২৮ নভেম্বর, মুম্বই: ২৫ বছরের পাইলট তরুণীর মৃত্যু ঘিরে উঠে আসছে একের পর এক অভিযোগ। মৃত তরুণীর পরিবারের দাবি, এই মৃত্যু আত্মহত্যা নয় বরং পরিকল্পিত খুন। অন্যদিকে, তরুণীর প্রেমিকের দাবি, আত্মহত্যা করেছেন সৃষ্টি তুলি নামে ওই তরুণী। যদিও, ইতিমধ্যেই মহিলার পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত প্রেমিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস।
Advertisement
জানা গিয়েছে, ওই তরুণী পাইলট ও তাঁর প্রেমিক দিল্লিতে একইসঙ্গে পাইলটের জন্য প্রশিক্ষণ নিতে গিয়েছিলেন। কিন্তু অভিযুক্ত প্রেমিক আদিত্য পণ্ডিত ড্রপ আউট হয়। অন্যদিকে পাইলট হন সৃষ্টি। এরপর তিনি চলে আসেন মুম্বইতে। পরিবারের অভিযোগ, এই কারণেই নিজের প্রেমিকাকে হিংসা করতে শুরু করে অভিযুক্ত।
যদিও আদিত্য পণ্ডিতের দাবি, ঘটনার দিন সে বাইরে থেকে ফ্ল্যাটে ফিরে দেখতে পায় দরজা বন্ধ। অনেক ধাক্কাধাক্কি করেও দরজা না খোলায়, একজন চাবি মিস্ত্রিকে ডেকে তালা খুলতে হয়। তবে সৃষ্টির পরিবার আদিত্যর এই দাবি মানতে নারাজ। তাঁদের দাবি, আদিত্য নামে ওই যুবক তাঁদের বাড়ির মেয়েকে টাকার জন্য ব্ল্যাকমেইলিং-সহ মানসিক ভাবে নির্যাতন করত। এমনকী প্রকাশ্যে নানা ভাবে অপদস্থ করা হত বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। পাশাপাশি, আমিষ খাওয়া চলবে না, বরং নিরামিষ খাওয়ার জন্য সৃষ্টিকে চাপ দেওয়া হত বলেও অভিযোগ করেছে মৃতার পরিবার।
পুলিস সূত্রে খবর, গত সোমবার মুম্বইয়ের মোরালি এলাকায় তরুণীর নিজের ফ্ল্যাট থেকেই ওই তরুণী পাইলটের দেহ উদ্ধার হয়। মোবাইলের চার্জারের তার দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়েই সে আত্মহত্যা করেছে বলে প্রাথমিক ভাবে মনে করা হয়েছিল। যদিও এই দাবি মানতে নারাজ পরিবার। ঘটনাস্থল থেকে কোনও সুইসাইড নোটও উদ্ধার হয়নি। পুরো বিষয়টির তদন্ত শুরু করেছে পুলিস।
যদিও আদিত্য পণ্ডিতের দাবি, ঘটনার দিন সে বাইরে থেকে ফ্ল্যাটে ফিরে দেখতে পায় দরজা বন্ধ। অনেক ধাক্কাধাক্কি করেও দরজা না খোলায়, একজন চাবি মিস্ত্রিকে ডেকে তালা খুলতে হয়। তবে সৃষ্টির পরিবার আদিত্যর এই দাবি মানতে নারাজ। তাঁদের দাবি, আদিত্য নামে ওই যুবক তাঁদের বাড়ির মেয়েকে টাকার জন্য ব্ল্যাকমেইলিং-সহ মানসিক ভাবে নির্যাতন করত। এমনকী প্রকাশ্যে নানা ভাবে অপদস্থ করা হত বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। পাশাপাশি, আমিষ খাওয়া চলবে না, বরং নিরামিষ খাওয়ার জন্য সৃষ্টিকে চাপ দেওয়া হত বলেও অভিযোগ করেছে মৃতার পরিবার।
পুলিস সূত্রে খবর, গত সোমবার মুম্বইয়ের মোরালি এলাকায় তরুণীর নিজের ফ্ল্যাট থেকেই ওই তরুণী পাইলটের দেহ উদ্ধার হয়। মোবাইলের চার্জারের তার দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়েই সে আত্মহত্যা করেছে বলে প্রাথমিক ভাবে মনে করা হয়েছিল। যদিও এই দাবি মানতে নারাজ পরিবার। ঘটনাস্থল থেকে কোনও সুইসাইড নোটও উদ্ধার হয়নি। পুরো বিষয়টির তদন্ত শুরু করেছে পুলিস।



