি দেখিয়েছিলেন। আবার কেউ গোয়ালঘর, বা অন্যের মাটির বাড়িও দেখিয়েছিলেন। সরেজমিন তদন্তে যাওয়া প্রশাসনের আধিকারিকদের সামনে অনেকেই ‘দরিদ্রের’ অভিনয় করেছিলেন। সার্ভের দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের তাতে কোনও সন্দেহ হয়নি। প্রকল্পের তালিকায় নাম রেখে দিয়েছিলেন। ডিসেম্বরের শেষে ফাইনাল লিস্ট ধরে বাংলার বাড়ি প্রকল্পের টাকা ব্লক পিছু বরাদ্দ করে রাজ্য সরকার। ব্লক থেকে উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠিয়ে দেওয়া হয়। অনেকেই সেই টাকা তুলে মাটির ঘর ভেঙে পাকা বাড়ি তৈরির স্বপ্নপূরণের দিকে এগিয়ে চলেছেন। কিন্তু মুরারই ১ ব্লকের অনেক উপভোক্তার টাকা আটকে দিয়েছে ব্লক প্রশাসন।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মুরারই ১ ব্লকে বাংলার বাড়ি প্রকল্পে ৩৬৫৭ জনের নাম চূড়ান্ত হয়। সেই মতো ব্লককে অর্থ বরাদ্দ করে রাজ্য সরকার। ব্লক থেকে উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা ছাড়ার প্রক্রিয়ার মধ্যেই বেশ কিছু অভিযোগ জমা পড়তে শুরু করে। স্থানীয় সূত্রে খবর, গ্রামে পাকা বাড়ি থাকা সত্ত্বেও বাংলার বাড়ি প্রকল্পের তালিকায় নাম রয়েছে তাঁদের। তাঁরা নিজেদের পাকা বাড়ি ছেড়ে অন্যের ভাঙাচোরা, কেউবা নিজের গোয়ালঘরে বাড়ির আসবাবপত্র রেখে থাকছিলেন। সার্ভের কাজ শেষ হতেই তাঁরা নিজেদের পাকা বাড়িতে ফিরে গিয়েছেন। বিষয়টি জানতে পেরে এমন বহু উপভোক্তার নামে অভিযোগ করেন গ্রামবাসীরা। গোটা ছলচাতুরির জন্য শাসকদলের স্থানীয় জনপ্রতিধিদের একাংশ যুক্ত বলে তাঁদের অভিযোগ। তার ভিত্তিতেই এখনও পর্যন্ত ২১ জন উপভোক্তার টাকা আটকে রেখেছে প্রশাসন। যদিও গ্রামবাসীদের দাবি, ঠিকমতো সার্ভে হলে সেই সংখ্যাটা কয়েকগুণ বেড়ে যাবে।
গ্রামবাসীদের অভিযোগ প্রসঙ্গে তৃণমূলের ব্লক সভাপতি বিনয় ঘোষ বলেন, প্রাপকদের নামের তালিকা পেয়েছি। তাতে বহু গরিব মানুষের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। সেখানে যাঁর সুবিধা পাওয়ার কথা নয়, তাঁর অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকে গিয়েছে। তলে তলে টাকার খেলা হয়েছে। প্রশাসনিক কর্তাদের পাশাপাশি তিন-চারজন প্রধানও এই কাণ্ডে যুক্ত। দলীয়ভাবে তদন্ত শুরু হয়েছে। এই অন্যায় মানা হবে না।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মুরারই ১ ব্লকে বাংলার বাড়ি প্রকল্পে ৩৬৫৭ জনের নাম চূড়ান্ত হয়। সেই মতো ব্লককে অর্থ বরাদ্দ করে রাজ্য সরকার। ব্লক থেকে উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা ছাড়ার প্রক্রিয়ার মধ্যেই বেশ কিছু অভিযোগ জমা পড়তে শুরু করে। স্থানীয় সূত্রে খবর, গ্রামে পাকা বাড়ি থাকা সত্ত্বেও বাংলার বাড়ি প্রকল্পের তালিকায় নাম রয়েছে তাঁদের। তাঁরা নিজেদের পাকা বাড়ি ছেড়ে অন্যের ভাঙাচোরা, কেউবা নিজের গোয়ালঘরে বাড়ির আসবাবপত্র রেখে থাকছিলেন। সার্ভের কাজ শেষ হতেই তাঁরা নিজেদের পাকা বাড়িতে ফিরে গিয়েছেন। বিষয়টি জানতে পেরে এমন বহু উপভোক্তার নামে অভিযোগ করেন গ্রামবাসীরা। গোটা ছলচাতুরির জন্য শাসকদলের স্থানীয় জনপ্রতিধিদের একাংশ যুক্ত বলে তাঁদের অভিযোগ। তার ভিত্তিতেই এখনও পর্যন্ত ২১ জন উপভোক্তার টাকা আটকে রেখেছে প্রশাসন। যদিও গ্রামবাসীদের দাবি, ঠিকমতো সার্ভে হলে সেই সংখ্যাটা কয়েকগুণ বেড়ে যাবে।
গ্রামবাসীদের অভিযোগ প্রসঙ্গে তৃণমূলের ব্লক সভাপতি বিনয় ঘোষ বলেন, প্রাপকদের নামের তালিকা পেয়েছি। তাতে বহু গরিব মানুষের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। সেখানে যাঁর সুবিধা পাওয়ার কথা নয়, তাঁর অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকে গিয়েছে। তলে তলে টাকার খেলা হয়েছে। প্রশাসনিক কর্তাদের পাশাপাশি তিন-চারজন প্রধানও এই কাণ্ডে যুক্ত। দলীয়ভাবে তদন্ত শুরু হয়েছে। এই অন্যায় মানা হবে না।



