নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: কোচবিহারে তোর্সার উপর ফাঁসিরঘাটে সেতু নির্মাণের দাবিতে এবার লাগাতার আন্দোলনে নামছে ফরওয়ার্ড ব্লক। আগামী ২০ জানুয়ারি কোচবিহারে অবস্থান আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে এই কর্মসূচি তারা শুরু করবে। সোমবার কোচবিহারে ফরওয়ার্ড ব্লকের জেলা অফিসে সাংবাদিক সম্মেলন করে একথা ঘোষণা করেন দলের নেতা অক্ষয় ঠাকুর। ধাপে ধাপে এই আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে, জানান তিনি।
Advertisement
এদিকে, তোর্সায় ফাঁসিরঘাটে সেতু নির্মাণে ফব’র এই পদক্ষেপকে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস ‘হাওয়া গরম’ করার রাজনীতি বলে কটাক্ষ করেছে। তাদের দাবি, তোর্সায় দ্বিতীয় সেতু নির্মাণের জন্য তারা ইতিমধ্যেই পদক্ষেপ করেছে। এই দাবিতে সম্প্রতি কেন্দ্রের সড়ক পরিবহণমন্ত্রী নীতিন গাদকারির সঙ্গে দেখা করেছেন সাংসদ জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া। নীতিন গাদকারির পরামর্শ অনুসারে সেতুবন্ধন প্রকল্পের বিষয়ে রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তার মাঝে ফব এই ইস্যুতে আন্দোলনে নামছে জানতে পেরেই শাসক দল তাদের আন্দোলনকে হাওয়া গরমের রাজনীতি বলছে।
ফরওয়ার্ড ব্লক নেতা অক্ষয় ঠাকুর বলেন, আমরা তোর্সার উপর ফাঁসিরঘাটে সেতুর দাবি জানাচ্ছি। এটা হলে ২৫ কিমি রাস্তা কমবে। ২০ জানুয়ারি অবস্থান আন্দোলন করব। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত লাগাতার আন্দোলনের পথে যাব। এপারে আন্দোলনের পর নদীর ওপারে আন্দোলন হবে। কেন্দ্র ও রাজ্য দুই সরকারের কাছেই এই দাবি জানাব। পর্যায়ক্রমে আন্দোলন চলবে। কোচবিহারের সাংসদ বলেন, তোর্সায় দ্বিতীয় সেতু নির্মাণের জন্য আমি দিল্লিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে চিঠি দিয়েছি। তিনি রাজ্যের সেতুবন্ধন প্রকল্পের মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে আসতে বলেছেন। আমি রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। জনগণের কাছে হাওয়া গরম করতে চাইছে ফব।
ফরওয়ার্ড ব্লক নেতা অক্ষয় ঠাকুর বলেন, আমরা তোর্সার উপর ফাঁসিরঘাটে সেতুর দাবি জানাচ্ছি। এটা হলে ২৫ কিমি রাস্তা কমবে। ২০ জানুয়ারি অবস্থান আন্দোলন করব। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত লাগাতার আন্দোলনের পথে যাব। এপারে আন্দোলনের পর নদীর ওপারে আন্দোলন হবে। কেন্দ্র ও রাজ্য দুই সরকারের কাছেই এই দাবি জানাব। পর্যায়ক্রমে আন্দোলন চলবে। কোচবিহারের সাংসদ বলেন, তোর্সায় দ্বিতীয় সেতু নির্মাণের জন্য আমি দিল্লিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে চিঠি দিয়েছি। তিনি রাজ্যের সেতুবন্ধন প্রকল্পের মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে আসতে বলেছেন। আমি রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। জনগণের কাছে হাওয়া গরম করতে চাইছে ফব।



